টাকা লুঠ করতেই খুন, নিখোঁজ হওয়ার ১০ দিন পর নদী থেকে উদ্ধার হল ব্যবসায়ীর দেহ

টাকা লুঠ করতে জামুরিয়ায় সফিকুলকে শ্বাসরোধ করে খুন করে তারা। মৃত্যু নিশ্চিত করতে এর পর গলা কেটে ফেলে তার। দেহটি কাঁথা-কম্বলে জড়িয়ে নিয়ে যায় কাল্টুর গ্রামের বাড়ি বীরভূম জেলার দুবরাজপুরের দিকে।

Updated By: Dec 3, 2019, 11:37 AM IST
টাকা লুঠ করতেই খুন, নিখোঁজ হওয়ার ১০ দিন পর নদী থেকে উদ্ধার হল ব্যবসায়ীর দেহ

নিজস্ব প্রতিবেদন: বীরভূমের দুবরাজপুর থানা এলাকার শাল নদী থেকে উদ্ধার হল জামুরিয়া থেকে রহস্যজনক ভাবে নিখোঁজ মুর্শিদাবাদের কয়লা ব্যাবসায়ী সফিকুল আলমের দেহ। মুর্শিদাবাদ জেলার কৃষ্ণপুর গ্রামের বাসিন্দা সফিকুল। বিভিন্ন ইট ভাঁটায় কয়লা সরবরাহ করার ব্যবসা ছিল তাঁর। ঘটনায় কাল্টু খান ও তাঁর স্ত্রী মদিনাকে গ্রেফতার করেছে পুলিস।

গত ২২ নভেম্বর বাড়ি থেকে ১২ লক্ষ টাকা নিয়ে কয়লা কাণ্ডে পশ্চিম বর্ধমানের জামুরিয়া যান সফিকুল। রাতে আকলপুর গ্রামের কাল্টু খানের বাড়িতে আশ্রয় নেন তিনি। এরপর থেকে সফিকুলের আর কোন খোঁজ মেলেনি। কাল্টু সফিকুলের পূর্বপরিচিত। কাল্টুর কাছ থেকেই কয়লা কিনতেন তিনি। 

অবশেষে চাঁদের মাটিতে মিলল ল্যান্ডার বিক্রমের ধ্বংসাবশেষ, ছবি প্রকাশ করল নাসা 

স্বামীর খোঁজ না মেলায় ২৩ নভেম্বর সফিকুলের স্ত্রী সামিনা ইয়াসমিন মুর্শিদাবাদের সামশেরগঞ্জ থানায় নিখোঁজ ডাইরি করেন। ২৬ নভেম্বর কাল্টু ও তাঁর স্ত্রী-সহ চারজনের নামে অপহরণের অভিযোগ এনে  মুর্শিদাবাদের পুলিশ সুপারের দ্বারস্থ হন তিনি। অভিযোগ জমা পড়ে জামুরিয়া থানাতেও। সোমবার সকালে কাল্টু ও তার স্ত্রী মোদিনাকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে জামুরিয়া পুলিশ। টানা জেরার মুখে শেষ পর্যন্ত ভেঙে পড়ে তারা খুনের কথা স্বীকার করে। 

পুলিসকে অভিযুক্তরা জানায়, টাকা লুঠ করতে জামুরিয়ায় সফিকুলকে শ্বাসরোধ করে খুন করে তারা। মৃত্যু নিশ্চিত করতে এর পর গলা কেটে ফেলে তার। দেহটি কাঁথা-কম্বলে জড়িয়ে নিয়ে যায় কাল্টুর গ্রামের বাড়ি বীরভূম জেলার দুবরাজপুরের দিকে। পথে ভাঙা পিলারের সাথে দেহটি বেঁধে ফেলে তারা। এর পর দেহটি ফেলে দেওয়া হয় শাল নদীর জলে। তাঁদের কথা মতো তল্লাশি চালিয়ে মঙ্গলবার দেহের সন্ধান পায় পুলিস। গ্রেফতার করা হয় কাল্টু ও তার স্ত্রী মদিনাকে। ধৃতদের আজ আসানসোল জেলা আদালতে তোলা হবে।  ময়নাতদন্তের জন্য সফিকুলের দেহটি সিউড়ি জেলা হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।