Hooghly Controversial Advertisement: বড় বড় হরফে লেখা 'মারুন... লাগান... টিপুন'! বিজ্ঞাপনে চোখ কপালে আমজনতার
কে দিল? কাদের বিজ্ঞাপন? কীসের বিজ্ঞাপন? হোর্ডিংয়ে তার বিন্দু বিসর্গও লেখা নেই।
বিশ্বজিৎ সিংহ রায়: মারুন... লাগান... টিপুন... বিশাল লাল ব্যানারে সাদা হরফে লেখা কয়েকটা লাইন আর কিছু শব্দ। শুধুই কি নিখাদ বিজ্ঞাপনী চমক (Advertisement)? নিছক নজর টানতেই বিজ্ঞাপনী প্রচারে বাংলা শব্দের অশ্লীল প্রয়োগ (Obscene Bengali Words)! অশ্লীল বাক্য গঠন! এমনই কিছু ব্যানার-পোস্টার ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে হুগলিতে (Hooghly)।
ব্যান্ডেল (Bandel) স্টেশন থেকে চুঁচুঁড়া (Chinsurah) শহর। ছয়লাপ এমনই দৃষ্টিকটূ অশ্লীল বাক্যের বিজ্ঞাপনের হোর্ডিংয়ে। যা ঘিরে সবারই চক্ষু চড়কগাছ। সবারই বক্তব্য মোটামুটি এক। সবাই বলছেন, ভাষা প্রয়োগে অশ্লীলতার চরম সীমা লঙ্ঘন করেছে বিজ্ঞাপনগুলি। কে দিল? কাদের বিজ্ঞাপন? কীসের বিজ্ঞাপন? কী নিয়ে? কী বিষয়ে বিজ্ঞাপন? না, হোর্ডিংয়ে তার বিন্দু বিসর্গও লেখা নেই।
বিশাল লাল ব্যানারের মাঝে সাদা রঙের হরফে একলাইন করে শুধু লেখা, "লাইনে ঢুকতে টিপুন", "গুছিয়ে লাইন লাগান", "নিখরচায় লাইন মারুন", "লাইন মারতে শিখুন", "লাইনে ঢুকুন দাদা"। কেউ দেখতে না চাইলেও, বিজ্ঞাপনের অবস্থান আর তার বিশালতা মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছেই। ইতিমধ্যেই এই বিজ্ঞাপন নিয়ে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে সাধারণ মানুষের মনে।
শিক্ষকমহল বলছে অপসংস্কৃতি। মহিলাদের বক্তব্য, বিজ্ঞাপন এমন হওয়া উচিত নয়। যাতে সমাজে খারাপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। চুঁচুড়ার উপপুরপ্রধান পার্থ সাহা এপ্রসঙ্গে বলেন, "কে বা কারা এধরনের বিজ্ঞাপন দিল? আমরা খোঁজ নিয়ে ব্যবস্থা নিচ্ছি।" চুঁচুড়ার বিধায়ক অসিত মজুমদার বলেন, "অবশ্যই শব্দের ব্যবহার ঠিক নয়। আমি খোঁজ নিয়ে দেখছি।"
আরও পড়ুন, Sushmita Sen's Love Life: বিশ্বসুন্দরীর ক্যারিশমায় কুপোকাৎ! ললিত-ললনা সুস্মিতার সিরিজ প্রেম...
Mangalsutra: স্ত্রী মঙ্গলসূত্র খুলে ফেললে তা নিষ্ঠুরতার চূড়ান্ত নিদর্শন: হাইকোর্ট
Nadia Murder: পরদিনই ডিভোর্স, আগের রাতে স্ত্রীর কাছে এসে ভয়ংকর কাণ্ড স্বামীর!