ইটের তলায় কাগজে নাম, বাইকের সঙ্গে মশারি টাঙিয়ে মাঝ রাত থেকে লম্বা লাইন টিকাকেন্দ্রে

এই টিকাকরণ কেন্দ্রে টিকা নিতে গিয়ে চরম হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে স্থানীয়দের।  দিনের-পর-দিন টিকাকেন্দ্রে গিয়ে লাইন দিয়ে টিকা না পেয়ে ফিরতে হচ্ছে খালি হাতে। 

Updated By: Jul 19, 2021, 12:12 PM IST
ইটের তলায় কাগজে নাম, বাইকের সঙ্গে মশারি টাঙিয়ে মাঝ রাত থেকে লম্বা লাইন টিকাকেন্দ্রে

নিজস্ব প্রতিবেদন: করোনা ভ্যাকসিন পেতে বিরাট লাইন। দিনের শেষেও মিলছে না ভ্যাকসিন। এদিকে বিশেষজ্ঞরা জানিয়ে দিয়েছেন ১০০ থেকে ১২৫ দিন খুবই গুরুত্বপূর্ণ, ঘাড়ের কাছে নিঃশ্বাস ফেলছে থার্ড ওয়েভ। তাই ভ্যাকসিন নিতে তৎপর রাজ্যবাসী। 

আগের দিন রাতে চিরকুটে নাম লিখে ইট চাপা দিয়ে লাইন দিতে হচ্ছে।  অনেককেই খোলা আকাশের নিচে গাছের তলায় ঠায় বসে রয়েছেন রাতভর। আবার কেউ মাঝ রাত থেকে মটরসাইকেলের সঙ্গে মশারি বেঁধে ভ্যাকসিন কেন্দ্রের সামনে অপেক্ষা করছেন। এমনই ছবি দেখা দেল হাড়োয়া গ্রামীন হাসপাতালে। 

ভ্যাকসিন পেতে  চরম ভোগান্তিতে গোটা রাজ্যের পাশাপাশি উত্তর ২৪ পরগনা। তবে বেশি ভোগান্তি দেখা দিয়েছে হাড়োয়ার বাসিন্দাদের। সন্ধ্যা থেকে গভীর রাতে চিরকুটে নাম লিখে  টিকাকেন্দ্রে লম্বা লাইন। তবুও মিলছে না পর্যাপ্ত ভ্যাকসিন। টিকা পেতে এমনই  চরম ভোগান্তির ছবি ধরা পড়ল উত্তর ২৪ পরগনার হাড়োয়া গ্রামীণ হাসপাতালে।  

এই টিকাকরণ কেন্দ্রে টিকা নিতে গিয়ে চরম হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে স্থানীয়দের।  দিনের-পর-দিন টিকাকেন্দ্রে গিয়ে লাইন দিয়ে টিকা না পেয়ে ফিরতে হচ্ছে খালি হাতে। একে টিকার যোগান কম তার উপর দৈনিক টিকাকরণ কেন্দ্রে শতাধিক মানুষ উপচে পড়া ভিড়।  সেই ভিড় সামলে দিনের শেষে সীমিত সংখ্যক মানুষকে টিকা পাচ্ছেন। এমনই পরিস্থিতিতে অগত্যা টিকা নেওয়ার জন্য আগের দিন চিরকুটে নাম লিখে টিকাকরণ কেন্দ্রের সামনে ইট চাপা দিয়ে  লাইনে রাতে পাহারা দিতে হচ্ছে টিকা প্রাপকদের। ভ্যাকসিন পাওয়ার জন্য সন্ধ্যা হতেই ব্যাগে খাবার ও প্রয়োজনীয় সামগ্রী সঙ্গে নিয়ে টিকাকরণ কেন্দ্রে  হাজির হচ্ছেন মানুষ।