)
জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: মানিকের টাকা মলদ্বীপ-ভিয়েতনামে। আদালতে এমনই বিস্ফোরক দাবি করল ইডি। এমনকী এই দুর্নীতিতে জড়িত স্ত্রী-ছেলেও। অনেকে বলছেন লন্ডনেও বাড়ি আছে। এদিন মানিকের জামিনের বিরোধিতা করে সওয়াল ইডির। মানিকের টাকা মলদ্বীপ, ভিয়েতনামে? মানিকের বিরুদ্ধে চাঞ্চল্যকর দাবি ইডির। মানিকের অপরাধের সঙ্গে জড়িত তাঁর স্ত্রী-পুত্রও। মালদ্বীপ থেকে ভিয়েতনাম, বিশ্বের বিভিন্ন জায়গায় মানিকের টাকা রাখা আছে। এমনটাই আদালতে দাবি ইডির আইনজীবীর।
মানিকের স্ত্রী ও ছেলের জামিনের আর্জির বিরোধিতা করে ইডি। প্রমাণ লোপাটের আশঙ্কায় জামিনের বিরোধিতা করেছে তদন্তকারী সংস্থা। অনেকে বলছেন, লন্ডনে মানিকের বাড়ি আছে। সেজন্য দু’বার লন্ডনে গিয়েছিলেন মানিকের ছেলে। মানিকের কাজে সক্রিয়ভাবে জড়িত ছিলেন তাঁর স্ত্রী। যদিও তদন্তকারীদের কাছে সেটা লুকিয়েছেন মানিকের ছেলে। আদালতে এমনটাই দাবি করে আইনজীবীর।
লন্ডনে যাওয়ার মানেই কি লন্ডনে বাড়ি আছে? এদিন ইডির আইনজীবীকে প্রশ্ন বিচারকের। লন্ডনে বাড়ি আছে বলেই তো রেসিডেন্সিয়াল ভিসা রয়েছে। পাল্টা সওয়াল ইডির আইনজীবীর। যদিও মানিক পুত্র সৌভিকের আইনজীবীর দাবি, ছাত্র হিসেবে লন্ডনে গিয়েছিলেন, ভাড়ায় থাকতেন। তবে লন্ডনে মানিকের সম্পত্তির খোঁজ পেতে মরিয়া ইডি। সূত্রের খবর, লন্ডনে কোথায় সম্পত্তি রয়েছে মানিকের? জানতে বিদেশ মন্ত্রক ও ব্যুরো অফ ইমিগ্রেশনকে চিঠি ইডির।
মানিকের পরিবারের বিদেশ ভ্রমণেও নজর ইডির। এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের অনুমান, বিদেশ ভ্রমণে পাঁচ কোটি টাকা খরচ করেছেন মানিকের পরিবার। ইডি সূত্রে দাবি, ২০১২-র পর থেকে একাধিকবার বিদেশ সফর করেছেন মানিক পুত্র শৌভিক। ইউরোপ, চিন, আমেরিকা, নাইজেরিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা, মালয়েশিয়া, মলদ্বীপে গিয়েছিলেন তিনি। এদিন আদালতে ED-র আইনজীবী জানান, ২০১৭ সালের মে এবং জুলাই মাসে লন্ডন গিয়েছিলেন নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে ধৃত মানিক ভট্টাচার্যের পুত্র শৌভিক। অথচ ED-কে সেই তথ্য দেননি তিনি। ওই দু'বারই আবাসিক ভিসার জন্য আবেদন জানিয়েছিলেন শৌভিক।