লক্ষ্য ১২টি বিধানসভা, ন্যাড়া হয়ে জঙ্গলমহলে সংকল্প যাত্রা শুরু করল যুব মোর্চার ১২ জন

আজ দলের যুব মোর্চার পক্ষ থেকে রানীবাঁধে এই সংকল্প যাত্রার সূচনা অনুষ্ঠানে সংগঠনের জেলা সভাপতি সুনীল রুদ্র মণ্ডল-সহ ১২ জন নেতা কর্মী মাথা ন্যাড়া করেন।

Updated By: Dec 4, 2020, 05:10 PM IST
লক্ষ্য ১২টি বিধানসভা, ন্যাড়া হয়ে জঙ্গলমহলে সংকল্প যাত্রা শুরু করল যুব মোর্চার ১২ জন
নিজস্ব চিত্র

নিজস্ব প্রতিবেদন:  ২০২১ এর নির্বাচনে জয়ের লক্ষ্যে বাঁকুড়া জেলার যুব মোর্চার সভাপতি-সহ ১২ জন কর্মী মাথা ন্যাড়া করে বাঁকুড়ার জঙ্গলমহলে শুরু করলেন সংকল্প যাত্রা। ২০২১ সালের বিধানসভা ভোটের আগে জঙ্গল মহলে সন্ত্রাসের পরিবেশ তৈরির 'অপচেষ্টা' রুখে দিয়ে বাঁকুড়ার ১২ টি বিধানসভা কেন্দ্র জয়ের লক্ষ্যে 'সংকল্প যাত্রা' শুরু করলো বিজেপি। 

আজ দলের যুব মোর্চার পক্ষ থেকে রানীবাঁধে এই সংকল্প যাত্রার সূচনা অনুষ্ঠানে সংগঠনের জেলা সভাপতি সুনীল রুদ্র মণ্ডল-সহ ১২ জন নেতা কর্মী মাথা ন্যাড়া করেন। জেলার ১২টি বিধানসভা কেন্দ্রেই জয়ের লক্ষ্যে এই ১২ জনের মাথা ন্যাড়া করার উদ্যোগ বলে দাবি বিজেপি যুব মোর্চার।

২০১৮ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচনে মনোনয়নপত্র দাখিলের সময় জঙ্গল মহলের রানিবাঁধে দুস্কৃতিদের হাতে খুন হন বিজেপির স্থানীয় মণ্ডল সম্পাদক অজিত মুর্মু। বিজেপি সে সময়ে দাবি করে ওই খুনের ঘটনায় তৃণমূল আশ্রিত দূস্কৃতিরা যুক্ত ছিল। 

আরও পড়ুন: বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন, নিজের এলাকার শিল্প মেলায় আমন্ত্রিত নন মিহির গোস্বামী

এদিন সেই রানিবাঁধ থেকেই জেলার ১২টি বিধানসভা কেন্দ্রে জয়ের সংকল্প যাত্রার সূচনা করা হয়। মাথা মুন্ডনের পাশাপাশি দলের সমস্ত কর্মীকে আগামী ২০২১ এর নির্বাচনে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে ইঞ্চিতে ইঞ্চিতে লড়াই-এর ডাক দেন বিজেপি নেতৃত্ব। এ দিনের অনুষ্ঠানে কর্মীদের সে সম্পর্কিত শপথ পাঠও করানো হয়। বিজেপি নেতৃত্বের দাবি ২০১৮ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচনে জঙ্গলমহল, বাঁকুড়া তথা সারা রাজ্যে শাসক দলের নেতৃত্বে নামিয়ে আনা হয়েছিল সন্ত্রাসের পরিবেশ। 

একই ভাবে ২০২১-এর নির্বাচনের আগে মাওবাদীদের সাহায্য নিয়ে পুনরায় জঙ্গলমহল অশান্ত করার চেষ্টা চালাচ্ছে শাসক দল। এই সন্ত্রাস রুখে দিয়ে ২০২১ এর নির্বাচনে বাঁকুড়ার প্রতিটি বিধানসভায় বিজেপি প্রার্থীদের জয়ী করার লক্ষ নিয়েই শুরু হল এই সংকল্প যাত্রা। বিজেপি যুব মোর্চার এই সংকল্প যাত্রাকে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি তৃণমূল। তৃণমূলের দাবি, জঙ্গলমহলের মানুষ তৃণমূলের আমলে শান্তি ও উন্নয়ন দুই-ই পেয়েছে। তাই বিজেপি নাটক করলেও আগামী বিধানসভা নির্বাচনে বাঁকুড়া জেলায় খাতা খুলতে পারবে না।