)
নিজস্ব প্রতিবেদন: আনিসকাণ্ডে (Anish Khan Murder) ধৃত দুই পুলিসকর্মীকে ১৪ দিনের পুলিসি হেফাজতের নির্দেশ দিল উলুবেড়িয়া আদালত (Uluberia Court)। মঞ্জুর করা হল টিআই প্যারেডের (TI Parade) আবেদন। দ্বিতীয়বার ময়নাতদন্ত আর মোবাইল? আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে বলা হল সিটকে।
আমতাকাণ্ডে উত্তাল গোটা রাজ্য। পুলিস পোশাকে বাড়িতে এসে কারা খুন করল আনিস খানকে (Anish Khan)? ঘটনার তদন্তে সিট (SIT) গঠন করা হয়েছে। গতকাল, বুধবার সাংবাদিক সম্মেলনে আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রনেতার মৃত্যুকে হত্যা' বা 'খুন' বলে উল্লেখ করেছিলেন ডিজি মনোজ মালব্য। জানিয়েছিলেন, প্রাথমিক তদন্তের ভিত্তিতে হোমগার্ড কাশীনাথ বেরা ও সিভিক ভলান্টিয়ার প্রীতম ভট্টাচার্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এদিন ধৃতদের তোলা হয় উলবেড়িয়া আদালতে। ওই দুই পুলিসকর্মীকে ১৪ দিনের পুলিসি হেফাজতের নির্দেশ দিলেন বিচারক।
এর আগে, সকালে যখন আদালতের তোলা হচ্ছিল, তখন চাঞ্চল্যকর অভিযোগ করেন ধৃত হোমগার্ড ও সিভিক ভলান্টিয়ার। নিজেদের 'নির্দোষ' দাবি করে তাঁরা বলেন, 'আমাদের বলির পাঁঠা করে আনিস হত্যাকাণ্ডে জল ঢালা হচ্ছে। আমাদের থানা থেকে পাঠানো হয়েছিল। আমরা OC-র অর্ডার ক্যারি করে গিয়েছিলাম। আমরা ছিলাম না। আমাদের বলির পাঁঠা করা হচ্ছে'। এমনকী, সরাসরি নির্দেশ দেওয়ার অভিযোগ করেন OC-র বিরুদ্ধেই।
এদিকে সিবিআই (CBI) তদন্তের দাবিতে কিন্তু এখনও অনড় আনিস খানের পরিবারের লোকেরা। দ্বিতীয়বার ময়নাতদন্ত, এমনকী মৃতের মোবাইলটিও সিটের হাতে তুলে দিতে নারাজ তাঁরা। তবে, আপাতত রাজ্য সরকারের তৈরি SIT-র উপরই আস্থা রেখেছে হাইকোর্ট। আদালতের নির্দেশ, 'যখন ময়নাতদন্ত করা হবে তখন জেলা বিচারক বা তাঁর কোনও প্রতিনিধি উপস্থিত থাকবেন। তাঁদের সামনে ময়নাতদন্ত হবে। এছাড়া যে ফোনটি নেওয়া হবে সেটাকে সিল করে CFSL হায়দরাবাদ বা কেন্দ্রীয় ফরেনসিক ল্যাবে পাঠাতে হবে। মোবাইল পরীক্ষার জন্য NIC-র সাহায্য নেবেন জেলা বিচারক'। তদন্ত কতটা এগোল? ২ সপ্তাহের মধ্যে হাইকোর্টে রিপোর্ট দিতে হবে SIT-কে।