Super El Nino: এবার কপালে দুঃখ আছে। ইতিহাসের অন্যতম শক্তিশালী 'সুপার এল নিনো'র আশঙ্কার কথা শোনা যাচ্ছে! ২০২৬ সালের আটলান্টিক হারিকেন মরসুম এবং প্রশান্ত মহাসাগরে এক অত্যন্ত শক্তিশালী 'সুপার এল নিনো' তৈরির আশঙ্কা নিয়ে এখন সকলেই পূর্বাভাস দিতে আরম্ভ করেছে।
২০১৬ সালের গ্রীষ্মই হতে পারে সাম্প্রতিক কালের উষ্ণতম গ্রীষ্মকাল। এমনটাই জানাচ্ছে দিল্লির মৌসম ভবন। এতদিনের সব রেকর্ডকে পিছনে ফেলে সেরা গরমের শিরোপা আদায় করে নিতে পারে ২০১৬।
চারপাশে যাকেই জিজ্ঞাসা করবেন কেমন আছেন, মোটামুটি সকলে একই উত্তর দেবেন, 'উফ যা গরম তাতে আর কেমন থাকা যায়'। সত্যিই চৈত্র মাস গেলই না এখনও, তার আগে থেকেই গরমে মানুষ পাগল হয়ে যাচ্ছে। অনেকে তো আবার অসুস্থও হয়ে পড়ছেন। গরমের হাত থেকে কীভাবে রেহাই পাবেন বুঝতে পারছেন না কেউ। সারাদিন রোদ, গরম, ঘাম, নাজেহাল করে দিচ্ছে জনজীবন। তবে এই গরমের হাত থেকে রেহাই পাওয়ার আশার আলো দেখাচ্ছে আবহাওয়া দফতর।
প্রশান্ত মহাসাগরে পশ্চিম দিক থেকে দক্ষিণ আমেরিকার বয়ে চলেছে উত্তপ্ত জল। ফলে ক্রমাগত জোরালো হচ্ছে এল নিনো। বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন ১৯৯৭ সালের থেকেও বেশি জোরালো অবস্থা তৈরি করছে এল নিনো। ক্যালিফোর্নিয়ার খরা জর্জরিত অঞ্চলের জন্য এল নিনো সুখবর হলেও আমেরিকার বেশির ভাগ অঞ্চলেই ভয়াবহ হতে চলেছে পরিস্থিতি। দক্ষিণ আমেরিকায় বন্যার পাশাপাশি তাপপ্রবাহে জ্বলবে এশিয়া ও আফ্রিকা।