নির্ভয়া কাণ্ডে আজ রায় শোনাবে সুপ্রিম কোর্ট । চূড়ান্ত রায় দেবে শীর্ষ আদালতে বিচারপতি দীপক মিশ্র, বিচারপতি আর ভানুমতি এবং বিচারপতি অশোক ভূষণের বেঞ্চ। দুপুর দুটোর পর ঠিক হয়ে যাবে ৪ অভিযুক্তের ভাগ্য। ২০১৪-র ১৩ মার্চ মুকেশ, পবন, বিনয় শর্মা এবং অক্ষয় কুমার সিংকে দোষী সাব্যস্ত করে দিল্লি হাইকোর্ট । মৃত্যুদণ্ড দেয় আদালত ।
বিসিসিআই বনাম লোধা লড়াইতে এবার ঢুকতে চলেছেন দেশের অ্যাটর্নি জেনারেল মুকুল রোহতগি। শোনা যাচ্ছে, ভারতীয় রেল, বায়ুসেনা এবং বিশ্ববিদ্যালয় অ্যাসোসিয়েশনগুলির তরফ থেকে তিনি সুপ্রিম কোর্টকে গত ১৮ জুলাই-এর রায় প্রত্যাহার করতে আনুরোধ করবেন।
লোধার প্রস্তাব নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের চূড়ান্ত রায়দানের পরই ভারতীয় ক্রিকেটে টালমাটাল পরিস্থিতি তৈরি হয়। সিংহভাগ কর্তা এই রায়কে মেনে নিতে না পেরে বিদ্রোহের পথে হাঁটে। আর তার আঁচ পড়ে ভারত-ইংল্যান্ড আসন্ন একদিনের সিরিজের উপরও। ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ডের প্রধান জাইলস ক্লার্ক বিসিসিআই-এর প্রাক্তন সচিব অজয় শিরকের কাছ থেকে জানতে পারেন যে তিনি আর বিসিসিআইয়ে নেই। তারপরই ইসিবি প্রধানের মনে শঙ্কা তৈরি হয় এই সিরিজ নিয়ে। জাইলস বিসিসিআই-এর সিইও রাহুল জোহরির কাছে জানতে চান সিরিজের ভবিষ্যত নিয়ে।
প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগ মামলায় স্বস্তিতে রাজ্য সরকার। ২০০৯-এর শিক্ষক নিয়োগের প্যানেল পুনর্বিন্যাস করার নির্দেশ খারিজ হয়ে গেল ডিভিশন বেঞ্চে। এর আগে প্যানেল পুনর্বিন্যাসের নির্দেশ দেন বিচারপতি দেবাংশু বসাকের সিঙ্গল বেঞ্চ।
দুহাজার তেরোর সাতই জুন থেকে দুহাজার ষোলর আঠাশে জানুয়ারি। দুবছর সাত মাস একুশ দিনের মাথায় বিচার পেতে চলেছে কামদুনি। মাঝের এই সময়টায় ঘাত-প্রতিঘাত এসেছে বারবার। শাস্তি চাই। বারবার গর্জে উঠেছে কামদুনি। সেই প্রথম দিন থেকে। তাড়াতাড়ি বিচারের আশ্বাস দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। তবু বিচারের বাণী ঘোষণা হতে লেগে গেল প্রায় দুবছর আট মাস। মাঝের এই সময়টা নানা ভাবে দীর্ঘায়িত হয়েছে বিচার প্রক্রিয়া।
আড়াই বছর পার। এবার বহু অপেক্ষার কামদুনি ধর্ষণকাণ্ডের রায় দিতে চলেছে নগর দায়রা আদালত। দোষীদের সর্বোচ্চ সাজার দাবিতে কামদুনির ধারাবাহিক আন্দোলন রাজ্যে এখন প্রতিবাদের আরেক নাম। আড়াই বছরে কতটা বদল হয়েছে কামদুনির? সরকারি প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়নই বা হল কতটা, খোঁজ নিল চব্বিশ ঘণ্টা। কামদুনি মোড়ে ধর্ষিতার সড়ক-ফলকটির নিচে জমে আছে দীর্ঘদিনের মলিন মোম। এই স্মরণ-বেদিতেই প্রতি মাসে শপথ নিত কামদুনি। ফাঁসি চাই ফাঁসি চাই স্লোগান দিত টুম্পা-মৌসুমিরা।
দুদিনের শুনানির পর অবশেষে আজ সলমন খানের বিরুদ্ধে হিট অ্যান্ড রান মামলায় রায় দিতে পারে বম্বে হাইকোর্ট। সুপারস্টার এখনই জেলে যাবেন কিনা তা চূড়ান্ত হবে হাইকোর্টের এই রায়েই। তবে মামলার আগেই আপাপতত কিছুটা স্বস্তিতে সল্লুর শিবির। কালই হিট অ্যান্ড রান মামলায় হাইকোর্টের দ্বিতীয় শুনানিতে সলমনকে কিছুটা বেনিফিট অফ ডাউটের ইঙ্গিত দিয়েছেন বিচারপতি। দুর্ঘটনার সময় সলমনই গাড়ি চালাচ্ছিলেন, সেই বয়ান পুরোপুরি নির্ভরযোগ্য নয় বলে মত বম্বে হাইকোর্টের।