আন্দোলনের ঝাঁঝ বেড়েছে। তবে কৌশল বদলে ফেলল তৃণমূল। গেরিলা আন্দোলন নয়। এবার দেশজুড়ে নোটবন্দি এবং রাজনৈতিক প্রতিহিংসার প্রতিবাদে বিক্ষোভ অবস্থান। ৯ রাজ্যে আন্দোলন কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন তৃণমূলনেত্রী। ধরনার প্রথমদিনে সতর্ক ছিল দিল্লি পুলিস। তবে চমকের পথে না হেঁটে শান্তিপূর্ণ আন্দোলনেই আস্থা রাখলেন তৃণমূল সাংসদরা। সপ্তাহের শুরুতেই রাজধানীতে হুলস্থুল। প্রথমে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন। তারপর সরাসরি PMO ঢুকে বিক্ষোভ. পর পর দুদিন রাজধানীতে তৃণমূলের বিক্ষোভে হতচকিত দিল্লি। সপ্তাহের শুরুতে ফের দিল্লিতে আন্দোলনে তৃণমূল। তবে TACTICS CHANGED.আন্দোলনের ঝাঁঝ বেড়েছে। তবে গেরিলা কায়দায় চমক নয়। দিল্লিতে ঝড় তুলতে এবার কৌশল বদলে বিক্ষোভ আন্দোলনে তৃণমূল।একদিকে নোটবন্দির প্রতিবাদ। অন্যদিকে সাংসদদের গ্রেফতারিতে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার অভিযোগ। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের টুইটে দেশজুড়ে ঝড় তোলার ইঙ্গিত স্পষ্ট। টুইটে মমতার তোপ, নোটবন্দির সিদ্ধান্ত লজ্জাজনক। সেই ফ্লপশোর প্রতিবাদে দেশজুড়ে বিক্ষোভ কর্মসূচি নিয়েছে তৃণমূল। সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের দাবিতে দেশজুড়ে ৩দিনের ধরনা কর্মসূচি ঘোষণা করেন মমতা। বাংলা, ভুবনেশ্বর, পঞ্জাব, কিষাণগঞ্জ, মনিপুর, ত্রিপুরা, অসম , ঝাড়খণ্ড ও দিল্লিতে হবে ধরনা। নেত্রীর নির্দেশ মেনে রীতিমত পরিকল্পনা করেই সোমবার দিল্লিতে ধরনায় বসেন তৃণমূল সাংসদরা।
ফের নবান্ন অভিযান করতে চলেছে বামেরা। ঝিমিয়ে পড়া আন্দোলনকে চাঙ্গা করতে নীল-সাদা বাড়িকেই চাঁদমারি করতে চলেছে রাজ্যের লাল ব্রিগেড। ফেব্রুয়ারির শেষ বা মার্চেই হবে অভিযান। বামেদের শেষ সফল কর্মসূচি। রাজ্য প্রশাসনককে সেই শেষবার চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলে বামেরা। তার আগে ও পরে শুধুই ব্যর্থতা। একের পর এক ইস্যু এসেছে ও গেছে। বারবার লোপ্পা ক্যাচ ফেলে ম্যাচ হেরেছে লালপার্টি। চিটফান্ড দুর্নীতির মতো ইস্যুকে শাসকদলের বিরুদ্ধে হাতিয়ার করতে ব্যর্থ বাম শিবির। ভোটের মুখে সামনে আসা নারদ কাণ্ডও নির্বাচনে কোনও দাগ ফেলেনি। ভোটে জোট করেও বামেদের লাভ হয়নি বরং আসন বেড়েছে কংগ্রেসেরই।২৮ নভেম্বরের ধর্মঘটের কর্মসূচি চূড়ান্ত ব্যর্থ, মানুষ সাড়াই দেননি। মোদীর বিমুদ্রা করণের সিদ্ধান্ত। এই ইস্যু তো বামপন্থীদেরই হওয়ার ছিল। কিন্তু, সঠিক সময়ে ময়দানে নেমে নোট বাতিল বিরোধিতার সবচেয়ে বড় মুখ এখন বামশত্রু মমতা। বামেরা পিছলে গেছে আরও তলানিতে। এতদিন রাজ্যে তৃণমূল ও কেন্দ্রে বিজেপির বিরোধিতাই ছিল বামেদের কৌশল। বাম দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে এখন রাজ্যেও ধীরে ধীরে শিকড় ছড়াচ্ছে বিজেপি।কেন্দ্রে ও রাজ্যে বিজেপিই পয়লা নম্বর শত্রু। রাখঢাক না রেখেই স্পষ্ট করে দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নভেম্বরের ধর্মঘট ব্যর্থ হওয়ার পর থেকে বামেদের বিশেষ আমল দিচ্ছেন না তিনি।
বিধানসভা ভোটের আগে সমাজবাদী পার্টির মধ্যে বিভাজন কমার কোনও লক্ষ্মণই নেই। উল্টে ক্রমশ চওড়া হচ্ছে মুলায়ম ও অখিলেশ শিবিরের ফাটল। আজই ভাই শিবপাল যাদবকে সঙ্গে নিয়ে দিল্লি পৌছেছেন মুলায়ম। কালই নির্বাচন কমিশনের কাছে সাইকেল প্রতীকের জন্য দাবি জানাবেন তিনি। মুলায়মের সঙ্গে থাকবেন তাঁর ঘনিষ্ঠ রাজনৈতিক সহযোগী অমর সিং। তাঁরাই সাইকেল প্রতীকের হকদার বলে ইতিমধ্যেই কমিশনে দাবি জানিয়ে এসেছেন অখিলেশ। এর আগে আজ একপ্রস্থ নাটক হয় লখনউয়ে। মুলায়ম তাঁর সঙ্গীসাথীদের নিয়ে জোর করে ঢুকে রড়েন দলের সদর দফতরে।
পুড়ে ছাই হয়ে গেছে শেষ সম্বলটুকু। আপাতত ঠাঁই হয়ঠছে ত্রাণ শিবিরে। কিন্তু তারপর কী হবে? কোথা থেকে আসবে খাবার? মাথা গোঁজার জায়গা জুটবে কী করে? এ প্রশ্নই এখন ঘুরপাক খাচ্ছে পাতিপুকুরে রেল বস্তির বাসিন্দাদের মনে। আগুন রেয়াত করেনি কোনও কিছু। ঝলসে দিয়েছে সব। প্রাণ গেছে মেধাবী ছাত্রী প্রিয়ার। পাতিপুকুরের সুভাষ কলোনিতে চোখের জল ছাড়া আর কিছু অবশিষ্ট নেই।
অবশেষে পেশাদারিত্বের পথে হাঁটছে ভারতীয় ফুটবল। আইএসএলের ফ্রাঞ্চাইজি দিল্লি ডায়নামোসের হাত ধরে এবার নতুন একটা দিক খুলে গেল এ দেশের ফুটবলে। অফ সিজনে সাধারণত নিজেদের ফ্রাঞ্চাইজির সঙ্গে অনুশীলন করেন ফুটবলাররা। দিল্লি ডায়নামোস অবশ্য অন্য পথে হাঁটল। তাদের দুই ফুটবলার শৌভিক চক্রবর্তী ও ডিফেন্ডার অ্যানাসকে অনুশীলনের জন্য অস্ট্রেলিয়ায় পাঠিয়ে দিল ডায়নামোস।