সংগঠনের দাবি,এই মর্মে এর আগেও রাজ্যপালকে একাধিকবার চিঠি দেওয়া হয়েছে। লাভ হয়নি। তাই এবার নিজেদের আন্দোলনকে তীব্রতর করার সিদ্ধান্ত বাস মালিক সংগঠনের।
এমন পরিস্থিতিতে লোকসান করে বাস চালাতে নারাজ অধিকাংশ বেসরকারি বাস মালিকরাই। ফলে ক্রমশই রাস্তায় কমছিল বাসের সংখ্যা। এতে যাত্রীদের অসুবিধার পাশাপাশি সঙ্কটে পড়েছেন বাসমালিক, চালক ও কন্ডাকটর কর্মীরাও।
এই পরিস্থিতিতে টুইটারে বৈধ মদের দোকান খোলার আর্জি জানিয়ে সমালোচনার মুখে ঋষি কাপুর।
সরকারি উদ্যোগে জেলায় জেলায় তৈরি হচ্ছে ওয়াটার ডেটাবেস
হুগলিতে রাস্তা তৈরির কাজ চলছে, সরকারের এই উদ্যোগে প্রশংসা এলাকাবাসীর
দেশি শিঙি,মাগুর চাষ করে স্বনির্ভর মুর্শিদাবাদে,উদ্যোগে সরকার
সরকারি সাহায্যে ঘুচ্চে দারিদ্র, স্বাধীনতার স্বাদ সুন্দরবনে
সাম্প্রতিক পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়েনিজের মত পোষণ করলেন অভিনেত্রী জুহি চাওলা।
স্কুল কর্তৃপক্ষ হকচকিয়ে জানতে চায়, কী সেই যুক্তি? ওই দুই ছাত্রের একজন বলেন, "স্যর, আমরা কেউ সংখ্যাগরিষ্ঠ নম্বর পাইনি। সরকার গড়ার ক্ষমতা আমাদের দু'জনের কারও নেই
শুক্রবার বিল পাশের চেষ্টা না করিয়ে পরবর্তী অধিবেশনে তা নিয়ে কোমর বেঁধে নামার পরিকল্পনা নিয়েছে বিজেপি। মাঝে কয়েকমাস সময়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে এনিয়ে কথা বলবে সরকার পক্ষ। তাদের সমর্থন নিয়ে বাজেট অধিবেশনে রাজ্যসভায় বিলটি পাশ করাতে চান ট্রেজারি বেঞ্জের ফ্লোর ম্যানেজাররা।
দেশের জন্মহার নিয়ন্ত্রণ করতে এবার বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করল ভারত সরকারের স্বাস্থ্য মন্ত্রক। পরিবার পরিকল্পনা সহ অনিয়ন্ত্রিত জন্মহার রোধ করতে নতুনভাবে পরিকল্পনা করেছে কেন্দ্রীয় সরকার, যেখানে প্রাথমিক ভাবে ১৪৬টি জেলাকে সনাক্ত করেছে স্বাস্থ্য মন্ত্রক, সেখানে সরকারের তরফ থেকে বিনামূল্যে দেওয়া হবে কন্ডোম। সরকার মনে করছে, এই পদ্ধতিতেই দেশের জন্মহার নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।
আন্তর্জাতিক মঞ্চে ধর্মনিরপেক্ষ ভাবমূর্তি তুলে ধরতে মরিয়া মোদী সরকার । জেনেভায় রাষ্ট্রসঙ্ঘের মানবাধিকার কাউন্সিলের অধিবেশনে ভারত জানাল, ধর্মনিরপেক্ষ দেশ ভারতে কোনও ধর্মীয় ভেদাভেদ নেই। প্রাধান্য পায় সংখ্যালঘু অধিকার। প্রথা অনুযায়ী, অধিবেশন শুরুর আগেই বক্তব্যের খসরা ও প্রশ্নের তালিকা জমা পড়ে। সেই মত অধিবেশন শুরুর আগেই ভারতের থেকে বিভিন্ন দেশ যেসব প্রশ্ন জানতে চায়, তার মধ্যে অন্যতম ছিল সংখ্যালঘু আর দলিত শ্রেণির অধিকার সুরক্ষা করতে ভারত কী কী করছে।
এখন সব কিছুতেই আধার নম্বর বাধ্যতামূলক করে দিয়েছে সরকার । আধার নম্বর ছাড়া আপনি সরকারি কোনও সুবিধা কিংবা পরিষেবা ব্যবহার করতে পারবেন না। এমনকী মোবাইল ফোন ব্যবহারেও আধার নম্বর বাধ্যতামূলক।
ভাঙা টালির চাল। ত্রিপলের ছাউনি। নোনা হাওয়ায় স্কুলের দেওয়ালও ঝুরঝুরে। বর্ষায় জল পড়ে। এভাবেই, সরকারি কোনও সাহায্য ছাড়াই, টিকে রয়েছে মেহেরপুরের তুলসীরানি বিদ্যাপীঠ। তবে এত কিছু করেও মাধ্যমিক বোর্ডের স্বীকৃতি জোটেনি সুন্দরবনের এই স্কুলের।
আলু চাষিদের পাশে দাঁড়াতে উদ্যোগী রাজ্য। মিড ডে মিলের আলু সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে কিনবে সরকার। শুধু তাই নয়, রফতানির ক্ষেত্রেও মিলবে ভর্তুকি। ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। উদ্যোগ প্রশংসনীয় হলেও দেরি হয়েছে অনেকটাই। বলছেন কৃষকদের একাংশ।
শূন্য থেকে শিখরে। মণিপুরে সরকার গড়তে চলেছে বিজেপি। উত্তর পূর্বাঞ্চলের এই রাজ্যে একজনও বিধায়ক ছিল না পদ্মপার্টির। এবার একুশটি আসনে জিতেছে তারা। কংগ্রেস জিতেছে আঠাশটিতে। ষাট আসনের বিধানসভায় ম্যাজিক ফিগার একত্রিশ বিজেপির দাবি, বত্রিশ জনের সমর্থন রয়েছে তাদের। তার মধ্যে তৃণমূলের টিকিটে জয়ী বিধায়ক রবীন্দ্রও রয়েছেন। তিনি বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন বলে দাবি গৈরিক শিবিরের। NPP এবং LJP-র সমর্থনও তাদের সঙ্গে বলে দাবি বিজেপির। আজ বেছে নেওয়া হবে বিজেপির পরিষদীয় দলনেতাকে। সরকার গড়ার প্রক্রিয়ায় নজরদারির জন্য কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পীযূষ গোয়েলকে পর্যবেক্ষক নিযুক্ত করেছেন অমিত শাহ।
আপনি নিশ্চয়ই সরকার 'সিরিজের' দারুণ ভক্ত? প্রথমে সরকার। তারপর সরকার ২, দুটোই তাড়িয়ে উপভোগ করেছেন। আর অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করে আছেন যে কবে সরকার থ্রি রিলিজ করবে? তাহলে আপনার জন্য সুখবর। সরকার থ্রি রিলিজ করতে এখনও বেশ কিছু দিন বাকি রয়েছে ঠিকই। কিন্তু সরকার থ্রি-র পোস্টার রিলিজ করল।
নোটবন্দিতে কর্মহীনদের জন্য সরকারের নতুন প্রকল্প। প্রকল্পের নাম 'সমর্থন। প্রাথমিকভাবে প্রকল্পের জন্যে ৯টি জেলাকে চিহ্নিত করা হয়েছে। বরাদ্দ অর্থ ৩০০ কোটি।
সমালোচনার মুখে সুর বদল করলেন দিলীপ ঘোষ। নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদকে ব্যক্তিগত আক্রমণ করেননি। বলছেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি।অর্থনীতিতে নোবেল জয়ী। তাঁকে ভারতরত্ন সম্মান দেয় বাজপেয়ী সরকার। সেই অমর্ত্য সেনকেই আক্রমণ রাজ্য বিজেপি সভাপতির। শনিবার কলকাতার এক জনসভায় তিনি প্রশ্ন তোলেন অমর্ত্য সেনকে নিয়ে। এই মন্তব্য প্রকাশ হতেই নিন্দার ঝড় বয়ে যায়। বিজেপি ছাড়া রাজ্যের প্রায় প্রতিটি রাজনৈতিক দলই রাজ্য বিজেপি সভাপতির সমালোচনা করে। দিলীর ঘোষ যেখানকার বিধায়ক সেই খগড়পুর শহরে প্রতিবাদ মিছিল বের করে বামেরা। সরব শাসক তৃণমূলও।