বিনোদন জগৎ ছেড়ে মুফতি আনাস সাইয়্যাদকে বিয়ে করেছেন অভিনেত্রী সানা খান। এই জুটি এখন তাঁদের প্রথম সন্তানের জন্য অপেক্ষা করছে। রবিবার মুম্বাইয়ে বাবা সিদ্দিকির ইফতার পার্টিতে দেখা গিয়েছিল প্রাক্তন অভিনেত্রী সানা খান এবং তাঁর স্বামীকে। একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। ভিডিওতে দেখা গিয়েছে মুফতি সানার হাত ধরে পাপারাজ্জিদের সামনে দিয়ে অনুষ্ঠানে দ্রুত টেনে নিয়ে যাচ্ছেন। তখন সানা বলছেন যে তিনি ক্লান্ত হয়ে পড়েছেন আর হাঁটতে পারছেন না।
ইফতার পার্টি থেকে নেওয়া একটি ছবি বিভিন্ন ট্যুইটে ঘুরছে।যদিও জানা গিয়েছে যে এই ইফতারের আয়োজন করা হয়েছিল ইডেন হিন্দু হস্টেলে।বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের ভিতরে ইফতার আয়োজন করা হয়নি।
নিজের সোশ্যাল হ্যান্ডেলে শেয়ার করেন হিনা খান
মঙ্গলবার জয়পুরের ইফতার পার্টিতে এক সঙ্গে দেখা যায় অশোক গেহলট এবং সচিন পাইলটকে। এ দিন দুই জনেরই নিজস্ব ইফতার পার্টি ছিল। ইফতার অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের আগে অন্যান্য কংগ্রেস নেতাদের নিয়ে বৈঠকও করেন তাঁরা
জইশ প্রধান মাসুদ আজহারকে আন্তর্জাতিক জঙ্গি তকমা দেওয়ার ক্ষেত্রে ভারতের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। চিন সম্মতি দেওয়ায় কার্যত কোণঠাসা হয়ে পড়ে পাকিস্তান
মহারাষ্ট্রের কংগ্রেস নেতা বাবা সিদ্দিকির ইফতার পার্টি প্রত্যেক বছরই বি-টাউনের অন্যতম আলোচিত বিষয় হয়ে ওঠে। যেখানে বলিউড তারকাদের অনেকেই উপস্থিত থাকেন। সলমন থেকে শাহরুখ কে না থাকেন না সেখানে। এবছরও তার অন্যথা হল না।
অপ্রত্যাশিতভাবেই বিরোধী দলের প্রধান নেতানেত্রীদের দেখা মেলেনি রাহুল গান্ধীর ইফতার পার্টিতে।
আমন্ত্রিতের তালিকায় প্রণব মুখোপাধ্যায়ের নাম না থাকায় অবাক হয়েছেন অনেকে।
করদাতাদের টাকায় সরকারি প্রতিষ্ঠানে পার্টি দেওয়া হবে না।
বাদল অধিবেশনের আগে জমজমাট ইফতার রাজনীতি। সোনিয়ার পর অরবিন্দ কেজরিওয়াল। ইফতার পার্টিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আমন্ত্রণ জানালেন আরও এক পার্টি প্রধান। আমন্ত্রণ গ্রহণ করেছেন তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী। রবিবার কেজরিওয়ালের ইফতারে যোগ দেবেন তাঁর প্রতিনিধি।
১৪ জুলাই রেজ্জাক মোল্লার ইফতার পার্টিতে আমন্ত্রিত হতে চলেছেন মুকুল রায়। এবং আমন্ত্রণ পেলে যাওয়ার জন্যও তৈরি তিনি। দুই শিবিরের দুই প্রাক্তন হেভিওয়েটের প্ল্যানিং-এ এবার কোন পলিটিকাল ইকুয়েশন? অপেক্ষায় রাজনৈতিক মহল।
ফের ফুরফুরা শরিফে স্বপার্ষদ মুকুল রায়। শিউলি সাহা , শীলভদ্র দত্তদের নিয়ে যোগ দিলেন ইফতারে। এই দুই বিধায়ক ছাড়াও ছিলেন সাসপেন্ডেড তৃণমূল বিধায়ক স্বপনকান্তি ঘোষ। তৃণমূলের সঙ্গে সম্পর্কে চিড় ধরতেই ফুরফুরা শরিফে গিয়ে তোহা সিদ্দিকির সঙ্গে দেখা করেছিলেন মুকুল রায়। সংখ্যালঘুদের উন্নয়নকে কুমিরের কান্নার সঙ্গেও তুলনা করেছিলেন। সংখ্যালঘু উন্নয়ন নিয়ে রাজ্য সরকারকে খোঁচা দিতেও ছাড়েননি মকুল।