SIR in Bengal:বিশেষজ্ঞদের মতে, এই পরিস্থিতির পেছনে কাজ করছে দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া নানা গুজব। পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা এই শ্রমিকদের বড় অংশই মুসলিম বা নিম্নবিত্ত হিন্দু সম্প্রদায়ের।
Bengal Migrant Workers Death: পূর্ব বর্ধমানের নানদঘাটের গৃহবধূ সোনামণিবৈরাগ্য মহিলা ওয়েটার হিসেবে কাজ করতেন আমদাবাদের একটি হোটেলে। সেই হোটেলেই পাওয়া গেল তাঁর ঝুলন্ত দেহ।
Abhishek Vs Sukanta | Abhishek heats up politics over migrant issue, Sukanta remains vocal too!
Nepal Border Exclusive: Migrant workers in Nepal are returning home via the Panitanki border
Abhishek Banerjee | Ek Dake Abhishek | 'Ek Dake Abhishek' Helpline is a Lifeline for Migrants | Zee 24 Ghanta
Migrant Worker Missing: দুর্গাপুর থেকে রাজস্তান। ভিনরাজ্য়ে রান্নার কাজ করতে গিয়েছেন শ্রীমন্ত পাল। মেয়ে স্বস্তিকা রুইদাসের দাবি,"২৩ তারিখে শেষ ফোন করে বাবা। বাড়ি ফিরে যাচ্ছি বলে। তারপর থেকে বাবার কোন খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। আমরা চরম চিন্তায় রয়েছি'।
Mamata Banerjee: নজরে পরিযায়ী শ্রমিক। 'বাংলায় কাজের অভাব নেই।যে কাজ ওরা বাইরে করে, সে কাজ ওরা এখানেও করতে পারে'। বললেন মুখ্য়মন্ত্রী।
ভিনরাজ্যে কাজ করতে গিয়ে লাগাতার হেনস্থা। বাংলার পরিযায়ী শ্রমিকদের জন্য এবার হেল্পলাইন নম্বর চালু করল পশ্চিমবঙ্গ পুলিস। আশ্বাস দেওয়া হল, 'প্রতিটি তথ্য যাচাই করে সংশ্লিষ্ট রাজ্যের সঙ্গে যোগাযোগ করে আমরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব'।
Migrant Workers BJP strongly attacked TMC with employment in Bengal Jana Gana Mana
What are the barriers to employment in Bengal what do economists say Jana Gana Mana
Namkhana: তখন সেখানে আরও যাঁরা কাজ করছিলেন তাঁরা দেখতে পেয়ে তড়িঘড়ি তাকে উদ্ধার করে তামিলনাড়ুর এক হাসপাতালে ভর্তি করে। ভর্তি করলে ওখানে কর্মরত চিকিৎসকরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করে।
Bangaon: একই গ্রামের তিন ছেলের এক সঙ্গে মৃত্যুতে শোকে ভেঙে পড়েছে পরিবারপরিজন-সহ গোটা এলাকা। সকলে মৃতদেহের বাড়ি ফেরার অপেক্ষায়। ইতিমধ্যে খবর পেয়ে মৃত শ্রমিকদের বাড়ি গেলেন তৃণমূলের বনগাঁ সাংগঠনিক জেলার সভাপতি তথা বিধায়ক বিশ্বজিৎ দাস।
কাতারের শীর্ষ কমিটি সর্বদা জানিয়েছে যে ২০১৪ সালে টুর্নামেন্টের জন্য নির্মাণকাজ শুরু হওয়ার পর থেকে বিশ্বকাপ স্টেডিয়ামে অভিবাসী শ্রমিকদের মধ্যে মাত্র তিন জনের কাজের সঙ্গে যুক্ত কারণে মৃত্যু হয়েছে এবং ৩৭ জনের মৃত্যু হয়েছে অন্যান্য কারণে।
পঞ্জাব থেকে ফিরছিলেন তাঁরা।
পরিযায়ী শ্রমিকদের প্রায় ৩২ জনের একটি দল পিকআপ ভ্যানে করে টাটানগর যাচ্ছিল।
চিনে এবার ডেল্টা সংক্রমণই আতঙ্ক ছড়াচ্ছে।
Again migrant workers are going to face problem
গতবারের তিক্ত স্মৃতি তাঁদের তাড়া করে ফিরছে।
Govt says it has no data of migrant workers' deaths
লকডাউন-পর্বে নানা ভাবে অসংখ্য পরিযায়ী শ্রমিকের মৃত্যু ঘটেছিল। স্বভাবতই বিরোধীরা এ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিল।
লকডাউনে পথেই কত জন মারা গিয়েছে, তার হিসেব সরকারের কাছে নেই। হিসেব না রাখার পরিকল্পনাও ছিল না
তাদের নাম ধাম দিতে বলা হয়েছিল তা দিতে পারেনি রাজ্য। আর এরাজ্যে কাজ না থাকায় বাধ্য হয়ে ফিরে যাচ্ছে পরিযায়ীরা।