High-profile divorce speculations surround Sehwag and Obama's families!
মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রাশিয়া এবং 'সম্ভবত অন্য কোনও ব্যক্তি বা দেশে'র যোগের কথা স্বীকার করে নিলেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তার সঙ্গে এও বললেন যে, কেউই সঠিকভাবে এই বিষয়টি জানে না। তবে সামগ্রিকভাবে এই বিষয়ে ট্রাম্প তাঁর পূর্বসুরি ওবামাকেই দূষেছেন। আমেরিকার বর্তমান প্রেসিডেন্টের কথায়, সেই সময় ক্ষমতায় থাকা বারাক ওবামা নাকি নির্বাচনের তিন মাস আগে থেকে (ভিন দেশের) 'হস্তক্ষেপে'র পুরো ব্যাপারটাই জানতেন, কিন্তু জেনেও কিছুই করেননি। কারণ, 'ওবামা ভেবেছিলেন হিলারিই জিতবেন', দাবি ট্রাম্পের। আর পরবর্তী সময়ে যেহেতু রিপাবলিকান ট্রাম্প জয়ী হন, তখন এইসব সামনে আনা হচ্ছে।
কেয়ার অফ ওবামা-র দিন গিয়েছে। কিন্তু 'ওবামা কেয়ার' জারি রইল আজকের আমেরিকাতেও। আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ প্রেসিডেন্ট ওভাল অফিসকে বিদায় জানিয়ে প্রাক্তন হয়ে গেলেও তাঁর চরম বিরোধী ট্রাম্পের জমানাতেও 'অ্যাফোর্ডেবল কেয়ার অ্যাক্ট' ওরফে 'ওবামা কেয়ার' রয়ে গেল বর্তমান। প্রত্যেক মার্কিন জনতার জন্য সরকারি মধ্যস্থতায় স্বাস্থ্য বিমা প্রকল্প এনেছিলেন ডেমোক্র্যাট ওবামা। তারই পোশাকী নাম 'অ্যাফোর্ডেবল কেয়ার অ্যাক্ট'। কিন্তু এই বিল বাতিল করে নিজের পছন্দের বিকল্প বিল আনতে গিয়ে মুখ থুবড়ে পড়লেন রিপাবলিকান ট্রাম্প। ডেমোক্র্যাটদের সঙ্গে ট্রাম্পের নিজের দলের একটা গরিষ্ঠ অংশও এই বিলের বিরোধিতা করায় আইনসভায় বিল পাশের জন্য প্রয়োজনীয় সমর্থন সংখ্যা না থাকায় বিল পেশই করতে দিলেন না স্পিকার। অতএব জারি রইল 'সেঁকেলে' ওবামা কেয়ারই।
একটা সময় তিনিই ছিলেন, বিশ্বের সবচেয়ে BUSY MAN। আজ এ দেশ, কাল ও দেশ। নিজের দেশে থাকলেও, গলা অবধি ডুবে কাজে। তবে জীবন এখন বদলেছে। একেবারে U TURN। রিটায়ারমেন্টের পর ঝাড়া হাত-পা। কিন্তু এখনও তিনি ব্যস্ত। কার সম্পর্কে এত কথা? কে এমন মহাব্যস্ত? সব খবর পাবেন এইখানেই।
জ্বালাময়ী ভাষণে ইনিংস শুরু করলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। অন্য দেশের আবর্জনা আর বইবে না আমেরিকা। আমেরিকায় চাকরি পাবেন শুধু মার্কিনিরাই। পৃথিবীর বুক থেকে মুছে ফেলা হবে ইসলামি সন্ত্রাস। শপথের পরেই হুঙ্কার পঁয়তাল্লিশতম মার্কিন প্রেসিডেন্টের।
মার্কিন মুলুকের সাদা বাড়ি (হোয়াইট হাউস) থেকে বারাক বিদায় নিয়েছেন, আর বিদায় বেলায় এতদিনের নেট দুনিয়ার রাজ্যপাটের ব্যাটন হাতে তুলে দিলেন বন্ধু নরেন্দ্র মোদীকে। প্রেসিডেন্ট হাউস ছাড়ার সঙ্গে সঙ্গেই বারাক ওবামার নামের আগে বসে গিয়েছে 'প্রাক্তন' শব্দটি। আর যার ফলে বারাক আর কোনও সাংবিধানিক পদেও নেই। তাঁর স্থানে এসে বসেছেন জনপ্রিয় মার্কিন নেতা তথা রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্প। ২০১৬ মার্কিন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে মার্কিনদের বেস্ট চয়েস ছিলেন তিনিই। কিন্তু বিশ্বখ্যাতিতে ঢের এগিয়ে ছিলেন প্রাক্তন মার্কিন রাষ্ট্রপতি বারাক ওবামাই। আর তাঁর রাজ্যপাটের ইতিতে মোদীই এখন সেই রাষ্ট্রনেতা যিনি গোটা বিশ্বের নেট দুনিয়ায় সব থেকে বেশি অনুরাগীর মালিক।
মস্কো ও ওয়াশিংটনের মধ্যে নতুন করে শুরু হল চাপানউতোর। মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে গুপ্তরচরবৃত্তির অভিযোগ উঠেছে আগেই। এবার সেই অভিযোগ তোলা হল রাশিয়ার বিরুদ্ধে। ৩৫ জন রুশ কূটনীতিককে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে আমেরিকা।
'ফিদেল কাস্ত্রো ইস ডেড', কিউবার রাষ্ট্রনায়কের মৃত্যুতে মার্কিন মুলুকের নব নির্বাচিত 'ফ্যাসিস্ট' প্রেসিডেন্ট ইলেক্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রাথমিক প্রতিক্রিয়া ছিল এটাই। আর হবে নাই বা কেন, আমেরিকার নাকের ডগায় থাকা কিউবার 'অধিকার ছিনিয়ে নেওয়ার দামালপনা'কে কোনও দিনই সহ্য করতে পারেননি মার্কিন দেশের কোনও রাষ্ট্রপ্রধানই। গোটা বিশ্বের দখল নেওয়া মার্কিন দাঁত বিদ্ধ করতে পারেনি ১ কোটি ১০ লক্ষের কিউবার মাটিকে, কারণ কিউবার প্রাচীর ফিদেল কাস্ত্রো। ৯০ বসন্ত পেরিয়ে যখন চিরতরে ঘুমিয়ে পড়লেন ফিদেল, তখন যেন ঘুম ভাঙল আমেরিকার। কিউবায় আধিপত্য কায়েমের যে স্বপ্ন এতদিন ধরে মাঠে মারা যাচ্ছিল, এবার বোধহয় তা সফল করা যাবে, এই চিন্তাই এখন ডোনাল্ড ট্রাম্পের মাথায় ঘুরপাক খাচ্ছে নতুন করে, বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক মহলের একাংশ। ধনকুবের ট্রাম্প প্রোলেতারিয়েত ফিদেলের মৃত্যুতে উল্লাস করলেন 'স্বৈরাচারীর মৃত্যু' বলে। "আজ পৃথিবী একজন নিষ্ঠুর স্বৈরাচারীর মৃত্যু দেখেছে, যে দেশের মানুষকে'ই ছয় দশক দাবিয়ে রেখেছিল। এবার আশা করছি, কিউবা সত্যিই স্বাধীন হবে", মত ট্রাম্পের। আর ট্রাম্পের এই উক্তি শুনে হয়ত সদ্য ইতিহাস হওয়া কাস্ত্রো দাড়ি গোঁফের ফাঁক দিয়ে সেই আজন্ম রোম্যান্টিক এবং তীব্র বৈপ্লবিক হাসিটি হাসছেন। কারণ, ট্রাম্পের মত মানুষ ফিদেলের গুণগান গাইলে দুজনেরই শ্রেণি চরিত্র নিয়ে সংশয় তৈরি হয়ে যায়। ফলে ট্রাম্পের করা তীব্র সমালোচনা আরও তীক্ষ্ণ করে কমরেড কাস্ত্রোর পরিচয়-তিনি আক্ষরিক অর্থেই একনায়ক, 'সর্বাহারার একনায়ক'। আপনি ঠিক বলেছেন ট্রাম্প।
সার্জিকাল স্ট্রাইক নিয়ে খোলাখুলিভাবে ভারতের পাশে দাঁড়াল আমেরিকা। উরির সেনাক্যাম্পে হামলা সন্ত্রাসবাদ ছাড়া কিছুই নয়। তাই ভারতেরও অধিকার রয়েছে আত্মরক্ষা করার। সার্জিকাল স্ট্রাইককে এভাষাতেই ব্যাখ্যা করেছে ওবামা প্রশাসন।
বারাক ওবামা রাগে ফুঁসছেন আর তা দেখেই হেসে কুটোপাটি কিম জং উন। কিন্তু, আমেরিকার প্রেসিডেন্টের ক্ষোভে উত্তর কোরিয়ার র্ষ্ট্রপ্রধানের এত রাগের কী হল?
মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার বিশ্বের সমস্ত সামুদ্রিক প্রাণীদের সংরক্ষণের সিদ্ধান্তকে সম্মান জানাতে সম্প্রতি নতুন আবিস্কৃত একটি মাছের নাম রাখা হল তাঁর নামে। ৩জন বিজ্ঞানী প্রেসিডেন্ট ওবামাকে বিশেষ ধন্যবাদ জানাতে এই বিশেষ কাজটি করেছেন।
ফ্রান্সের নিস শহরে সন্ত্রাসবাদী হামলার কড়া সমালোচনা করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা। কোনও জঙ্গি সংগঠন হামলার দায় স্বীকার না করলেও ঘটনার তদন্তে ফরাসি সরকারকে সবরকম সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি। বিশ্বজুড়ে নিন্দার ঝড়। হামলার পরই জরুরী বৈঠক করেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট ফ্রাঁসোয়া ওলাঁদ। এরপর জাতীয় টেলিভিশনে দেশবাসীর উদ্দেশে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বলেন, হামলার ধরণ দেখে এটাকে জঙ্গি হামলা বলেই মনে করা হচ্ছে। দেশজুড়ে জরুরি অবস্থার মেয়াদও আরও তিন মাস বাড়ানোর ঘোষণা করেন ওলাঁদ। তবে এই ঘটনায় প্রবাসী ভারতীয়রা সুরক্ষিত বলেই বিদেশমন্ত্রক সূত্রের খবর।
তথ্যপ্রযুক্তির দুনিয়া এখন। সাধারণ মানুষ থেকে নেতা মন্ত্রী এবং দেশের মাথারা সবাই এখন স্মার্টফোনের ভক্ত। প্রত্যেকের হাতেই হাই-ফাই ফিচার্সের নানারকমের স্মার্টফোন। স্মার্টফোনই একমাত্র জড়বস্তু, যা সমস্ত শ্রেণীর মানুষকে একসঙ্গে বশীভূত করতে পেরেছে। আমরা প্রত্যেকেই এখন স্মার্টফোন ব্যবহার করি। কিন্তু এটা কি জানেন, আমাদের বিশ্বের তাবড় তাবড় দেশনেতারা কোন স্মার্টফোন ব্যবহার করেন? আপনিও যে স্মার্টফোন ব্যবহার করছেন। হয়তো সেই একই স্মার্টফোন ব্যবহার করছেন আপনার প্রিয় দেশনেতাও। তাই দেখে নিন বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মাথারা কোন স্মার্টফোন ব্যবহার করেন।
পরিচয় করিয়ে দিচ্ছি এমন কিছু মানুষের সঙ্গে যাঁরা জীবনে সফল এবং এই মানুষগুলো প্রতিটা মুহূর্তে আমাকে, আপনাকে, আমাদের সবাইকে উদ্বুদ্ধ করছেন। এঁরা কেউ রাষ্ট্রনায়ক, কেউ ক্রিকেটার, কেউ কর্পোরেট কোম্পানির হত্তাকর্তা আবার কেউ কোটি কোটি টাকার সম্পত্তির মালিক। এঁদের প্রত্যেকের জীবনেই সাফল্য এসেছে জীবনের নানান চড়াই উতরাই পেরিয়ে। তবে একটি মাত্র চাবিকাঠি এমন যা সবার ক্ষেত্রে একই থেকেছে, তা হল- "Wake up an hour early to live an hour more"।
সন্ত্রাস দমনে পাকিস্তানের ওপর চাপ বাড়ালেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা। বললেন, শরিফ সরকারকে জঙ্গিদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স দেখাতেই হবে। জঙ্গি ঘাঁটি ধ্বংস করতে আরও কড়া পদক্ষেপ করতে হবে ইসলামাবাদকে। সংবাদসংস্থা পিটিআই-কে দেওয়া সাক্ষাত্কারে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, ভারত দীর্ঘদিন ধরে সন্ত্রাসবাদের স্বীকার। পাঠানকোট হামলা তারই এক উদাহরণ। তবে, সন্ত্রাস দমনে ইদানিং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও পাক প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফ যেভাবে নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ রেখে চলেছেন তার প্রশংসা করেছেন ওবামা। পাঠানকোট হামলার পরও এই উদ্যোগ চালু থাকার কৃতিত্ব প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকেই দিয়েছেন তিনি। মোদী ক্ষমতায় আসার পর দিল্লি-ওয়াশিংটন সম্পর্ক আরও মজবুত হয়েছে বলেও জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
এবছর ঐতিহাসিক সাফল্য পেয়েছে প্যারিসের বিশ্ব জলবায়ু সম্মেলন। এর সিংহভাগ কৃতিত্বই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে দিলেন, আমেরিকার রাষ্ট্রপতি বারাক ওবামা। এজন্য নিজে ফোন করে নরেন্দ্র মোদীকে ধন্যবাদও জানালেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। টেলিফোনে তিনি নরেন্দ্র মোদীকে বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সদর্থক ভূমিকা এবং নেতৃত্বের জন্যই এটা সম্ভব হয়েছে। এবছর একশো পচানব্বইটি দেশ অংশ নেয় ওই সম্মেলনে। দু সপ্তাহের টানা আলোচনা-বিতর্ক শেষে বিশ্ব উষ্ণায়ন রোধে ঐকমত্যে পৌঁছেছে সব দেশ। সম্মেলনের একফাঁকে নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে আলাদাভাবে কথাও হয় মার্কিন প্রেসিডেন্টের। সেই কথা যে বেশ খানিকটা ফলপ্রসূ হয়েছে, সেটাই বলাই যায়, ওবামার, নরেন্দ্র মোদীকে ফোন করা নিয়ে।
সিরিয়ায় আইসিস ঘাঁটিতে হামলার জেরে এবার আমেরিকা সহ পশ্চিমি জোটকে পাল্টা হুঁশিয়ারি। সিরিয়ায় যারা বিমান হানা চালাবে তাদেরও ফ্রান্সেরই দশা হবে। পাল্টা হামলার হুমকি দিল ইসলামিক স্টেট। ওয়াশিংটনেও হামলা চালানো হবে বলে হুমকি ভিডিওয়ে দাবি জঙ্গি সংগঠনের।
প্যারিসের হামলার পর আইসিসকে নিকেশ করার সংকল্প জি-টুয়েন্টিভুক্ত দেশগুলি। আইসিস বিরোধী অভিযানে চারগুণ শক্তি নিয়ে ঝাঁপাবে আমেরিকা। জি-টুয়েন্টি শীর্ষ সম্মেলনে ঘোষণা করলেন বারাক ওবামা। বললেন, এ শুধু ফ্রান্স নয়, গোটা মানবসভ্যতার ওপরই বর্বরোচিত হামলা। তুরস্কে কড়া নিরাপত্তার মাঝে জি-টুয়েন্টি সম্মেলনে যোগ দিয়ে সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে এককাট্টা হয়ে লড়াইয়ের ডাক দেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীও।
"বারাক আপ ফেসবুক পে কিউ নেহি আতে হো"? 'চায়ে পে চর্চা'য় 'বারাকের বন্ধু' মোদী নাকি গল্প করতে করতে বারাককে ফেসবুকে আসার জন্য অনুরোধ করেছিলেন, এমনটাই 'গুজব' ছড়িয়েছে নেটিজেনদের মধ্যে। আর তার কারণ হল বারাক ওবামা হঠাৎ যখন ফেসবুকে এলেন। এতদিন টুইটারে ছিলেন, সোমবার নিজের ফেসবুকে অ্যাকাউন্ট খুললেন বারাক হোসেন ওবামা।