মোল্লা বরাদর চেয়েছিলেন আফগান সরকারে বেশিমাত্রায় সংখালঘুদের আরোও বেশি প্রতিনিধিত্ব থাকুক।
নিজস্ব প্রতিবেদন: আমেরিকার সাহায্যপ্রাপ্ত আফগান সরকারের হাত থেকে সফলভাবে ক্ষমতা দখল করেছে তালিবান। কিন্তু ক্ষমতা দখলেই শেষ হয়নি তালিবানের সমস্যা। তালিবানের অন্দরমহলের অন্তর্দ্বন্দ্ব ক্রমশ প্রকাশ পাচ্ছে।
তালিবান সরকার গঠনের আগে এটাই মনে করা হচ্ছিল যে তালিবানের সহ প্রতিষ্ঠাতা মোল্লা বরাদর হয়তো আফগানিস্তানে সরকার চালাবেন। কিন্তু বাস্তবে দেখা যায় সরকারের ভার যায় মোহাম্মদ হাসান আখুন্দের হাতে। মোল্লা বরাদর চেয়েছিলেন আফগান সরকারে বেশিমাত্রায় সংখালঘুদের প্রতিনিধিত্ব থাকুক। এছাড়াও তিনি চেয়েছিলেন আফগানিস্তানের ফ্ল্যাগ যেন তালিবান ব্যবহার করে। যদিও এর মধ্যে কোনোটিই তালিবান সরকারে খুব বেশি প্রাধান্য পায়নি এবং তালিবান সরকারের শীর্ষ নেতৃত্বে প্রাধান্য পেয়েছে পাকিস্তানপন্থী নেতৃত্ব।
পরবর্তীকালে কাবুলের প্রেসিডেন্টের প্রাসাদে তালিবানের এক বৈঠকে মোল্লা বরাদর এবং খলিল হাক্কানির অনুগামীদের মধ্যে খণ্ডযুদ্ধ বেঁধে যায়। এরফলে গুলি চালনার খবরও পাওয়া যায়। সেপ্টেম্বর মাসের শুরুতে কাবুলের বিভিন্ন অঞ্চলে গুলির যুদ্ধের খবর পাওয়া যায়। এই যুদ্ধের মূলে ছিল মোল্লা আব্দুল ঘনি বরাদর এবং আনিস হাক্কানির অনুগামীদের মধ্যে পঞ্জশির সমস্যার সমাধানের বিষয়ে মতানৈক্য।
আরও পড়ুন: Rope Walker: নীচে নদী! সরু দড়ির উপর দিয়ে ৬০০ মিটার হাঁটলেন যুবক
এই খণ্ডযুদ্ধের পরেই বরাদর লোকচক্ষুর আড়ালে চলে যান এবং কিছুদিন পরে তাকে আবার দেখা যায় কান্দাহারে। এই কান্দাহারকেই হাইবাতুল্লাহ আখুন্দজাদার আঁতুরঘর বলে মনে করা হয়। যদিও শেষ কিছুদিনে তালিবান নেতা হাইবাতুল্লাহ আখুন্দজাদার কোনো খবর পাওয়া যায়নি। অনেকেই মনে করছেন হাইবাতুল্লাহ আখুন্দজাদা নিহত হয়েছেন। আখুন্দজাদার অনুপস্থিতিতে তালিবানের শীর্ষ নেতৃত্বে যে খালি জায়গা সৃষ্টি হয়েছে তার ফলে তালিবানের অন্দরমহলে মতানৈক্য বৃদ্ধির সুযোগ তৈরী হয়েছে। এর আগের তালিবান সরকারের আমলে এরম ঘটনা দেখা যায়নি। সেই সময়ে কাবুলে না এলেও তালিবান নেতা মোল্লা ওমরই শেষ কথা বলতেন।
অগাস্ট মাসে কাবুল পুরোপুরি তালিবানের দখলে চলে যাওয়ার পরে এক প্রবল শক্ত সৃষ্টি হয় আফগানিস্তানে। গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত সরকারের হঠাৎ পতনের পরে পাকিস্তানের হস্তক্ষেপের খবর স্পষ্ট হয়ে যায়। ISI-এর চিফ Lt Gen Faiz Hameed সেপ্টেম্বরের শুরুতে কাবুলে উপস্থিত হন। Hameed-এর কাবুলে উপস্থিতি এটা প্রমান করে দিচ্ছে তালিবান সরকার আসলে ISI-এর পুতুল সরকারে পরিণত হচ্ছে।
|
CAN
(20 ov) 173/4
|
VS |
NZ
176/2(15.1 ov)
|
| New Zealand beat Canada by 8 wickets | ||
| Full Scorecard → | ||
|
AUS
(20 ov) 181
|
VS |
SL
184/2(18 ov)
|
| Sri Lanka beat Australia by 8 wickets | ||
| Full Scorecard → | ||
|
ENG
(20 ov) 202/7
|
VS |
ITA
178(20 ov)
|
| England beat Italy by 24 runs | ||
| Full Scorecard → | ||
By accepting cookies, you agree to the storing of cookies on your device to enhance site navigation, analyze site usage, and assist in our marketing efforts.