জীবিকার প্রয়োজনে গিয়েছিলেন নেপাল, সব হারিয়ে এখন খোলা আকাশের নিচেই কাটছে ওদের জীবন

কেউ স্বর্ণকার। কেউ রাজমিস্ত্রি। জীবিকার সন্ধানে পাড়ি দিয়েছিলেন সুদূর নেপাল। কিন্তু ভয়াল ভূমিকম্প লন্ডভন্ড করে দিয়েছে ওঁদের স্বপ্ন। স্ত্রী-পুত্র-পরিবার নিয়ে কেউ দিন কাটাচ্ছেন খোলা আকাশের নিচে। আর তাঁদের পরিজনেরা উদ্বেগে দিন গুনছেন, কবে ফেরে কাছের মানুষগুলো।

Updated By: May 5, 2015, 10:04 AM IST
জীবিকার প্রয়োজনে গিয়েছিলেন নেপাল, সব হারিয়ে এখন খোলা আকাশের নিচেই কাটছে ওদের জীবন

ওয়েব ডেস্ক: কেউ স্বর্ণকার। কেউ রাজমিস্ত্রি। জীবিকার সন্ধানে পাড়ি দিয়েছিলেন সুদূর নেপাল। কিন্তু ভয়াল ভূমিকম্প লন্ডভন্ড করে দিয়েছে ওঁদের স্বপ্ন। স্ত্রী-পুত্র-পরিবার নিয়ে কেউ দিন কাটাচ্ছেন খোলা আকাশের নিচে। আর তাঁদের পরিজনেরা উদ্বেগে দিন গুনছেন, কবে ফেরে কাছের মানুষগুলো।

দুশ্চিন্তার কালো মেঘ পশ্চিম মেদিনীপুরের ঘাটাল, দাসপুরে। মাত্র এক মিনিটে বদলে গেছে মানচিত্র। সুন্দরী নেপাল এখন ধ্বংসস্তূপের কালো পাহাড়ে ঢাকা। মৃত্যুর মিছিল। চারিদিকে স্বজন-হারানোর বেদনা। সেই কান্নার রেশ ছড়িয়ে পড়েছে এ দেশেও। এ বাংলায়। পশ্চিম মেদিনীপুরের ঘাটাল, দাসপুরে যেন শবরীর প্রতীক্ষা। মৃত্যুপুরীতে যে আটকে রয়েছেন শুকুর আলি, কাদের মল্লিক, আনসার মল্লিকদের মতো কয়েকশো যুবক। আপনজনের চোখ দিয়ে গড়িয়ে পড়ছে জল।

ফোনে কখনও যোগাযোগ হচ্ছে। কখনও বা নিশ্চুপ দূরভাষ। তবে প্রাণে বাঁচার খবর পৌছেছে ঘাটাল, দাসপুরে। তবে খোলা আকাশের নিচেই দিন কাটাতে হচ্ছে ওঁদের। কাজের সন্ধানে গিয়েছিলেন। কিন্তু ধ্বংসের মধ্যে সৃষ্টির চিহ্ন নেই। তাই ফিরতে চান ওঁরা। পরিবারও চায়, ঘরের ছেলে ফিরে আসুক ঘরেই। ঘাটালের মহকুমাশাসকের কাছে ছুটে গেছেন ওঁরা। দরবার করেছেন। আশ্বাস দিয়েছেন মহকুমাশাসকও। কিন্ত অনেকগুলো দিন যে কেটে গেল। এখনও তো ফিরল না শুকুর, কাদের, আনসাররা। কবে ফিরবে আপনজনেরা? এই প্রশ্ন নিয়েই উত্কণ্ঠায় দিন গুনছে ঘাটাল, দাসপুর।

 

.