)
জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: ৬৫৩টি বুলেট খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। তার জন্যই লকডাউন দেশে! কিম জন উন একনায়কতন্ত্রের চূড়ান্ত দৃষ্টান্ত, স্বেচ্ছাচারিতার অন্যতম উদাহরণ তিনি। উত্তর কোরিয়ায় তাই নানা অদ্ভুত অদ্ভুত বিষয় ঘটে। সম্প্রতি এরকমই এক ঘটনা ঘটেছে। সম্প্রতি কিম উত্তর কোরিয়ার হাইয়েসান নামক এক শহরে আছেন। ছোট্ট শহর। মাত্র দু'লক্ষ লোকের বাস। কিন্তু তাঁরা এখন মহা ঝামেলায় পড়ে গিয়েছেন। হঠাৎ করেই লকডাউনের ফাঁদে পড়ে বন্দি তাঁরা! কেন? ৬৫৩টি বুলেট খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। এর জন্যই লকডাউন!
কী ঘটেছিল?
২৫ ফেব্রুয়ারি কতগুলি অ্যাসল্ট রাইফেল হারিয়ে গিয়েছিল সেখানে। তবে ১০ মার্চের মধ্যে তা উদ্ধারও হয়। কিন্তু মুশকিল হল কিছুতেই বুলেটগুলি খুঁজে পাওয়া গেল না! ব্যস! দেশের প্রশাসন নির্দেশ জারি করে দিল, যতক্ষণ না বুলেটগুলি খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে ততক্ষণ এ শহরে লকডাউন থাকবে। সৈন্যরা অবশ্য প্রথমেই তা তাঁদের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানাননি। তাঁরা নিজেরাই সাধ্যমতো তন্ন তন্ন করে খুঁজে ছিলেন সেগুলি। কিন্তু কোথাও না পেয়ে বাধ্য হয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানান বিষয়টি। আর এরই ফলশ্রুতি এই লকডাউন!
গত সপ্তাহে এই লকডাউনের অর্ডার দেওয়া হয়েছিল। সমস্ত ফার্ম, ফ্যাক্টরি, সোশ্যাল গ্রুপ এবং সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের বসবাসের এলাকায় এই বার্তা রটি গেল ক্রমে যে, দেশে লকডাউন জারি! জানা গিয়েছে, এর মাধ্যমে প্রশাসন এলাকাবাসীর মনে ভয় ঢুকিয়ে দিতে চাইছে।
কিম এক খামখেয়ালি গোঁড়া জেদি প্রশাসক হিসেবে 'বিখ্যাত'। তাঁর দেশে নানা বিষয়ে নানা নিয়ম, নানা ফ্যাকড়া। এমনিতেই সে দেশের লোকজন নানা বিষয়ে সদা-সন্ত্রস্ত থাকেন। এর সঙ্গে রয়েছে চিনের সঙ্গে আমেরিকার সঙ্গে উত্তর কোরিয়ার তথা কিম জন উনের নানা রকম সংঘাত সংঘর্ষের আবহ। ক'দিন আগেই তারা আমেরিকার বিরক্তি উৎপাদন করে সমুদ্রের নীচে অস্ত্রপরীক্ষা করেছে। সব মিলিয়ে একটা সদা-ঝঞ্ঝাটের আবহের মধ্যেই আবার নতুন করে এক অভ্যন্তরীণ সংকট।