কেসর কাজু বরফি

Update: November 9, 2012 19:02 IST

এসে গেল আলোর উত্সব। দীপাবলি মানেই হকের রকম বাজি, আলোর রোশনাই আর দেদার খাওয়া দাওয়া। তার মধ্যে অবশ্যই মিঠেকড়ার পাল্লাই ভারী। মিষ্টি রকমফের হয় জায়গায় জায়গায়। বদলে যায় স্বাদ। তবে এদের মধ্যে প্রাদেশিকতার বেড়া টপকে সারা ভারতে রাজত্ব করে তাদের মধ্যে এক নম্বরে রাখতেই হয় বাধ্য কাজু বরফিকে। সেই মহার্ঘ্য বস্তুটি একটু পরিশ্রমেই বানিয়ে ফেলতে পারেন বাড়িতেই।

কী কী লাগবে


কাজু: ৫০০ গ্রাম
চিনি: ৩০০ গ্রাম
কেসর: ১ চা চামচ
কমলা রং: ১/৪ চা চামচ
রুপোর তবক: ২টো

কীভাবে বানাবেন


কাজু ৩ ঘণ্টা জলে ভিজিয়ে রাখুন। জল ঝরিয়ে নিয়ে মিহি করে বেটে নিন। এবারে কড়াইতে চিনি আর কাজু বাটা নিয়ে কম আঁচে নেড়ে রোস্ট করে নিন। কেসর ও কমলা রং দিয়ে একসঙ্গে মিশিয়ে রোস্ট করে নিন। ক্রমাগত নাড়তে থাকবেন। ভাল করে ভাজা হয়ে গেলে আগুন থেকে নামিয়ে নিন।

এবারে রোলিং বোর্ডের ওপর বাটার পেপার পেতে তার ওপর ভাজা মিশ্রণ ঢেলে দিন। ওপর থেকে আর একটা বাটার পেপার চাপা দিয়ে দুটোর মাঝখানে চেপে স্যান্ডউইচ করে নিন। ভালভাবে চ্যাপ্টা হয়ে গেলে বাটার পেপার সরিয়ে নিয়ে রুপোর তবক দিন। ডায়মন্ড আকারে কেটে নিয়ে বরফি বানিয়ে ফেলুন।








Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।