ফেসবুক গ্রেফতারের জেরে সাসপেন্ড দুই অফিসার, প্রতিবাদে বনধ শিবসেনার

Update: November 27, 2012 19:58 IST

মহারাষ্ট্রের ফেসবুক কান্ডে নয়া মোড়। বাল ঠাকরের মৃত্যুর পরের দিন ফেসবুকে করা মন্তব্যের জেরে গ্রেফতার হতে হয়েছিল মুম্বইয়ের দুই তরুণিকে। আজ এই গ্রেফতার কান্ডে নিযুক্ত দুই পুলিস অফিসারকে সাময়িক নির্বাসনে পাঠাল মহারাষ্ট্র সরকার। এই নির্বাসনের মাধ্যমে পক্ষান্তরে সরকার শিবসেনা আর মুম্বই পুলিসকে কড়া বার্তা দিল বলেই ম্নে করছে বিশেষজ্ঞ মহল। অন্যদিকে এই দুই অফিসারকে নির্বাসনের প্রতিবাদে শিবসেনা কাল মহারাষ্ট্রের পালঘর জেলায় বনধের ডাক দিয়েছে।


মঙ্গলবার মহারাষ্ট্রের সরাষ্ট্র মন্ত্রী আর আর পাটিল থানে রুরাল অঞ্চলের পুলিস সুপারিনটেনডেন্ট রবীন্দ্র সেনগাওকার এবং পালঘরের পুলিস ইন্সপেক্টর শ্রীকান্ত পিংগলের নির্বাসনের কথা ঘোষণা করেন।

এর সঙ্গেই পাটিল জানিয়েছেন নির্দেশ অমান্য করা এবং তারাহুড়ো করে কাজ করার জন্যই এই পুলিস অফিসারকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। এর সঙ্গেই গুরুত্বপূর্ণ ভাবেই মহারাষ্ট্র সরকারের পক্ষ থেকে পুলিসকে জানানো হয়েছে কোন আইনজ্ঞের পরামর্শ ছাড়া আইটি অ্যাক্টে কোন কেস রুজু করা চলবে না।

এর সঙ্গেই যে বিচারক ওই দুই তরুণির বিচারবিভাগীয় হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছিলেন সম্প্রতি তাঁরও বদলির হয়ে গেছে।







Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।