)
জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: কিছুদিন আগেই আচমকা বিয়ের খবর প্রকাশ্যে এনে আলোচনা সমালোচনার মুখে পড়েন অভিনেতা আশিস বিদ্যার্থী(Ashish Vidyarthi)। ৫৭ বছর বয়সে অসমের মেয়ে রূপালী বড়ুয়াকে বিয়ে করেন আশিস। ফের বিয়ের পিঁড়িতে বসে সমালোচিত হতে হয় অভিনেতাকে। তবে অভিনেতা জানান যে ভালো থাকার অধিকার বাকিদের মতো তাঁরও আছে। সেই কারণেই সিদ্ধান্ত। বৃহস্পতিবার ফের খবরের শিরোনামে আশিস ও রূপালী। সৌজন্যে তাঁদের নতুন ছবি।
সিঙ্গাপুরে ছুটি কাটাচ্ছেন রূপালী ও আশিস বিদ্যার্থী। ছুটির মাঝে দেখা করছেন পুরনো বন্ধুদের সঙ্গেও। এবার নেটপাড়ায় ছুটির মুডে ধরা দিলেন অভিনেতা ও তাঁর স্ত্রী রূপালী। স্ত্রীয়ের সঙ্গে ছবি পোস্ট করে আশিস লেখেন, ‘ধন্যবাদ বন্ধু, তোমার ভালোবাসা ও শুভেচ্ছার জন্য। অলশুকরান বন্ধু, অলশুকরান জিন্দেগী। এই সুন্দর ছবির জন্য টিনটিন তোমাকে ধন্যবাদ।’
গত ২৫ মে, বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা আশিস বিদ্যা্র্থীর আচমকা বিয়ের খবরে শোরগোল পড়ে যায় নেটপাড়া। কলকাতায় আইনি মতে বিয়ে করেন তিনি। গুয়াহাটির মেয়ে রূপালী বড়ুয়ার সঙ্গে তাঁর বিয়ের খবর রীতিমতো ভাইরাল হয়ে যায় নেটপাড়ায়। এর মাঝেই প্রথম স্ত্রীয়ের সঙ্গে বিচ্ছেদ ও পুনর্বিবাহ নিয়ে তাঁর জীবনের গল্প বলেন অভিনেতা।
আশিস বলেন, ‘জীবন এমন একটা বস্তু, যেটা খুশিতেই কাটানো উচিত, অন্য কারোর জন্য নয়, নিজের জন্য। নিজের দায়িত্ব পূরণ করে কী আমরা খুশিতে থাকতে পারি? আমি নিজেকে যতটুকু জানি যে আমি একা থাকতে পারি না, আমার কারোর সঙ্গ পছন্দ। তখন আমার বয়স ছিল ৫৫ কিংবা ৫৬ কিন্তু আমি আশা ছাড়িনি। আমি খুঁজব তাঁকে যাঁকে আমি অন্তরের কথা বলতে পারি। আমি যখন ইউনিভার্সকে বলি যে আমি কাউকে চাই, তখন গত বছর আমার কারোর সঙ্গে দেখা হয়। ওঁর সঙ্গে যখন কথাবার্তা শুরু করি তখন আমার মনে হয় যে আমি ওঁর সঙ্গে থাকতে চাই। ওঁর নাম রূপালী বড়ুয়া’।
অভিনেতা আরও বলেন, ‘গত এক বছর দূর থেকেও আমরা কথা বলেছি, দেখা করেছি, তখন আমার মনে হয় আমি ওর সঙ্গে জীবন কাটাতে চাই। আমি কখনও শুধু সম্পর্কে থাকতে চাইনি, আমি বিয়েই করতে চেয়েছিলাম। তখন ওঁকে জিগেস করি বিয়ে করবে কিনা। সে রাজি হয়ে যায়। ওঁর বয়স ৫০, আমার ৫৭, আমার ৬০ বছর বয়স নয়। কিন্তু বিষয়টা বয়সের নয়। কারণ যেকোনও বয়সেই আমরা খুশি থাকতে পারি। যেটা আমার সঙ্গে হয়েছে সেটা সবার সঙ্গেই হতে পারে। সবাইকে সম্মান দেওয়া উচিত ও ব্যক্তিগত স্পেস দেওয়া উচিত। আপনাদের ভালোবাসা আমরা সবাই পেতে পারি’।