BJP-তে যোগ দিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর আশীর্বাদ চাইলেন যশ

জল্পনা ছিলই, আর তা সত্যি করে BJP-তে যোগ দিলেন অভিনেতা যশ দাশগুপ্ত। 

Edited By: রণিতা গোস্বামী | Updated By: Feb 25, 2021, 06:42 PM IST
BJP-তে যোগ দিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর আশীর্বাদ চাইলেন যশ

নিজস্ব প্রতিবেদন : জল্পনা ছিলই, আর তা সত্যি করে BJP-তে যোগ দিলেন অভিনেতা যশ দাশগুপ্ত।  তবে BJP-তে যোগ দেওয়ার পরই মুখ্যমন্ত্রীর আর্শীবাদ চেয়ে বসলেন যশ। তিনি  বলেন, ''আমি বিজেপিতে যোগ দিতে পারি। তবে দিদি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে কিছু বলব না। আমি আজও দিদিকে বলেছি, এই লড়াইয়ে আমায় আশীর্বাদ করার জন্য।'' 

টলিপাড়ায় দলবদলের হিড়িক অব্যাহত। বুধবার যশ ছাড়াও বিজেপিতে যোগ দেন টলিপাড়ার একঝাঁক কলাকুশলী। যাঁদের মধ্যে ছিলেন অভিনেত্রী সৌমিলি বিশ্বাস, পাপিয়া অধিকারী, রূপা ভট্টাচার্য সহ আরও অনেকেই। তবে এদিন মূল আকর্ষণ ছিলেন অভিনেতা যশ দাশগুপ্ত। কৈলাস বিজয়বর্গীয়, মুকুল রায়ের উপস্থিতিতে বিজেপিতে যোগ দেন যশ। অভিনেতার হাতে বিজেপির পতাকা তুলে দেন কৈলাস বিজয়বর্গীয় নিজেই। 

যশ বলেন, ''সিস্টেমের ভিতরে থেকে পরিবর্তন আনতে চাই। এই সিদ্ধান্ত হঠাৎ করে নিইনি। আমার মূল লক্ষ্য যুবরা। বিজেপি যুবদের উপর বিশ্বাস রেখেছে। যুবরাই পরিবর্তন আনতে পারে। আমি যুবদের উন্নতির জন্য কাজ করতে চাই। আমরা অনেকে রাজনীতি মানেই খারাপ ভাবি। আমাদের সমাজে ছোটছোট ক্ষেত্রেও রাজনীতি হয়। তবে রাজনীতির আসল মানে পরিবর্তন।''

এদিন বক্তব্য রাখতে গিয়ে ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি নিয়ে নিজের ক্ষোভ উগরে দেন অভিনেত্রী অঞ্জনা বসু। মঞ্চে দাঁড়িয়ে তাঁর অভিযোগ, ইন্ডাস্ট্রিতে রাজনীতি হয়। সেটা বন্ধ করা দরকার। অঞ্জনা বসুর অভিযোগ, তিনি আর্টিস্ট ফোরামের নির্বাচনে দাঁড়িয়েছিলেন। তবে শিল্পীদের ফোন করে তাঁকে ভোট দিতে 'না' করা হয়েছিল। বুঝে নিতে অসুবিধা হয় না। এদিন অঞ্জনা বসুর ইঙ্গিত ছিল শাসক দলের দিকেই। 

এদিনের অনুষ্ঠানে কৈলাস বিজয়বর্গীয় সদ্য বিজেপিতে যোগদানকারী তারকাদের উদ্দেশ্যে বলেন, ''ভরতীয় জনতাপার্টি মিডিয়া সেন্টারের উদ্বোধন একপ্রকার আপনাদের উপস্থিতিতে হল। আমরা নতুন বাংলা বানানোর প্রস্তুতি নিচ্ছি। বাংলা গৌরবশালী রাজ্য়। ধীরে ধীরে বাংলা নিজের পরিচয় হারিয়েছে। চৈতন্য় মহাপ্রভু, স্বামী বিবেকানন্দ সহ বহু মহাপুরুষ বাংলাতেই জন্মেছেন। তবে পরিস্থিতি বদলে গিয়েছে। আজ বাংলায় জয়শ্রীরাম স্লোগানে ভয় পাচ্ছেন মমতা। বাংলাকে বাঁচানোর জন্য ভারতীয় জনতা পার্টি কাজ করছে। প্রথমে বাংলাকে বাঁচাতে হবে। তারপর উন্নতি করতে হবে। বাংলার ছেলেমেয়েরা পড়াশোনার পর বাইরে চলে যায়। এখানে কর্মংস্থান গড়ে তুলতে হবে।''