'যৌন হেনস্থার পরও কাজ হারানোর ভয়ে মুখ খোলেন না', বিস্ফোরক রাধিকা

 সরোজ খান বলে বসেন, ''ধর্ষণ হলেও বলিউড কাজও দেয়, অন্তত রুটি রুজির ব্যবস্থা করে। তাই বলিউডের বদনাম করা উচিত নয়।'' আর খ্যাতনামা কোরিওগ্রাফারের এমন মন্তব্যে সমালোচনার ঝড় ওঠে। তবে এবার ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে কাস্টিং কাউচ নিয়ে মুখ খুলেছেন আরও দুই অভিনেত্রী। এরাঁ হলেন রাধিকা আপ্তে ও ঊষা যাদব।

Updated By: Apr 27, 2018, 02:29 PM IST
'যৌন হেনস্থার পরও কাজ হারানোর ভয়ে মুখ খোলেন না', বিস্ফোরক রাধিকা

নিজস্ব প্রতিবেদন: সম্প্রতি, হলিউডের ME TOO ক্যাম্পেনের প্রভাব এসে পড়েছে এদেশেও। শুধু বলিউড নয়, কাস্টিং কাউচ নিয়ে মুখ খুলেছেন মারাঠি, দক্ষিণী সহ বিভিন্ন আঞ্চলিক সিনেমার অভিনেত্রীরাও। কিছুদিন আগেই দক্ষিণী অভিনেত্রী শ্রী রেড্ডি প্রকাশ্যে অর্ধনগ্ন হয়ে কাস্টিং কাউচের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানালে বিষয়টি নিয়ে হৈচৈ পড়ে যায়। এর ঠিক পরপরই রাধিকার সমর্থনে মুখ খোলেন আরও অনেক অভিনেত্রীই। তবে এবিষয়ে সরোজ খানের মন্তব্যে বিতর্ক দানা বাঁধে। সরোজ খান বলে বসেন, ''ধর্ষণ হলেও বলিউড কাজও দেয়, অন্তত রুটি রুজির ব্যবস্থা করে। তাই বলিউডের বদনাম করা উচিত নয়।'' আর খ্যাতনামা কোরিওগ্রাফারের এমন মন্তব্যে সমালোচনার ঝড় ওঠে। তবে এবার ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে কাস্টিং কাউচ নিয়ে মুখ খুলেছেন আরও দুই অভিনেত্রী। এরাঁ হলেন রাধিকা আপ্তে ও ঊষা যাদব।

'মিড ডে'-তে প্র প্রকাশিত তথ্য অনুসারে কাস্টিং কাউচ নিয়ে সম্প্রতি একটি তথ্যচিত্র বানিয়েছে বিবিসি। যার নাম দেওয়া হয়েছে ''বলিউড' ডার্ক সিক্রেট''। বিবিসির সেই তথ্যচিত্রেই রাধিকা কাস্টিং কাউচ নিয়ে মুখ খুলেছেন। তিনি বলেন, '' কিছু মানুষ আছেন যাঁরা নিজেকে ভগবান মনে করেন। তাঁদের হাতে এতটাই ক্ষমতা রয়েছে, যে তাঁরা এটা মনেই করেন না যে আমাদেরও কথআ বলার অধিকার রয়েছে। আর কিছু মানুষ মনে করেন, যে তাঁরা এনিয়ে সরব হলে আমার কেরিয়ার শেষ হয়ে যাবে। এটার বিরুদ্ধে মহিলা ও পুরুষদের একসঙ্গে সরব হওয়া উচিত, সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত এটা আর হতে দেওয়া যাবে না। আশা রাখি, যে ভবিষ্যতে এটাই হবে।''

এদিকে কাস্টিং কাউচ নিয়ে সরব হয়েছেন জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত মারাঠি অভিনেত্রী ঊষা যাদবও। মারাঠি ছবি 'ধাগ' এর জন্য জাতীয় পুরস্কার পেয়েছিলেন ঊষা। পাশপাশি 'ট্রাফিক সিগন্যাল', 'বীরাপ্পান' বলিউডের ছবিতেও কাজ করেছেন তিনি। অভিনেত্রী ঊষার জানান, ''কেরিয়ারের প্রথম দিতে এক প্রযোজক তাঁকে যৌন হেনস্থা করেন। কাজের জন্য তাঁর কাছে গেলে প্রযোজক তাঁর শরীরের বিভিন্ন অংশে হাত দিতে থাকেন, এমনকি তাঁর পোশাকের মধ্যে দিয়েও হাত ঢুকিয়ে দেন। আমি প্রতিবাদ করলে তিনি আমায় বলেন ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ পেতে গেলে এসবের সঙ্গে তোমায় অভ্যস্ত হতেই হবে। প্রয়োজনে পরিচালকের সঙ্গেও শুতে হতে পারে। কিন্তু এধরনের ব্যবহার করলে তুমি কাজ পাবে না। ''