কবে মিলবে অক্সফোর্ডের বিজ্ঞানীদের তৈরি করোনার টিকা? ‘সুখবর’ মিলতে পারে আজই

সূত্রে খবর, এই প্রতিষেধক সম্পর্কে বড়সড় কোনও ‘সুখবর’ বৃহস্পতিবারই জানাতে পারেন অক্সফোর্ডের বিজ্ঞানীরা।

Edited By: সুদীপ দে | Updated By: Jul 16, 2020, 12:25 PM IST
কবে মিলবে অক্সফোর্ডের বিজ্ঞানীদের তৈরি করোনার টিকা? ‘সুখবর’ মিলতে পারে আজই
—প্রতীকী চিত্র।

নিজস্ব প্রতিবেদন: ইতিমধ্যেই বিশ্বের প্রথম দেশ হিসাবে করোনা প্রতিষেধকের হিউম্যান ট্রায়াল পর্ব শেষ করে ফেলেছে রাশিয়া! রাশিয়ার গামালেই ইনস্টিটিউট অব এপিডেমিওলজি অ্যান্ড মাইক্রোবায়োলজি (Gamalei Institute of Epidemiology and Microbiology) তৈরি করেছে এই প্রতিষেধক। গামালেই ইনস্টিটিউটের ডিরেক্টর আলেকজান্ডার গিনস্টবার্গ (Alexander Gintsburg) সে দেশের সংবাদ মাধ্যমকে জানান, ১২ থেকে ১৪ অগাস্টের মধ্যেই এই প্রতিষেধক বাজারে ছাড়ার লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে এগচ্ছে সংস্থা। এরই মধ্যে করোনা প্রতিষেধকের বিষয়ে বড়সড় খবর মিলতে পারে আজই। আজই হয়তো জানা যাবে অক্সফোর্ডের বিজ্ঞানীদের তৈরি করোনা প্রতিষেধকের মুক্তির দিনক্ষণ!

বিশ্বজুড়ে অন্তত ১৫৫টি করোনার প্রতিষেধক নিয়ে গবেষণা চলছে। এর মধ্যে ২৩টি কার্যকর প্রতিষেধকের হিউম্যান ট্রায়াল চলছে। এই ২৩টি কার্যকর প্রতিষেধকের মধ্যে তিনটির চূড়ান্ত পর্যায়ের হিউম্যান ট্রায়াল চলছে। এর মধ্যে অন্যতম হল অক্সফোর্ডের বিজ্ঞানীদের তৈরি করোনা প্রতিষেধক (ChAdOx1 nCoV-19/AZD1222)। কবে এই প্রতিষেধক সর্বসাধারণের উপর প্রয়োগের জন্য তৈরি বা উপলব্ধ হতে পারে? এই উত্তরের অপেক্ষায় রয়েছেন লক্ষ লক্ষ মানুষ। তবে সূত্রে খবর, এই প্রতিষেধক সম্পর্কে বড়সড় কোনও ‘সুখবর’ বৃহস্পতিবারই জানাতে পারেন অক্সফোর্ডের বিজ্ঞানীরা।

আরও পড়ুন: করোনা রুখতে অস্ত্রে শান দিচ্ছে ভারত! Covaxin-এর পর এবার শুরু হল দেশের দ্বিতীয় টিকার হিউম্যান ট্রায়াল!

অক্সফোর্ডের বিজ্ঞানীদের তৈরি প্রতিষেধকটির তৃতীয় তথা শেষ পর্যায়ের ট্রায়াল চলছে। করোনার বিরুদ্ধে দীর্ঘমেয়াদী প্রতিরোধ গড়তে সক্ষম তাঁদের তৈরি টিকা, এমনটাই দাবি করলেন অক্সফোর্ডের প্রতিষেধক গবেষণার প্রধাণ ডঃ সারা গিলবার্ট। ডঃ গিলবার্ট জানান, করোনার বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে সফল হয়েছে এই টিকা। একাধিক পরীক্ষায় তার প্রমাণও মিলেছে। শুধু তাই নয়, তাঁদের তৈরি এই প্রতিষেধক করোনার বিরুদ্ধে বছর খানেক ধরে প্রতিরোধ গড়তে সক্ষম, দাবি গিলবার্টের। তাই এই প্রতিষেধকের সম্পর্কিত ‘সুখবর’-এর আশায় বুক বেঁধেছেন বিশ্বের লক্ষ লক্ষ মানুষ।