বেড়েছে Covishield-এর দুই ডোজের ব্যবধান; অন্ধকারে সাধারণ মানুষ, SSKM-এ ভোগান্তি

অভিযোগ, একটা ছোট বিজ্ঞপ্তি দিয়েই দায়িত্ব ঝেড়ে ফেলেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

Updated By: May 15, 2021, 11:44 AM IST
বেড়েছে Covishield-এর দুই ডোজের ব্যবধান; অন্ধকারে সাধারণ মানুষ, SSKM-এ ভোগান্তি

অয়ন ঘোষাল: কোভিশিল্ডের (Covishield Vaccine) দুটি ডোজের মধ্যেকার ব্যবধান বাড়িয়েছে কেন্দ্র। আজ থেকেই রাজ্যের হাসপাতালগুলিতে কার্যকর হচ্ছে কেন্দ্রের সেই নির্দেশ। তবে, সাধারণ মানুষের একাংশের কাছে এখনও সেই খবর নেই। ফলে কোভিশিল্ডের (Covishield Vaccine) দ্বিতীয় ডোজ নিতে এসে এসএসকেএম (SSKM) হাসপাতালে চূড়ান্ত হয়রানির শিকার সাধারণ মানুষ। অভিযোগ, একটা ছোট বিজ্ঞপ্তি দিয়েই দায়িত্ব ঝেড়ে ফেলেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

আরও পড়ুন:  স্বামী-স্ত্রী করোনা আক্রান্ত, কোলের সন্তানকে বাঁচাতেই নিরাপদ আস্তানার খোঁজে বাবা?

কেউ লাইন দিয়েছেন কাক ভোর থেকে। কেউ বা একটু পরে। কোভিশিল্ডের (Covishield Vaccine) দ্বিতীয় ডোজ নিতেই তাঁরা এসএসকেএম (SSKM) হাসপাতালে এসেছিলেন। অভিযোগ, সকাল সাড়ে ৯টার সময় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের তরফে ঘোষণা করা হয়, কেন্দ্রের নিয়ম মেনে ৮৪ দিন পর দেওয়া হবে কোভিশিল্ডের (Covishield Vaccine) দ্বিতীয় ডোজ। এতেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন টিকা নিতে আসা মানুষদের একাংশ। তাঁদের অভিযোগ, পুরোনো বিজ্ঞপ্তির উপর একটা ছোট নয়া বিজ্ঞপ্তি দিয়ে, নিজেদের দায়িত্ব সেড়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। আগে থেকে তাঁদের কিছুই জানানো হয়নি। পরিস্থিতি এটতাই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে, যে তা সামাল দিতে এসএসকেএম (SSKM) হাসপাতালে পুলিশ মোতায়েন করা হয়।  

আরও পড়ুন:  করোনা আক্রান্ত ব্রজের দেহ থেকেই নমুনা সংগ্রহ, প্রথম 'প্যাথোলজিক্যাল অটোপ্সি' করল R G Kar Medical College

হাপাতালের কর্মীদের একটা অংশের দাবি, কেন্দ্রের নির্দেশে কোভিশিল্ডের (Covishield Vaccine) দুটি ডোজের মধ্যেকার ব্যবধান বেড়েছে। সেই নির্দেশ মতোই কাজ করছেন তাঁরা। ইতিমধ্যে স্বাস্থ্যভবন থেকে এই নির্দেশিকা সকলকে জানান হয়েছে। ফলে তাঁদের দায় নেই। যদিও কোভ্যাক্সিন টিকা নিয়ে হাসপাতালে কোনও ক্ষোভ নেই।

আরও পড়ুন:Corona রোগীদের জন্য Immunity Haleem, ভলান্টিয়ার্স গ্রুপের অভিনব উদ্যোগ

প্রসঙ্গত, একদম শুরুতে কোভিশিল্ডের দুটি ডোজ নেওয়ার মধ্যে ২৮ দিনের ব্যবধান রাখা হয়। পরে তা বাড়িয়ে ৬ থেকে ৮ সপ্তাহ করে কেন্দ্র। এবার সেই ব্যবধান আরও বাড়িয়ে. ১২ থেকে ১৬ সপ্তাহ করার সুপারিশ দেয় কেন্দ্রীয় প্যানেল। প্যানেলের সেই সুপারিশ মেনে নিয়েছে স্বাস্থ্যমন্ত্রক।