সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পরই সিবিআই অধিকর্তাকে চিঠি রাজীব কুমারের

চিঠিতে রাজীব কুমার জানিয়েছেন, তিনি ৮ ফেব্রুয়ারি শিলংয়ে সিবিআই-এর তদন্তকারী অফিসারদের মুখোমুখি হতে চান।

Updated By: Feb 5, 2019, 05:55 PM IST
সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পরই সিবিআই অধিকর্তাকে চিঠি রাজীব কুমারের

নিজস্ব প্রতিবেদন : চিটফান্ডে তদন্তে সহযোগিতার জন্য কলকাতা পুলিস কমিশনার রাজীব কুমারকে আজ নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। সিবিআই-এর সামনে হাজিরা দেওয়ার জন্য নির্দেশ দিয়েছে শীর্ষ আদালত। নিরপেক্ষ স্থান শিলংয়ে হাজিরার কথা বলেছে আদালত। সুপ্রিম কোর্টের এই নির্দেশের পরই সিবিআই অধিকর্তাকে চিঠি দিলেন রাজীব কুমার। সূত্রের খবর এমনই।

সূত্র মারফত জানা যাচ্ছে, সিবিআই অধিকর্তা ঋষি কুমার শুক্লাকে চিঠি পাঠিয়েছেন কলকাতা পুলিস কমিশনার রাজীব কুমার। চিঠিতে রাজীব কুমার জানিয়েছেন, তিনি ৮ ফেব্রুয়ারি শিলংয়ে সিবিআই-এর তদন্তকারী অফিসারদের মুখোমুখি হতে চান।

আরও পড়ুন, সারদার 'মিসিং' লাল ডায়েরি কার কাছে? কী বললেন সুদীপ্ত সেন

প্রসঙ্গত, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পরই তত্পর হয়ে ওঠে সিবিআই। সিবিআই সূত্রে জানা গিয়েছে, ৯ সদস্যের একটি বিশেষ তদন্তকারী দল গঠন করা হয়েছে। যে তদন্তকারী দলের নেতৃত্বে থাকছেন ডিএসপি তথাগত বর্ধন। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের প্রেক্ষিতে আজই  বিশেষ তদন্তকারী দলটি সিবিআই ডিরেক্টর ঋষি শুক্লার সঙ্গে দেখা করবে। রণনীতি ঠিক করতে তাঁর সঙ্গে একটি বৈঠক করবে তদন্তকারী দলটি। এরপর সম্ভবত আজই কলকাতা ফিরে আসবে তথাগত বর্ধনের নেতৃত্বাধীন তদন্তকারী দলটি। তারপর আগামী কয়েকদিনের মধ্যে শিলং উড়ে যাবে দলটি।

পাশাপাশি, হাজিরার জন্য আজ সন্ধ্যা অথবা কালকে সকালের মধ্যেই কলকাতা পুলিস কমিশনার রাজীব কুমারকে নোটিস পাঠানো হবে বলে জানা গিয়েছে সিবিআই সূত্রে। জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজনে শিলংয়ে হাজিরা দেওয়ার জন্য এই নোটিস পাঠানো হবে। মেল ও ফ্যাক্স করে পাঠানো হবে নোটিস। সূত্রে খবর, সারদা কেলেঙ্কারির তদন্তে রাজীব কুমার যতক্ষণ সদুত্তর না দেবেন, ততক্ষণ তাঁকে জেরার পরিকল্পনা রয়েছে সিবিআই-এর।

আরও পড়ুন, রাজীব কুমারের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত চেয়ে রাজ্যকে চিঠি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের

সুপ্রিম কোর্টে মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ২০ ফেব্রুয়ারি। এই সময়কালের মধ্যেই রাজীব কুমারকে জেরার পর জেরা করে তাঁর কাছ থেকে উত্তর আদায় করতে চাইছে সিবিআই। জেরা চলাকালীন রাজীব কুমার তদন্তে সহযোগিতা করলেন কিনা বা সদুত্তর দিলেন কিনা, পরবর্তী শুনানির সময় সবটাই শীর্ষ আদালতে জানাবে সিবিআই। আর তারপর শীর্ষ আদালতের কাছ থেকে পরবর্তী পদক্ষেপ সম্পর্কে নির্দেশ চাইবে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা।