close

News WrapGet Handpicked Stories from our editors directly to your mailbox

আত্মহত্যা না অন্য কিছু? আর্যকন্যা স্কুলে ছাত্রীর অস্বাভাবিক মৃত্যুতে ধোঁয়াশা

 মেধাবী ছাত্রী বলেই পরিচিত ছিল শম্পা। তাই পড়াশোনার কারণে কোনওভাবে সে মানসিক অবসাদে ছিল বলে মনে করছেন না ছাত্রীর পরিবারের সদস্যরা। 

Updated: Jan 3, 2019, 01:07 PM IST
আত্মহত্যা না অন্য কিছু? আর্যকন্যা স্কুলে ছাত্রীর অস্বাভাবিক মৃত্যুতে ধোঁয়াশা

নিজস্ব প্রতিবেদন: শেষ রক্ষা হল না। বাঁচানো সম্ভব হল না আমর্হাস্ট স্ট্রিটের আর্যকন্যা স্কুলের একাদশ শ্রেণির ছাত্রী শম্পা সাউকে। বুধবার রাতে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে মৃত্যু হয় তাঁর। মাথায় গুরুতর চোট লেগেছিল তার। বুধবার দুপুরের স্কুল ক্যাম্পাস থেকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয় তাকে। পরে স্কুলের তরফেই তাকে ভর্তি করা হয় কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। তবে শম্পার মৃত্যু ঘিরে উঠছে নানা প্রশ্ন। এটি আত্মহত্যা নাকি এর পিছনে অন্য কোনও কারণ রয়েছে, তা খতিয়ে দেখছে পুলিস। তা নিয়েই বেড়েছে ধোঁয়াশা। স্কুলের সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখবে পুলিস।

আরও পড়ুন, সাংবিধানিক অধিকারের বাইরে গিয়ে কথা বলছেন রাজ্যপাল : পার্থ

স্কুলে মেধাবী ছাত্রী বলেই পরিচিত ছিল শম্পা। তাই পড়াশোনার কারণে কোনওভাবে সে মানসিক অবসাদে ছিল বলে মনে করছেন না ছাত্রীর পরিবারের সদস্যরা। ছাত্রীর পরিবারের অভিযোগ, স্কুলেই সন্দেহজনক কিছু ঘটে থাকতে পারে। স্কুলের বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ তুলেছে শম্পার পরিবার। শম্পার দাদার দাবি, “আমার বোন আত্মহত্যা করতে পারে না। স্কুলেই কিছু ঘটেছিল। স্কুলের দায়িত্ব ছিল।”

আরও পড়ুন: স্কুলের ছাদ থেকে 'ঝাঁপ'! উদ্ধার ছাত্রীর রক্তাক্ত দেহ

বুধবার দুপুর ৩.১৫ মিনিট নাগাদ স্কুল গ্রাউন্ডে শম্পাকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন শিক্ষিকা ও স্কুলের কর্মীরা। তাকে সঙ্গে সঙ্গেই হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। শিক্ষিকারা জানিয়েছেন, বুধবার দুপুর আড়াইটে নাগাদ স্কুল ছুটি হয়ে গিয়েছিল। তারপরও ৪০ মিনিট কেন শম্পা স্কুলে থেকে গিয়েছিল, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। স্কুলের দোতলা থেকে পড়ে যায় সে। সেই মুহূর্তে স্কুলের দোতলায় শম্পা ছাড়াও অন্য কেউ ছিল না তা জানার চেষ্টা করছে পুলিস। স্কুল ছুটির পর এই ঘটনা ঘটায় শিক্ষিকারাও কিছু বলতে পারছেন না।

তবে স্কুলের তরফে দাবি করা হচ্ছে, মোবাইল নিয়ে শম্পার সঙ্গে নাকি  পরিবারের ঝামেলা হয়েছিল। তবে পরিবারের তরফে পাল্টা দাবি, বাড়িতে মোবাইল নিয়ে কোনও ঝামেলা হয়নি। আর বাড়িতে কী হয়েছে, সেবিষয়ে স্কুল কী করে জানল? গোটা ঘটনা এখন তদন্ত সাপেক্ষ।