close

News WrapGet Handpicked Stories from our editors directly to your mailbox

নবরাত্রির মা দূর্গার ৯ রূপ

নতুন বছরের আর কয়েকদিন বাকি। শুরু হয়ে গিয়েছে বর্ষবরণের প্রস্তুতি। নতুনের শুরু মানেই পুরনোর বিদায়ের পালা। মা দূর্গার পুজো দিয়েই বিদায় জানানো হয় পুরনো বছরকে। তাই দেশ জুড়ে শুরু হয়ে গিয়েছে নবরাত্রি। নবরাত্রি বললে সেপ্টেম্বর-অক্টোবর মাসের কথাইয় মনে পরে। কিন্তু সারা বছরে আসলে পাঁচ বার পালিত হয় নবরাত্রি। বসন্ত নবরাত্রি, অসধা নবরাত্রি, শরদ নবরাত্রি, পৌষ/মাঘ নবরাত্রি এবং মাঘ নবরাত্রি।

Updated: Apr 9, 2016, 04:35 PM IST
নবরাত্রির মা দূর্গার ৯ রূপ

ওয়েব ডেস্ক: নতুন বছরের আর কয়েকদিন বাকি। শুরু হয়ে গিয়েছে বর্ষবরণের প্রস্তুতি। নতুনের শুরু মানেই পুরনোর বিদায়ের পালা। মা দূর্গার পুজো দিয়েই বিদায় জানানো হয় পুরনো বছরকে। তাই দেশ জুড়ে শুরু হয়ে গিয়েছে নবরাত্রি। নবরাত্রি বললে সেপ্টেম্বর-অক্টোবর মাসের কথাইয় মনে পরে। কিন্তু সারা বছরে আসলে পাঁচ বার পালিত হয় নবরাত্রি। বসন্ত নবরাত্রি, অসধা নবরাত্রি, শরদ নবরাত্রি, পৌষ/মাঘ নবরাত্রি এবং মাঘ নবরাত্রি।

হিন্দু ক্যলেন্ডার অনুযায়ী বছরের শেষে হয় বসন্ত নবরাত্রি। ৮ এপ্রিল থেকে শুরু হয়েছে বসন্ত নবরাত্রি। এক নজরে জেনে নিন, এই ৯ দিন মা দূর্গার কোন কোন রূপের পুজো করা হয়।

প্রথম দিন
রূপ:- মাতা শেইলপুত্রি।
মা দূর্গার এই রূপ হল শক্তির রূপ। এই রূপে একসঙ্গে থাকে ব্রহ্মা, বিষ্ণু, মহেশ্বর, ত্রিদেবের শক্তি।

দ্বিতীয় দিন
রূপ:- ব্রহ্মচারিনী মাতা
মায়ের এই রূপ সংযমের। এই রূপে মা ভক্তের সংযমে সন্তুষ্ট হলে তাকে সুখ, সমৃদ্ধির আশীর্বাদ দেন।

তৃতীয় দিন
রূপ:- চন্দ্রঘন্টা মা
মায়ের এই রূপ শান্তি ও শক্তির। মা দূর্গার এই ভক্তকে সাহস যোগায়, কঠিন পরিস্থিতির সঙ্গে লড়বার শক্তি দেয়।

চতুর্থ দিন
রূপ:- মাতা কুশমান্দা
মনে করা হয় মা দূর্গার এই রূপই হল বিশ্ব ব্রহ্মাণ্ডের সৃষ্টি কর্তা। কুশমান্দা রূপী মা দূর্গার হাসি থেকেই সৃষ্ট হয়েছে পৃথিবী। তাঁর হাসির ফোয়ারাতেই পৃথিবী হয়েছে শস্য শ্যামলা।

পঞ্চম দিন
রূপ:- স্কন্দ মাতা
মা দূর্গার এই রূপ ভগবান স্কন্দ অর্থাৎ কার্তিকের মায়ের। মা এই রূপেই শিশু কাল থেকে কার্তিকের সঙ্গে থেকেছেন।

ষষ্ঠ দিন
রূপ:- কাত্যায়নি মাতা
গল্পে শোনা যায় মা দূর্গার অবতার ছিলেন মহর্ষি কাতা। মহর্ষি কাতার থেকেই সৃষ্ট হয়েছেন কাত্যায়নি মাতা। মায়ের এই রূপে মাকে গেরুয়া বসনে দেখা যায়। গেরুয়া রং হল সাহসের প্রতীক।

সপ্তম দিন
রূপ:- কালরাত্রি মা
এই অবতারে মা দূর্গা ভয়ঙ্করী। রং তাঁর অন্ধকারের মতো কালো, এলোকাশি চুলে মা এই রূপে নির্ভয়া। ত্রিনয়নী কালরাত্রি মা ভক্তদের শয়তানের হাত থেকে রক্ষা করেন।

অষ্টম দিন
রূপ:- মহা গৌরি মাতা
এই রূপে মা দূর্গা ধীর-স্থির, শান্ত। মায়ের এই রূপের পূজা করলে দূর হয়ে যায় ভক্তের মনের সব পাপ। গল্পে প্রচলিত আছে, দীর্ঘদিন জঙ্গলে তপস্যা করার পর কালো হয়ে গিয়েছিল মা দূর্গার রং। মহাদেব গঙ্গাকে নিয়ে এসে সব নোংরা ধূয়ে ফেলে ফিরিয়ে আনেন মায়ের ফর্সা রূপ। ময়ের এই নতুন রূপেরই নাম গৌরি।

নবম দিন
রূপ:- সিদ্ধিদাত্রী মা
মায়ের এই রূপ হল শান্ত রূপ। চার হাতের সিদ্ধিদাত্রী মাকে পূজো করলে মায়ের আশীর্বাদে ভক্তদের পুণ্য লাভ হয়।