টিকিট দেওয়ার জন্য ১০ কোটি টাকা চেয়েছিলেন কেজরি, বিস্ফোরক অভিযোগ আপ বিধায়কের

দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনের ৩ সপ্তাহ আগে বোমা ফাটালেন দলত্যাগী আপ নেতা আদর্শ শাস্ত্রী। শনিবার তিনি আম আদমি পার্টি ছেড়ে কংগ্রেসে যোগ দেন।  নতুন দলে এসেই তাঁর দাবি, টিকিট দেওয়ার বিনিময়ে তাঁর কাছ থেকে ১০ কোটি টাকা চেয়েছিলেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল।

Updated By: Jan 18, 2020, 08:35 PM IST
টিকিট দেওয়ার জন্য ১০ কোটি টাকা চেয়েছিলেন কেজরি, বিস্ফোরক অভিযোগ আপ বিধায়কের

নিজস্ব প্রতিবেদন: দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনের ৩ সপ্তাহ আগে বোমা ফাটালেন দলত্যাগী আপ নেতা আদর্শ শাস্ত্রী। শনিবার তিনি আম আদমি পার্টি ছেড়ে কংগ্রেসে যোগ দেন।  নতুন দলে এসেই তাঁর দাবি, টিকিট দেওয়ার বিনিময়ে তাঁর কাছ থেকে ১০ কোটি টাকা চেয়েছিলেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল।

আরও পড়ুন-অভিনন্দন যাত্রায় 'আক্রান্ত' দিলীপ ঘোষ, ট্যাবলো ভাঙচুরের অভিযোগ

শনিবার দিল্লিতে এক সাংবাদিক সম্মেলন করে আদর্শ শাস্ত্রী দাবি করেন, দ্বারকা বিধানসভা আসনে টিকিট দেওয়ার জন্য তাঁর কাছে ওই বিপুল টাকা দাবি করা হয়। প্রসঙ্গত, ওই আসনের গতবার নির্বাচিত হয়েছিলেন আদর্শ। এবারও ফের নির্বচনের জন্য টিকিট চান দলের কাছে।

প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী লাল বাহাদুর শাস্ত্রীর পৌত্র আদর্শ আম আদমী পার্টির প্রতিষ্ঠাতা সদস্যদের মধ্যে অন্যতম। দলের জাতীয় মুখপাত্রের দায়িত্বে ছিলেন আদর্শ। এছাড়াও সহ-আহ্বায়কের দায়িত্বও পালন করেছেন তিনি। ২০১৫ সালে দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনে দ্বারকা বিধানসভা আসন থেকে ৫৯.০৮ শতাংশ ভোট  পেয়ে বিজয়ী হন তিনি।  এবারের বিধানসভা নির্বাচনে তাঁর জায়গায় দ্বারকা আসনে আপের প্রার্থী হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে বিনয় কুমার মিশ্রকে। এতেই ক্ষোভে দল ছাড়েন আদর্শ।  সোমবারই আপ-এ যোগ দিয়েছেন বিনয় কুমার।

আরও পড়ুন-পথ দুর্ঘটনায় গুরুতর জখম শাবানা আজমি, দেখুন দুর্ঘটনাস্থলের Exclusive ছবি

দিল্লি বিধানসভার ভোটগ্রহণ করা হবে ৮ ফেব্রুয়ারি। গণনা হবে ১১ ফেব্রুয়ারি।  ভোট নেওয়া হবে একদফায়। সত্তর আসনের দিল্লি বিধানসভার মেয়াদ শেষ হচ্ছে ২২ ফেব্রুয়ারি। তার আগেই শপথ নিতে হবে নতুন সরকারকে।  দিল্লি বিধানসভার ফলাফল কেজরিওয়ালের সঙ্গে বিজেপির কাছেও এক বড় চ্যালেঞ্জ।  গত একবছরে পাঁচ রাজ্যে ক্ষমতা হারিয়েছে বিজেপি। ফলে এবার দিল্লিতে বড় পরীক্ষার সামনে বিজেপি।

 উল্লেখ্য, ২০১৫ সালে দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনে রাজ্যের ৭০ আসনের মধ্যে ৬৭ আসন পেয়েছিল আম আদমি পার্টি। খাতা খুলতে পারেনি কংগ্রেস। বিজেপি থেমে যায় মাত্র ৩টি আসনেই। তবে এবারের পরিস্থিতি খানিকটা হলেও ভিন্ন। দুপক্ষের জন্যই তা সত্যি।