কমল নাথের মন্তব্যের জেরে বিরোধী জোটে ভিন্নসুর প্রকাশ্যে

বিতর্কের আগুনে মঙ্গলবার ঘি ঢাললেন সমাজবাদী পার্টির সভাপতি অখিলেশ যাদব। তিনি কমল নাথের অভিযোগ সরাসরি অস্বীকার করলেন।

Updated By: Dec 18, 2018, 05:22 PM IST
কমল নাথের মন্তব্যের জেরে বিরোধী জোটে ভিন্নসুর প্রকাশ্যে

নিজস্ব প্রতিবেদন: মুখ্যমন্ত্রীর চেয়ারে বসেই বিতর্কে জড়ালেন কংগ্রেসের কমল নাথ। তাঁর মন্তব্যের জেরে ফের প্রকাশ্যে চলে এল বিরোধী জোটের ফাটল। সরাসরি তাঁর মন্তব্য নাকচ করে দিলেন বিরোধী জোটের অন্যতম মুখ অখিলেশ যাদব।

সোমবার মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিয়েছেন কমল নাথ। তার পরই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েছিলেন তিনি। সেখানে নানা কথার ফাঁকে তাঁর মুখে শোনা যায় আক্ষেপ। তাঁর কথায়, বিহার আর উত্তরপ্রদেশ থেকে সবাই এসে মধ্যপ্রদেশে ভিড় জমাচ্ছেন। আর তার জেরে মধ্যপ্রদেশে বেকারত্ব বাড়ছে।

আরও পড়ুন: ছয় বছর পর ভারতে ফিরছে পাক জেলে বন্দি মুম্বইয়ের ইঞ্জিনিয়ার

এর পরই কমল নাথ বুঝিয়ে দেন যে তিনি এই সমস্যার সমাধান করতে বদ্ধপরিকর। তাই তিনি রাজ্যের বেসরকারি সংস্থাগুলির উদ্দেশ্যে জানিয়ে দেন, সরকারি সুবিধা নিতে গেলে কোনও সংস্থাকে ৭০ শতাংশ মধ্যপ্রদেশের লোক নিয়োগ করতে হবে।

এর পরই শুরু হয় বিতর্ক। কারণ, এর আগেও মহারাষ্ট্র, গুজরাত, অসমে অন্য রাজ্যের বাসিন্দাদের তাড়িয়ে দেওয়ার ঘটনা দেখা গিয়েছে। এ নিয়ে গোলমাল চলেছে। ফলে কমল নাথের এই মন্তব্য সামনে আসতেই বিতর্ক চরমে উঠেছে।

 

আর সেই বিতর্কের আগুনে মঙ্গলবার ঘি ঢাললেন সমাজবাদী পার্টির সভাপতি অখিলেশ যাদব। তিনি কমল নাথের অভিযোগ সরাসরি অস্বীকার করলেন। তাঁর পাল্টা দাবি, মহারাষ্ট্রে একই কথা শোনা গিয়েছিল। উত্তর ভারতের লোকেরা কেন সেখানে যায়, প্রশ্ন তোলা হয়েছিল। কেন সেখানে চাকরি নেয় বলে অভিযোগ করা হয়েছিল। দিল্লিতেও একই কথা শোনা গিয়েছিল। এবার মধ্যপ্রদেশে।

আরও পড়ুন: উর্জিত প্যাটেলকে ইস্তফা দিতে বলেনি কেন্দ্র, বললেন জেটলি

বিরোধীদের সকলের লক্ষ্য আগামী বছর লোকসভা ভোটে বিজেপিকে হারানো। নরেন্দ্র মোদীকে প্রধানমন্ত্রীর কুর্সি থেকে হঠানো। আর সেই জন্য সমস্ত বিরোধী দল একজোট হওয়ার চেষ্টা করছে। কিন্তু তিন রাজ্যে কংগ্রেসের সাফল্যের পর মাঝমধ্যেই জোটে ফাটল লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তিন রাজ্যে শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে সমস্ত বিরোধী দল হাজির হয়নি। আবার রাফালে নিয়ে কংগ্রেসের ভিন্নসুর শোনা গিয়েছে অখিলেশের মুখে। এদিন আবার তিনি কংগ্রেসের মুখ্যমন্ত্রীর বিরোধিতায় সরব হলেন। ফলে আগামী দিনে এই জোট কতটা দানা বাঁধতে তা নিয়ে এখনই প্রশ্ন উঠছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।