)
জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: আইপিএস অফিসারকে উদ্দেশ করে ‘খালিস্তানি’ মন্তব্য। এক্সে সরব কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধী। রাজনৈতিক বাজার গরম করতে ঘৃণার চাষ চলছে। সমাজে বিষ ছড়াচ্ছে বিজেপি। বিষক্রিয়ায় অন্ধরা কৃষক, জওয়ান কাউকে দেখতে পাচ্ছে না। এক্সে পোস্ট রাহুল গান্ধীর, রিপোস্ট তৃণমূল কংগ্রেসের। ‘খালিস্তানি’ মন্তব্যের অভিযোগ বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে।
খালিস্তানি বিতর্কে জলঘোলা। ভাবাবেগে আঘাত দণ্ডনীয় অপরাধ। আইন মোতাবেক ব্যবস্থা। কড়া হুঁশিয়ারি এডিজি দক্ষিণবঙ্গের। রাজ্য পুলিসের বিবৃতিতেও চড়া সুরে নিন্দা। এমনকী বিরোধী দলনেতার বিরুদ্ধে কোর্টে নালিশের তোড়জোড়। এক্স হ্যান্ডেলে রাহুল গান্ধী লেখেন, 'নিজেদের রাজনৈতিক বাজার সাজানোর জন্য বিজেপির চাষ করা ঘৃণার ক্ষেতের বিষ গোটা সমাজে ছড়িয়ে পড়েছে। এই বিষে অন্ধ মানুষ চাষীদের দেখতে পাচ্ছেন না, জওয়ানদের দেখতে পাচ্ছে না এমনকী খাকি উর্দির সম্মানও নেই তাদের কাছে। দেশ আইপিএস যশপ্রীত সিংয়ের পাশে আছে।'
अपना ‘राजनीतिक बाज़ार’ सजाने के लिए भाजपा द्वारा की गई ‘नफरत की खेती’ का ज़हर समाज में फैल चुका है।
— Rahul Gandhi (@RahulGandhi) February 20, 2024
इस ज़हर से अंधे हो चुके लोग न किसान देख रहे हैं, न जवान और न ही खाकी का सम्मान।
देश IPS जसप्रीत सिंह के साथ है। https://t.co/iL6QnQEmin
তবে খালিস্তানি বিতর্কের মধ্যেও নাছোড় বিজেপি। দলদাস পুলিস। মমতার পুতুল। সন্দেশখালিতে শুভেন্দুকে আটকানোর চেষ্টায় আদালত অবমাননা। পাগড়িকাণ্ডের পুরনো ভিডিও দিয়েই খোঁচা। ডিজিকে ট্যাগ করে পোস্ট শিশির বাজোরিয়ারও। এদিকে ‘খালিস্তানি’ বিতর্কে রাজ্য পুলিসের বিবৃতি। বিরোধী দলনেতার নাম করে মন্তব্যের তীব্র নিন্দা বিবৃতিতে। আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের আর্জি।
পশ্চিমবঙ্গ পুলিসের এক্স হ্যান্ডলে লেখা হয়েছে, আমাদের এক অফিসারকে বিরোধী দলনেতা খালিস্তানি বলায় আমরা ক্ষুব্ধ। অফিসারের ‘অপরাধ’ তিনি একজন গর্বিত শিখ এবং দক্ষ পুলিস অফিসার। তিনি আইনশৃঙ্খলা প্রয়োগের চেষ্টা করেছেন। এই মন্তব্য জাতি বিদ্বেষমূলক ও বিভেদমূলক। এটা ফৌজদারি অপরাধ। ধর্মীয় পরিচয় ও ধর্মবিশ্বাস নিয়ে আক্রমণের নিন্দা করি। এই ধরনের মন্তব্য হিংসা ও আইনভঙ্গে উস্কানি দেয়। কঠোর আইনি ব্যবস্থার প্রক্রিয়া শুরু হবে।
খালিস্তানি মন্তব্য বিতর্কের রাজ্য পুলিসকে বিজেপির পাল্টা। পুলিস শাসকের দলদাসের মতো কাজ করছে। ‘পুলিস কাজ করলে সন্দেশখালির এই পরিস্থিতি হতো না। বিরোধী দলনেতাকে আটকানোর চেষ্টা করেছিল পুলিস। পুলিস আদালত অবমাননা করেছে। রাজ্য পুলিস মমতার হাতের পুতুল হয়ে কাজ করছে এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ধর্মকে টেনে আনা হচ্ছে। ২০২০ সালে ৯ অক্টোবরের পাগড়ি-কাণ্ডের ভিডিয়ো পোস্ট। ভিডিয়ো পোস্ট করেও খোঁচা দিতে ছাড়ল না বিজেপি।
(দেশ, দুনিয়া, রাজ্য, কলকাতা, বিনোদন, খেলা, লাইফস্টাইল স্বাস্থ্য, প্রযুক্তির টাটকা খবর, আপডেট এবং ভিডিয়ো পেতে ডাউনলোড-লাইক-ফলো-সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের App, Facebook, Whatsapp Channel, X (Twitter), Youtube, Instagram পেজ-চ্যানেল)