'ভেঙে পড়ার কিছু হয়নি', রাজধানীতে বিজেপি ধরাশায়ী হওয়ার মুহূর্তেও কর্মীদের টোটকা মনোজের

পাশাপাশি, মনোজ তিওয়ারি এটাও স্বীকার করে নেন যে দিল্লিতে অরবিন্দ কেজরিওয়ালের সঙ্গে এঁটে উঠতে পারেননি তাঁরা।

Edited By: সুদেষ্ণা পাল | Updated By: Feb 11, 2020, 02:19 PM IST
'ভেঙে পড়ার কিছু হয়নি', রাজধানীতে বিজেপি ধরাশায়ী হওয়ার মুহূর্তেও কর্মীদের টোটকা মনোজের

নিজস্ব প্রতিবেদন : দিল্লিতে ফের আপ (AAP) বিজয়। ঝাড়ু ঝড়ে মুখ থুবড়ে পড়েছে পদ্মফুল। তৃতীয়বারের জন্য দিল্লির কুর্সিতে অরবিন্দ কেজরিওয়ালের (Arvind Kejriwal) ফেরা নিশ্চিত হয়ে গিয়েছে। তবে এত কিছুর মধ্যেও দলীয় কর্মীদের মনোবল চাঙ্গা রাখতে তৎপর দিল্লি বিজেপি (BJP) প্রধান মনোজ তিওয়ারি (Manoj Tiwari)। দলীয় কর্মীদের উদ্দেশে তাঁর বার্তা, "ভেঙে পড়ো না। এখনও ভেঙে পড়ার মতো কিছু হয়নি।"

এগজিট পোলের সমীক্ষা বলেছিল, অরবিন্দ কেজরিওয়ালের হাত ধরে দিল্লিতে আপের ফেরা নিশ্চিত। কিন্তু তাতে আমল দেননি মনোজ তিওয়ারি। টুইট বার্তায় লেখেন, "এগজিট পোলের পর এবার এক্সাক্ট পোলের সময়। ৪৮-এর বেশি আসনে জিতব আমরা। অবাক হব না যদি আমরা ৫৫টি আসনও পেয়ে যাই।" কিন্তু মঙ্গলবার সকালে গণনা শুরু হতেই দেখা যায়, মনোজ তিওয়ারির কথা বুমেরাং হয়ে গিয়েছে। সময় যত এগিয়েছে, তত স্পষ্ট হয়েছে আপের দিল্লি বিজয়ের ছবিটা। আর ততই নিশ্চিত হয়েছে বিজেপির পরাজয়।

প্রসঙ্গত, দিল্লিতে সরকার গঠনের জন্য সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণ করতে কোনও দলের ৩৬টি আসন প্রয়োজন। সেখানে ফলাফল বলছে, এখনও পর্যন্ত আপ এগিয়ে রয়েছে ৫৮টি আসনে আর বিজেপি মাত্র ১২টিতে। এই পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়েও বিজেপি কর্মীদের ভেঙে না পড়তে, মনোবল চাঙ্গা রাখার বার্তা দেন মনোজ তিওয়ারি। দলীয় কর্মীদের উদ্দেশে দিল্লি বিজেপি প্রধানের বার্তা, "এখনও ভেঙে পড়ার মতো কিছু হয়নি।"

তিনি বলেন, "গণনার অনেক রাউন্ড আছে। তাই আমি আমাদের কর্মীদের বলব এখনই ভেঙে পড়ার কোনও প্রয়োজন নেই।" দাবি করেন, "আমরা ভালো জায়গাতেই আছি। ২৭টি আসনে আপ ও বিজেপির মধ্যে মাত্র ১০০০ ভোটের তফাৎ রয়েছে। তাই যেকোনও কিছু ঘটতে পারে।"

আরও পড়ুন, পিছিয়ে সিসোদিয়া, শাহিনবাগের আন্দোলনকে সমর্থন করাতেই কি এই হাল!

তবে পাশাপাশি, মনোজ তিওয়ারি এটাও স্বীকার করে নেন যে দিল্লিতে অরবিন্দ কেজরিওয়ালের সঙ্গে এঁটে উঠতে পারেননি তাঁরা। তাঁর কথায়, "ভোটাররা এখন যথেষ্ট পরিণত। লোকসভা, বিধানসভা বা স্থানীয় নির্বাচন, যেটাই হোক, তাঁরা পরিস্থিতি বিবেচনা করে ভোট দেন। একের সঙ্গে অন্যটির চরিত্র মেলে না। হতে পারে কেজরিওয়াল যা করেছেন বা প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, আমরা তা করে উঠতে পারিনি।"