ফিটনেসের কোন পর্যায় রয়েছেন, এক সেকেন্ডে প্রমাণ করে দিলেন ঋষভ পন্থ

পন্থের সেই কসরত দেখে আপ্লুত ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া। 

Updated By: Jan 4, 2019, 01:15 PM IST
ফিটনেসের কোন পর্যায় রয়েছেন, এক সেকেন্ডে প্রমাণ করে দিলেন ঋষভ পন্থ

নিজস্ব প্রতিবেদন : দুই কারণে তিনি অস্ট্রেলিয়ায় হিট। এক, ব্যাট হাতে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স। দুই, অজিদের স্লেজিং হজম না করে পাল্টা আক্রমণ। তবে একটা কারণে তিনি অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে এখনও ফ্লপ। কিপিংয়ের ক্ষেত্রে তিনি এখনও একশোয় একশো পাওয়ার মতো জায়গায় পৌঁছতে পারেননি। এই যেমন সিডনি টেস্টের দ্বিতীয় দিনেও উসমান খোয়াজার ক্যাচ ফস্কালেন ঋষভ পন্থ। সহজ ক্যাচ। সেটাও গলিয়ে ফেললেন ভারতীয় কিপার। যা নিয়ে সকাল থেকেই বিস্তর সমালোচনা হজম করতে হচ্ছে পন্থকে। তবে ক্যাচ ফস্কানোর দোষ কিছুটা মাফ হচ্ছে তাঁর সেঞ্চুরির দৌলতে। 

আরও পড়ুন-  ঋষভ পন্থের দেড়শো, জাদেজার ৮১! বিশাল রানের চাপে কোণঠাসা অস্ট্রেলিয়া

মাঠের স্লেজিং তাঁকে ক্রিকেট সার্কিটে জনপ্রিয় করে তুলেছে। তবে এখনও ধোনির সঙ্গে তাঁর তুলনা প্রসঙ্গ চলছে। অনেকে বলছেন, কিপিংয়ে ধোনির থেকে অনেকটাই পিছিয়ে রয়েছেন পন্থ। কেউ কেউ আবার বলছেন, পন্থ আসলে ধোনির মতো ফিট নন। তাই সমস্যা হচ্ছে। তিনি ধোনির মতো কিপিং এক্সপার্ট হয়ে উঠতে পারবেন কি না সেটা সময় বলবে। তবে ফিটনেসে যে তাঁর কোনও সমস্যা নেই, সেটা এক সেকেন্ডে প্রমাণ করে দিলেন পন্থ। দ্বিতীয় সেশন শুরুর আগে মাঠে এমন একটা কসরত দেখালেন যে সবাই হা হয়ে গেল। ফিটনেসের চরম পর্যায় না থাকলে কিন্তু কারও পক্ষে এমন শারীরিক কসরত করা সম্ভব নয়। 

আরও পড়ুন-  ১৯৩ রানে থামলেন পূজারা! বড় রানের লক্ষ্যে এগোচ্ছে ভারত

পন্থের সেই কসরত দেখে আপ্লুত ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া। তারা নিজেদের ওয়েবসাইটে পন্থের একটি ভিডিও তুলে ধরল। ইংরেজিতে এই ধরণের কসরতকে বলা হয় কিপ-আপ। মাথার পিছন দিকের মাটিতে দুই হাতে ভর করে এক ঝটকায় উঠে দাঁড়ানো! এটাই আসলে কিপ-আপ। আপাতদৃষ্টিতে দেখলে মনে হবে এটা কোনও ব্যাপারই নয়। তবে এই ধরণের শারীরিক কসরত করতে হলে ফিটনেসের চূড়ান্ত পর্যায় থাকতে হয়। হনুমা বিহারি ৪২ রানে আউট হওয়ার পর নেমেছিলেন পন্থ। চা বিরতির আগেই তিনি ৮৮ রান করে ফেলেন। এর পর অন্যদিনের মতো আক্রমণাত্মক খেললেন না। বরং সমঝে বুঝে ব্যাটিং করে সেঞ্চুরি হাঁকালেন পন্থ। এরই মাঝে ড্রিঙ্কস ব্রেকের সময় নিজের ফিটনেস দেখালেন পন্থ। অনেকে তাঁর এমন শারীরিক কসরত দেখার পর তাঁকে ক্রিকেটার ও একইসঙ্গে জিমন্যাস্ট বলে অভিহীত করলেন।