গাফিলতির অভিযোগে বদলে দেওয়া হলো বিশ্বভারতীর উপাচার্যের নিরাপত্তারক্ষীকে

উপাচার্যের ব্যক্তিগত নিরাপত্তার দায়িত্বে যে রক্ষী ছিলেন তাঁকে সরিয়ে দিয়ে বৃহস্পতিবার নতুন এক নিরাপত্তারক্ষী নিয়োগ করা হয়েছে

Edited By: অধীর রায় | Updated By: Aug 20, 2020, 03:20 PM IST
গাফিলতির অভিযোগে বদলে দেওয়া হলো বিশ্বভারতীর উপাচার্যের নিরাপত্তারক্ষীকে
ফাইল চিত্র

নিজস্ব প্রতিবেদন:  দায়িত্বের গাফিলতির অভিযোগে বদলে দেওয়া হলো বিশ্বভারতীর উপাচার্যের ব্যক্তিগত নিরাপত্তারক্ষীকে। পৌষমেলার মাঠ-সহ বেশ কিছু এলাকা জুড়ে প্রাচীর দেওয়াকে কেন্দ্র বির্তকের মাঝেই সশস্ত্র ৪ নিরাপত্তারক্ষীকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল। এবার নতুন করে উপাচার্যের ব্য়ক্তিগত নিরাপত্তারক্ষীর বদল নিয়ে শুরু হয়েছে চাপান-উতর।

পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, উপাচার্যের ব্যক্তিগত নিরাপত্তার দায়িত্বে যে রক্ষী ছিলেন তাঁকে সরিয়ে দিয়ে বৃহস্পতিবার নতুন এক নিরাপত্তারক্ষী নিয়োগ করা হয়েছে। পুরনো নিরাপত্তারক্ষীর বিরুদ্ধে অভিযোগ, স্থানীয় থানার আইসি এবং মহকুমা শাসকের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেছেন তিনি। সেইসঙ্গে থানার সঙ্গে কোনও অবস্থাতেই সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেননি বলে অভিযোগ।

আরও জানা যাচ্ছে, ওই নিরাপত্তারক্ষী বিশ্বভারতীর উপাচার্যের নিরাপত্তা দেওয়ার জন্য নিযুক্ত হলেও তিনি ডিউটি করতেন বিশ্বভারতীর একজন মহিলা অধ্যাপকের নিরাপত্তারক্ষী হিসেবে। সেই মহিলা অধ্যাপক কোনওভাবেই সরকারি নিরাপত্তা পান না। দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিসকর্মীর বিরুদ্ধে অভিযোগ এই খবর তাঁর উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে জানাননি তিনি। তাই তাঁকে ক্লোজ (সাময়িকভাবে দায়িত্ব থেকে অব্যহতি)করে বৃহস্পতিবার উপাচার্যের জন্য নতুন নিরাপত্তারক্ষী নিয়োগ করে জেলা প্রশাসন।

উল্লেখ্য, যে ৪ জন নিরাপত্তারক্ষী বিশ্বভারতীর নিরাপত্তায় নিযুক্ত ছিলেন তাঁদের দায়িত্ব ছিল শুধুমাত্র বিশ্বভারতীর ভিতরের আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করার। বাইরে কী হচ্ছে তা দেখার দায়িত্ব ছিল না। গত ১৬ই অগস্ট উপাচার্যের সঙ্গে পৌষমেলার ময়দানে তাঁদের দেখা যায়। তাঁরা বিশ্বভারতীর নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিলেন উপাচার্যের নয়। জেলা প্রশাসন বা স্থানীয় থানার অনুমতি না নিয়েই উপাচার্যের মিছিলে সামিল হওয়ার সময় তাঁরা ছিলেন। সূত্রে খবর, সেইকারণে ওই ৪ পুলিসকর্মীকেও ক্লোজ করা হয়। সেই জায়গায় নতুন ৪ জন পুলিসকর্মী বিশ্বভারতীর নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োগ হয়েছেন। এই পাঁচ পুলিসকর্মীকে নিয়ে পুনরায় তদন্ত না হওয়া পর্যন্ত তাঁদের ক্লোজ(সাময়িকভাবে দায়িত্ব থেকে অব্যহতি)করে রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জেলা প্রশাসন।

আরও পড়ুন: মুক্তি চান তৃণমূল বিধায়ক, ফেসবুক পোস্ট ঘিরে জোর জল্পনা