শীতে কাঁপছে রাজ্য, কলকাতায় সর্বনিম্ন ১১.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস
হাঁড় কাঁপানো শীত, পুরুলিয়ায় খড়ের উপর মিলল বরফ! দেখুন কী জানালেন আবহাওয়াবিদরা
রাজ্যজুড়ে নিম্নমুখী পারদ, পৌষের শুরুতেই কনকনে ঠান্ডার আমেজ
বিহারে শৈত্যপ্রবাহের জেরে বঙ্গে ফের ঠান্ডার কামড়।
ঋতু পরিবর্তনের এই সময়ে অতিরিক্ত সাবধানতা অবলম্বনের পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিত্সকরা। তাঁদের পরামর্শ, রাতে ফ্যান চালিয়ে শোয়ার ব্যাপারে সাবধান হওয়া উচিত।
মুম্বই শহরের মেয়েকে যখন ঠান্ডার মধ্যে মধ্যপ্রদেশের ভোপালে শ্যুটিং করতে হয়, তখন তাঁর জবুথবু অবস্থা হওয়াটাই স্বাভাবিক নয় কি?
বড়দিনের আগে জাঁকিয়ে ঠান্ডা পড়তে চলেছে। জানাচ্ছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর।
নামছে পারদ। আগামী কয়েকদিনে আরও নামবে পারদ।
শীতকাল প্রায় যাই যাই বলছে। শীত কমে গেলেও কুয়াশা মোটেই কম হচ্ছে না। রোজ সকালে ভারী কুয়াশায় ঢেকে যাচ্ছে চারিদিক। আর বেলা বাড়তেই বাড়ছে গরম। আর ঠিক এই সময়েই হতে পারে নানা রকম অসুখ। কীভাবে নিজেকে সেই সব অসুখের হাত থেকে রক্ষা করবেন? জেনে নিন-
হুঝং এলাকা চিনের অন্যতম শীতলতম জায়গা হিসাবে পরিচিত। ওয়াং জানাচ্ছেন, শুধু ডিমই নয় ন়ুডুলস বানাতে গিয়ে এমন বিপদে পড়তে হয়েছে তাঁকে। নুডুলসও জমে কাঠ হয়ে গিয়েছে বলে জানান তিনি।
শুক্রবার বিকেলে আলিপুর থেকে প্রকাশিত পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে, সপ্তাহের শেষে কলকাতার তাপমান নামতে পারে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নীচে। শৈত্য প্রবাহের পূর্বাভাস রয়েছে পুরুলিয়া-সহ পশ্চিমের জেলাগুলির জন্য। শীতের কামড় শক্ত হবে দুই দিনাজপুর ও মালদায়।
শনিবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে ১৬.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। স্বাভাবিকের থেকে যা ১ ডিগ্রি বেশি।
নিম্নচাপের ফাঁড়া কাটিয়ে অবশেষে বঙ্গে পড়তে শুরু করল জাঁকিয়ে শীত। মঙ্গলবার রাতে আলিপুরের তাপমাত্রা ছিল স্বাভাবিকের থেকে ১ ডিগ্রি কম। পশ্চিমি ঝঞ্ঝা সক্রিয় হওয়ায় শৈত্যপ্রবাহ শুরু হয়েছে উত্তরভারত জুড়ে। তার জেরেই লাফিয়ে নামতে শুরু করেছে বঙ্গের তাপমাত্রা। সপ্তাহান্তে জাঁকিয়ে ঠান্ডা পড়তে চলেছে বলে আশায় বুক বাঁধছেন শীতপ্রেমী জনতা।
ঘূর্ণিঝড় ভরদা এখন অতীত। আকাশ পরিস্কার। তাই তরতর করে নামছে তাপমাত্রার পারদ। ক্রমশ ক্রিজে জাঁকিয়ে বসছে শীত। আপাতত তার চওড়া ব্যাটে লম্বা ইনিংসেরই ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। একধাক্কায় আজ তাপমাত্রা নামল ১৪.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসে, স্বাভাবিকের থেকে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১ ডিগ্রি কম। এই মরসুমে এখনও পর্যন্ত আজই শীতলতম দিন।
শীতে জবুথবু? ঠান্ডা জলে স্নান করতে ভয়? ভরসা গরম জল? সাহস করে রোজ সকালে ঠান্ডা জলেই স্নান করুন। বাড়বে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা। সুস্থ ও সতেজ থাকবে হার্ট। ব্লাড প্রেশার থাকবে স্বাভাবিক। দিনভর থাকবেন এনার্জিতে ভরপুর।
শীতকাল তো প্রায় এসেই গেল। ঠোঁট ফাটা, শুষ্ক ত্বক, ঠান্ডা লাগা, জ্বর, এছাড়া ত্বক এবং চুলের নানা সমস্যা লেগেই থাকে এই সময়ে। শিশুদের ক্ষেত্রে ঠান্ডা লাগার সমস্যা এবং ত্বকের সমস্যা খুবই প্রকট আকারে দেখা দিতে পারে শীতকালে। এর থেকে কীভাবে বাঁচবেন? জেনে নিন।
আমরা উষ্ণ রক্তের প্রাণী। তাই সবরকম আবহাওয়ায় আমাদের শরীরের তাপমাত্রা আবহাওয়ার সঙ্গে মানানসই থাকে। অর্থাত্, আবহাওয়ার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে আমাদের ত্বকের তাপমাত্রা বদলায়। যেমন গরমে আমাদের ত্বক ঠান্ডা থাকে। আবার ঠান্ডায় গরম। কিন্তু আামদের মধ্যে অনেকেরই ত্বকের তাপমাত্রার একটা সমস্যা দেখা দেয়। কারও কারও সারাবছরই হাত পায়ের তালু ঠান্ডা থাকে। এই সমস্যা আমাদের অনেকের মধ্যেই দেখা দেয়। কিন্তু ঠিক কি কারণে এমনটা হয়, তা আমরা অনেকেই জানি না।