ইউনিসেফের একটি সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, বেশি চিনিযুক্ত খাদ্য-পানীয় খেয়ে ওজন বেশি হওয়ার বিপদের মুখোমুখি বিশ্বের অধিকাংশ শিশুই। ফলে সার্বিক ভাবে সকলকেই সচেতন হতে হবে।
'কয়লা উৎপাদন ক্ষেত্রে বাণিজ্যকরণ দেশের সামগ্রিক কয়লা ক্ষেত্রকে চরম বিপর্যয়ের মুখে ঠেলে দেওয়ার সামিল।'
Bharti Airtel-এর এফডিআই ১০০ শতাংশ করার পক্ষে অনুমোদন দিয়েছে কেন্দ্রীয় টেলিকম দপ্তর (ডিওটি)।
মঙ্গলবার নাগপুরে তিনি জানান, অর্থনীতিকে চাঙ্গা করতে বিদেশি বিনিয়োগ এবং বেসরকারিকরণ প্রয়োজন। তবে, ভারতের স্বার্থে এই বিনিয়োগ হওয়া উচিত বলে দাবি করেন ভগবত্
বিদেশি লগ্নি টানতে নরেন্দ্র মোদীর ট্রাম্প কার্ড এখন জিএসটি। আমেরিকায় শিল্পপতিদের সঙ্গে বৈঠকে এই বার্তাই দিলেন প্রধানমন্ত্রী। বললেন, গত তিন বছরে কেন্দ্রের নীতির কারণে ভারতে শিল্প বান্ধব পরিবেশ তৈরি হয়েছে। জিএসটি কার্যকর হলে, বিদেশি লগ্নির সুবিধা আরও বাড়বে। ওয়াশিংটনের অ্যাপেল, গুগুল, অ্যামাজন, মাস্টারকার্ড সহ প্রথম সারির ২০টি সংস্থার সিইও-দের সঙ্গে বৈঠক করেন মোদী। ওয়াশিংটনের উইলার্ড হোটেলে প্রায় ঘণ্টাখানেক বৈঠক হয়। ভারতে লগ্নির বিষয়ে উত্সাহ দেখিয়েছে মার্কিন শিল্পমহলও।
বিদেশি বিনিয়োগ বা FDI-এর ক্ষেত্রে শিথিল করা হচ্ছে নিয়মাবলী। ফরেন ডাইরেক্ট ইনভেস্টমেন্ট বোর্ড(FIPB)-কে ভেঙে দিয়ে এবার FDI-এর ক্ষেত্রে নতুন ব্যবস্থা নেওয়ার কথা আজ সংসদে ঘোষণা করেন অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি। ২০১৭-১৮ অর্থবর্ষের জন্য আজ কেন্দ্রীয় বাজেট পেশ করা হয়।
সরকারের দুবছর পুরো হতেই সংস্কারের হাতুড়ি মারলেন মোদী। হাট করে খুলে দেওয়া হল দেশীয় বাজারের দরজা। প্রতিরক্ষা, অসামরিক উড়ান, ওষুধশিল্প সবেতেই ১০০ শতাংশ বিদেশি লগ্নির অনুমতি।
রাজ্যসভায় পাস হয়ে গেল বিমা বিল। পথটা পরিস্কার করে দিল খোদ কংগ্রেসই। বিলকে সমর্থন করেছে তারা। আর তাতেই ধ্বনি ভোটে পাস হয়ে গেল বিমা বিল। এই বিলের 'সৌজন্যে' বিমা ক্ষেত্রে প্রত্যক্ষ বিদেশী বিনিয়োগ ২৬% থেকে বেড়ে এবার থেকে ৪৯%।
চিকিত্সার যন্ত্রপাতিতে এবার ১০০ শতাংশ বিদেশি বিনোয়োগ অনুমোদন করল কেন্দ্রীয় কেন্দ্রীয় সরকার। বর্তমানে চিকিত্সার যন্ত্রপাতি পড়ে ফার্মাসিউটিক্যাল সেক্টরের আওতায়।
MAKE IN INDIA-অভিযানের সূচনা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। বিশ্বজুড়ে শিল্পোদ্যোগীদের প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান, প্রোডাক্ট যে বাজারেই বিক্রি করা হোক, তার উত্পাদন হোক এদেশেই। দেশের উত্পাদন ক্ষেত্র চাঙ্গা করতেই এই সিদ্ধান্ত নরেন্দ্র মোদীর। কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে এই অভিযান বড় ভূমিকা পালন করবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন তিনি। বিদেশী পুঁজি টানার প্রশ্নে আরও জোর দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
আর্থিক হাল ফেরাতে উত্পাদন বৃদ্ধিতেই জোর দিলেন প্রধানমন্ত্রী। লালকেল্লার মঞ্চ থেকে নরেন্দ্র মোদীর বার্তা, আমদানি কমিয়ে বাড়াতে হবে রফতানি। চাকরি প্রার্থী নয়, তরুণ সম্প্রদায়কে নিতে হবে শিল্পোদ্যোগের দায়িত্ব।
বিমা বিল নিয়ে সরগরম রাজধানীর রাজনীতি। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব বিল পাশ করাতে কোমর বেঁধে নেমেছে কেন্দ্রীয় সরকার।
প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে ৪৯% ও রেলওয়ে পরিকাঠামোতে ১০০% এফডিআই-এ সম্মতি জানাল কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে বুধবার সন্ধেবেলা এক বৈঠকে এই সিদ্ধন্ত গৃহীত হয়। দু'সপ্তাহ আগেই বিমা ক্ষেত্রে সরাসরি বিদেশী বিনিয়োগের এর পরিমাণ ২৬ থেকে বাড়িয়ে ৪৯% করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল কেন্দ্র। সেই নিয়ে বিতর্ক আজও অব্যাহত।
বিমায় উনপঞ্চাশ শতাংশ প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগে ছাড়পত্র দিল কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা। প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগের পরিমাণ ছাব্বিশ থেকে উনপঞ্চাশ শতাংশে নিয়ে যেতে সংসদের চলতি অধিবেশনেই পেশ হবে বিমা সংশোধনী বিল। বিল পাশ হলে সারা দেশে চল্লিশ থেকে ষাট হাজার কোটি টাকার বিদেশি লগ্নি আসবে বলে মনে করছেন বিমাশিল্পের কর্তারা।
রেল বাজেটের মতোই সাধারণ বাজেটেও বঞ্চিত বাংলা। এই অভিযোগে ফেসবুকে সরব হলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বাজেটকে ভিশনলেস, মিশনলেস এবং অ্যাকশনলেস বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর কথায়, এই সরকার অফ দ্য এফডিআই, বাই দ্য এফডিআই, ফর দ্য এফডিআই। নয়া সরকার রাজনৈতিক প্রতিহিংসামূলক মনোভাব নিয়ে কাজ করছে বলেও অভিযোগ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। রেলবাজেটে দুটো ট্রেন ছাড়া কিছুই মেলেনি। সাধারণ বাজেটেও তেমন কিছু পেল না বাংলা।
প্রত্যাশা মতই নতুন সরকার প্রথম বাজেটেই ঢালাও বিদেশী বিনিয়োগে সবুজ সংকেত দিল। বাজেট প্রস্তাব পাঠের শুরুতেই সরকারের মনোভাব স্পষ্ট করে দেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী। পরবর্তী দুঘণ্টায় এক এক করে ডানা মেলেছে সরকারের এক একটি সংস্কারি পরিকল্পনা।
মোদী সরকারের প্রথম রেল বাজেটে রাজ্যের প্রাপ্তি কার্যত শূন্য। ঘোষিত মোট ৫৮টি ট্রেনের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গ পেয়েছে মাত্র দুটি। একটি ট্রেনের যাত্রাপথ বাড়ানো হয়েছে। গোটা বাজেটে আর কোথাও বাংলার উল্লেখ পাওয়া যায়নি। বাজেটের পরেই ক্ষুব্ধ মুখ্যমন্ত্রীর প্রতিক্রিয়া, পশ্চিমবঙ্গের প্রতি এত বঞ্চনা এর আগে কখনও হয়নি।
সংস্কারের পথে হাঁটলেও বড়সড় কোনও চমক নেই রেল বাজেটে। রেলের আর্থিক হাল ফেরাতে টাকার জোগাড় না হলে রেলের হাল ফিরবে না। এই সত্যি মাথায় রেখেই দুহাজার ১৪-১৫-র বাজেটে সংস্কারের পথে হাঁটলেন রেলমন্ত্রী।
প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে একশো শতাংশ বিদেশি বিনিয়োগ। দেশজুড়ে বড়সড় বিতর্কের জন্ম দিল মোদী সরকারের এই উদ্যোগ। কংগ্রেস স্বাগত জানালেও, বামেরা মনে করছে প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে সাবধানে পা ফেলা উচিত। দায়িত্ব নিয়েই বড়সড় আর্থিক সংস্কারে উদ্যোগী হয়েছে মোদী সরকার। প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে একশো শতাংশ প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগ আনার কথা ভাবা হচ্ছে। এ নিয়ে ক্যাবিনেট নোট গেছে বিভিন্ন মন্ত্রকে।
ক্ষমতায় আসার তিনদিনের মধ্যে নজিরবিহীন উদ্যোগ নিল নতুন সরকার। সংবাদ সংস্থা পিটিআই সূত্রে খবর, প্রতিরক্ষা খাতে প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগ একশ শতাংশ করার উদ্যোগ নিচ্ছে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা। এ বিষয়ে বিভিন্ন মন্ত্রকের কাছে ইতিমধ্যেই ক্যাবিনেট নোট পাঠানো হয়েছে বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রকের পক্ষ থেকে। ইউপিএ আমলে প্রতিরক্ষা খাতে প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগের সীমা ছিল ছাব্বিশ শতাংশ। তা এক ধাক্কায় ১০০ শতাংশ করার উদ্যোগ নিল বিজেপি সরকার।
ভোটের আগে বাজার চাঙ্গা করার অফুরন্ত প্রতিশ্রুতি বিজেপি-কংগ্রেসের। সোমবার বিজেপির ইস্তাহার প্রকাশের পর প্রাক্তন অর্থ ও বিদেশমন্ত্রী তথা বিজেপি নেতা যশবন্ত সিনহা স্পষ্ট জানান, এনডিএ সরকার বহুজাতিক ব্যবসায় এফডিআইকে আনতে দেবে না। সেক্ষেত্রে রাজ্য সরকার এফডিআইকে প্রবেশ করাবে কি করাবে না তার কোনও প্রশ্নই থাকবে না।