ইমরান খান বলেন, 'যদি আমার কিছু ঘটে যায়, তা হলে দেশে ও দেশের বাইরে কারা এই ষড়যন্ত্রের সঙ্গে জড়িত, তা যেন দেশবাসী জানতে পারেন।'
৯ এপ্রিল অনাস্থা ভোটে ইমরান খান ক্ষমতাচ্যুত হন। এরপর পাকিস্তানের ২৩তম প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন জাতীয় পরিষদে বিরোধীদলীয় নেতা পাকিস্তান মুসলিম লিগ-নওয়াজের সভাপতি শাহবাজ খান।
সেনা হস্তক্ষেপের দীর্ঘ ইতিহাস থাকা পাকিস্তানে কোনো প্রধানমন্ত্রীই তাঁদের মেয়াদ পূর্ণ করতে পারেননি। ইমরানই প্রথম প্রধানমন্ত্রী, যিনি পার্লামেন্টে বিরোধীদের আনা অনাস্থা প্রস্তাবে হেরে বিদায় নিয়েছেন। কিন্তু তাঁর জনপ্রিয়তা সবটা নষ্ট হয়ে যায়নি।
দাদা নওয়াজ দেশ ছাড়ার পরে পাকিস্তান মুসলিম লিগের প্রেসিডেন্টের আসনে বসেন তিনি। আর তখন থেকেই ভাইঝি মরিয়াম শরিফকে নিয়ে যথেষ্ট যোগ্যতার সঙ্গে দল সামলেছেন।
সেনা হস্তক্ষেপের দীর্ঘ ইতিহাস থাকা পাকিস্তানে কোনো প্রধানমন্ত্রীই তাঁদের মেয়াদ পূর্ণ করতে পারেননি। তবে ইমরানই প্রথম প্রধানমন্ত্রী, যিনি পার্লামেন্টে বিরোধীদের আনা অনাস্থা প্রস্তাবে হেরে বিদায় নিয়েছেন। এবার দেখার, এই নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক ভাগ্য কেমন হয়।
সেনা হস্তক্ষেপের দীর্ঘ ইতিহাস থাকা পাকিস্তানে কোনো প্রধানমন্ত্রীই তাঁদের মেয়াদ পূর্ণ করতে পারেননি। তবে ইমরানই প্রথম প্রধানমন্ত্রী, যিনি পার্লামেন্টে বিরোধীদের আনা অনাস্থা প্রস্তাবে হেরে বিদায় নিয়েছেন।
সেনা হস্তক্ষেপের দীর্ঘ ইতিহাস থাকা পাকিস্তানে কোনো প্রধানমন্ত্রীই তাঁদের মেয়াদ পূর্ণ করতে পারেননি। তবে ইমরানই প্রথম প্রধানমন্ত্রী, যিনি পার্লামেন্টে বিরোধীদের আনা অনাস্থা প্রস্তাবে হেরে বিদায় নিয়েছেন।
ইমরান খান যদি রাজনীতির মাঠে দ্রুত ঘুরে দাঁড়াতে না পারেন তবে অনেকেই হয়তো তাঁকে টিপু সুলতান কিংবা সিরাজের সঙ্গে তুলনা করতে শুরু করবেন।
সেনা হস্তক্ষেপের দীর্ঘ ইতিহাস থাকা পাকিস্তানে কোনো প্রধানমন্ত্রীই তাঁদের মেয়াদ পূর্ণ করতে পারেননি। তবে ইমরানই প্রথম প্রধানমন্ত্রী, যিনি পার্লামেন্টে বিরোধীদের আনা অনাস্থা প্রস্তাবে হেরে বিদায় নিয়েছেন।
পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদ সচিবালয় থেকে জানানো হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী পদের জন্য আগ্রহী প্রার্থীরা রবিবার নির্ধারিত সময় পর্যন্ত তাঁদের মনোনয়নপত্র জমা দিতে পারবেন।
ইমরান অঙ্গীকার করেছিলেন, তিনি তাঁর দেশে পরিবর্তন আনবেন। নতুন পাকিস্তান গড়বেন। পাকিস্তানে কোনো প্রধানমন্ত্রীই পাঁচ বছরের মেয়াদ পূর্ণ করতে পারেননি। ইমরানকে দেখে মনে হচ্ছিল, তিনি পারবেন। কিন্তু শেষ রক্ষা হল না।
প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে বিদায় নেওয়া ইমরান খান কয়েকবার বলেছেন, তাঁর স্বাধীন বৈদেশিক নীতি 'বিদেশি শক্তিদের' অখুশি করেছে। আর এইসব শক্তিই তাঁর বিরোধীদের অর্থ দিয়ে অনাস্থা প্রস্তাব আনতে সহযোগিতা করেছে।
পাকিস্তানের পার্লামেন্টের জাতীয় পরিষদে অনাস্থা ভোটে পরাজিত হওয়ার আগেও সাংবাদিকদের ইমরান বলেছিলেন, প্রতিরক্ষা বিভাগে কোনো ধরনের রদবদল আনার পরিকল্পনা তাঁর নেই।
এবার অচলাবস্থা ইংরেজবাজার পুরসভায়। তৃণমূল কংগ্রেস পরিচালিত ইংরেজবাজার পুরসভায় অনাস্থা প্রস্তাব আনলেন দলের কাউন্সিলররাই। পুরপ্রধান নীহাররঞ্জন ঘোষের বিরুদ্ধে দলের ১৫ জন কাউন্সিলর অনাস্থা প্রস্তাব এনেছেন।
অনাস্থা প্রস্তাবকে ঘিরে লোকসভায় একঘরে হয়ে গেল তৃণমূল কংগ্রেস। প্রয়োজনীয় সংখ্যা ও সমর্থন না থাকায় খারিজ হয়ে গেল তৃণমূলের অনাস্থা প্রস্তাব। আজ তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে অনাস্থা এনেছিলেন সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রস্তাব নিয়ে আলোচনার জন্য ন্যূনতম ৫০ জনের সমর্থন দরকার ছিল। কিন্তু তৃণমূলের মোট ১৮ জন সাংসদ এবং বিজেডির তিনজন সাংসদ অনাস্থা প্রস্তাবের পক্ষে ছিলেন।