Abhishek Banerjee:অন্য কোনও স্বাধীন প্রশ্ন করার সুযোগ ছিল না জানিয়ে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন, এভাবে চলতে থাকলে ভবিষ্যতে যদি ‘ক্যাশ ফর কোয়েশ্চেন’ (টাকার বিনিময়ে প্রশ্ন)-এর মতো কোনও কেলেঙ্কারি ঘটে, তবে তার দায় কে নেবে?
Kalita Majhi story:মন্ত্রীপদে শপথ নেওয়ার পর আউশগ্রামের মানুষের জন্য আবেগঘন বার্তা দিয়েছেন কলিতা মাঝি। নিজের বিধানসভা এলাকার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, 'বিধায়ক থাকাকালীন আমার প্রথম কাজ ছিল হাসপাতাল বানানো, ফায়ার ব্রিগেড এবং মানুষের জলের সমস্যা মেটানো। এটা আমার প্রতিশ্রুতি ছিল। এখন গোটা পশ্চিমবঙ্গের দায়িত্ব, তাই চিন্তাভাবনা অনেকটাই বেশি।'
TMC Rajyasabha MP: তাঁর দাবি, 'পার্কস্ট্রিট, কামদুনি বা বগটুই--মানুষ অনেক কিছু সহ্য করেছে, কিন্তু আর জি করের সময় দেওয়াল লিখন পড়তে পারেনি দল। ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা হয়েছিল। এই ভোট যদি আর জি করের পরে হত, তবে তৃণমূল দু-চারটির বেশি আসন পেত না।'
Suvendu Adhikari Nandigram:বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারে রাজ্যের বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছিলেন, 'আমিও তৃণমূলে ছিলাম। কিন্তু দলের সমস্ত পদ ছেড়ে তারপর বিজেপিতে যোগদান করি। কিন্তু আমার বিপরীতে যিনি দাঁড়িয়েছে উনি এখনও বিজেপির সদস্যপদ ছাড়েনি। নির্বাচন বিধি অনুসারে ওর প্রার্থীপদ বাতিল হয়ে যাওয়ার কথা। কিন্তু আমরা অভিযোগ করিনি।'
West Bengal Assembly: দীর্ঘ বছরের প্রথা ভাঙল বিজেপি। বিধানসভায় প্রথম অধিবেশনে নির্বাচিত হল নতুন স্পিকার। প্রোটেম স্পিকার তাপস রায়ের তদারকিতে স্পিকার নির্বাচন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। কে হলেন১৮তম বিধানসভার নতুন অধ্যক্ষ?
Allegations against Shashi Panja: ইলোরা সাহা বলেছেন ভোটের দিন এবং প্রচারের প্রক্রিয়া নিয়ে। তাঁর দাবি, 'এলাকায় নিজেদের জনসমর্থন না থাকায় বা স্থানীয়দের ওপর ভরসা করতে না পেরে বাইরে থেকে ছেলেদের নিয়ে আসা হয়েছিল। তাদের দিয়েই মিছিল করানো হয়েছে এবং ভোট করানো হয়েছে।'
Nirmal Ghosh: 'তিলে তিলে গড়ে ওঠা দলটা শেষ হয়ে গেল অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্য'-- এমনই মন্তব্য করে ক্যামেরার সামনে কাঁদতে দেখা গিয়েছিল, পাশাপাশি শুভেন্দু অধিকারীর গুণগান করতেও দেখা গিয়েছিল।
Suvendu Adhikari oath Taking Ceremony: একদিকে যখন, নির্বাচনে ভরাডুবিতে দিশেহারা তৃণমূল, তখন প্রথমবার সরকার গঠন করে বিজেপি ও শুভেন্দু অধিকারী সারাদিন লাইম লাইটে। নিঃস্তব্ধ হরিশ চ্যাটার্জী স্ট্রিট ও তৃণমূল কর্মীরা।
২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে ঐতিহাসিক বিপর্যয়ের পর এবার আক্ষরিক অর্থেই ‘গৃহযুদ্ধে’ বিদ্ধ তৃণমূল কংগ্রেস। বঙ্গ রাজনীতির গত দেড় দশকের ইতিহাসে সবথেকে বড় ধাক্কা খাওয়ার পর যখন দলের ঘুরে দাঁড়ানোর কথা, ঠিক তখনই প্রকাশ্যে এল ঘাসফুল শিবিরের অভ্যন্তরীণ তীব্র কোন্দল। দলের রণনীতি এবং শীর্ষ নেতৃত্বের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলায় এবার একসঙ্গে পাঁচ দাপুটে মুখপাত্রকে শো-কজ (Show Cause) করল তৃণমূলের শৃঙ্খলারক্ষাকারী কমিটি।
Dilip Ghosh in BJP minister list:দীর্ঘ প্রায় ২২ বছর তিনি সঙ্ঘের আদর্শে নিজেকে জারিত করেছেন। প্রচারক হিসেবে ভারতের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে ঘুরে বেড়িয়েছেন, তরুণ প্রজন্মের মধ্যে জাতীয়তাবাদের বীজ বপন করেছেন।
BJP Bengal Government:মন্ত্রী তালিকায় নাম থাকতে পারে প্রথমবার ভোটে জিতে আসা এমন বিধায়কের নামও।বাংলায় বিজেপির মন্ত্রিসভায় ২ জন উপমুখ্যমন্ত্রী থাকতে পারেন বলেও সূত্র মারফত শোনা যাচ্ছে। আর নাম কাদের কাদের?
West Bengal Assembly Election 2026: শুধু তাই নয়, দফতরের কর্মী থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ-- যাঁরাই বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ফাইল নিয়ে ভেতরে প্রবেশ করছেন, প্রত্যেকের ব্যাগ তল্লাশি করা হচ্ছে। এমনকি ফাইলের নম্বর পর্যন্ত লিখে রাখছেন জওয়ানরা।
Agnimitra Paul:দিল্লিতে অমিত শাহর বাসভবনে অগ্নিমিত্রার প্রায় এক ঘণ্টার বৈঠকটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। দলীয়ভাবে একে ‘শুভেচ্ছা সফর’ বলা হলেও, রাজনৈতিক মহলের দাবি-- মুখ্যমন্ত্রী পদের জন্য যোগ্য প্রার্থী হিসেবে অগ্নিমিত্রার দক্ষতা এবং ভবিষ্যৎ রূপরেখা জানতেই এই তলব।
Baruipur: ফল বদলাতেই হাতবদল পার্টি অফিসের, বারুইপুরে ১৩ বছর পর পুরনো দফতর ফিরে পেল সিপিআইএম।সিপিআইএম প্রার্থী জানালেন,অফিসে থাকা তৃণমূলের কাগজপত্র, পতাকা ও ব্যানার আমরা আলাদা করে গুছিয়ে রেখেছি। ওদের ফোন করে নিয়ে যেতে বলা হয়েছিল, কিন্তু কেউ আসেনি। এরপরই আমরা নিজেদের ব্যানার লাগিয়ে দিয়েছি।
Malda TMC Leader Kartik Ghosh:মানুষের সঙ্গে যাঁদের সরাসরি যোগাযোগ ছিল, তাঁদের সরিয়ে দেওয়ায় ভোটারদের মধ্যে ভুল বার্তা গিয়েছে। উত্তরবঙ্গের সাধারণ মানুষ এই সিদ্ধান্তগুলো সহজভাবে মেনে নিতে পারেননি, যার প্রতিফলন ঘটেছে ব্যালট বক্সে।
ভোট-আবহে বারবার ইভিএম কারচুপির প্রসঙ্গ ওঠে; আচ্ছা, সত্যিই কি ইভিএমে কোনও চুরি সম্ভব? কী বলছেন বিজ্ঞানীরা-বিশেষজ্ঞরা?
TMC IPAC:তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও মাঝেমধ্যে আইপ্যাক নিয়ে দোলাচলে ছিলেন। ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে তিনি বিধায়কদের পরামর্শ দিয়েছিলেন কোনো সমীক্ষক সংস্থার ফোন না ধরতে। কিন্তু মাত্র দু’মাস পরেই নেতাজি ইনডোর থেকে তিনি পুনরায় আইপ্যাকের সঙ্গে সহযোগিতার বার্তা দেন। এই দোদুল্যমানতা দলের পুরনো কর্মীদের বিভ্রান্ত করেছিল বলে মনে করা হচ্ছে।
Krishnendu Narayan Choudhury slams Abhishek Banerjee:তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বর্তমান অবস্থাকে তুলনা করেন মহাভারতের চরিত্রের সঙ্গে। কৃষ্ণেন্দু চৌধুরী বলেন, 'মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কোনো উপায় ছিল না। তাঁকে অনেকটা ‘ধৃতরাষ্ট্রের’ মতো আটকে রাখা হয়েছিল।' তাঁর দাবি, দলের রাশ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত থেকে সরিয়ে একটি নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর হাতে চলে যাওয়াই এই মহাবিপর্যয়ের প্রধান কারণ।
Swapna Burman Rajgunje:কেবল তৃণমূল নয়, খগেশ্বর রায় যে এই কেন্দ্রে একটি বড় ‘ফ্যাক্টর’ হতেন, তা মেনে নিয়েছে বিজেপি নেতৃত্বও। তবে বিজেপির দাবি, খগেশ্বর রায় দাঁড়ালে লড়াই হাড্ডাহাড্ডি হতো, কিন্তু শেষ পর্যন্ত জয় বিজেপিরই হত।
Kharagpur Sadar Election Result 2026: বড় জয়ে আত্মবিশ্বাসী সুরে দিলীপ ঘোষ বলেন, “এই ফল শুধু একটি নির্বাচনী জয় নয়, পরিবর্তনের দীর্ঘ লড়াইয়ের ফল।” তাঁর কথায়, “১৫ বছর সুযোগ পেয়েও কিছু করতে পারেননি, শুধু অভিযোগই করেছেন। মানুষ এবার তার জবাব দিয়েছে।”
Bengal First BJP government:দ্রুত গতিতে রাইটার্সকে বসার যোগ্য করে তোলার প্রস্তুতি শুরু হয়ে গিয়েছে।প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর প্রতিশ্রুতি ঘিরে এখন তুঙ্গে‘পঁচিশে বৈশাখে’ শপথেরজল্পনা।ওয়কিবহল মহলের মতে, বাংলায় প্রথমবার সরকারের শপথগ্রহণের জন্য বিজেপি ৯ মে, ‘পঁচিশে বৈশাখ’কেই বেছে নিয়ে 'মাস্টারস্ট্রোক' দিতে পারে।
Ratna Debnath Panihati BJP MLA: রাজ্যের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে ক্ষোভ উগরে দিয়ে তিনি জানান, বাংলায় দীর্ঘদিন ধরে চাকরি নেই, স্কুলগুলোতে তালা পড়ে গেছে এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা তলানিতে ঠেকেছে। এই অরাজকতার অবসান ঘটাতেই মানুষ বিজেপিকে বেছে নিয়েছে বলে তিনি মনে করেন।