ভরা বর্ষায় মত্সজীবীদের জালে উঠছে ঝাঁকে ঝাঁকে রূপোলি ইলিশ, পাতে কিন্তু পড়ছে না

টানা ৬৫ দিন সমুদ্রে জাল পড়েনি। 

Updated By: Aug 5, 2020, 11:47 AM IST
ভরা বর্ষায় মত্সজীবীদের জালে উঠছে ঝাঁকে ঝাঁকে রূপোলি ইলিশ, পাতে কিন্তু পড়ছে না

নিজস্ব প্রতিবেদন- দুই দেশের রাজনৈতিক সমস্যা। আর তার জেরে সাধারণ মানুষের যত সমস্যা! তিস্তি জলবন্টন নিয়ে বাংলাদেশ ও ভারতের রাজনৈতিক টানাপোড়েন রয়েছে। আর তাই বাংলাদেশ তাদের জাতীয় সম্পদ ইলিশ মাছ এদেশে রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। বন্ধু দেশকে তাঁরা হঠাত্ করেই যেন দুরে ঠেলে দিয়েছে শত্রুর মতো। যেভাবেই হোক ভারতকে শিক্ষা দিতে হবে। আর তাই পাতে মারার এই পরিকল্পনা করেছে শেখ হাসিনার সরকার। তবে এদেশের মানুষ কিন্তু হাপিত্যেশ করে বসে বাংলাদেশের রুপোলি সোনার জন্য। অনেকের মুখেই এক শুধু আফসোস। পদ্মার ইলিশ তো এখন এদেশের মানুষের কাছে স্বপ্নের মতো। বাংলাদেশের ইলিশ তো আর ভারত পায় না।

গত বছর পুজোর সময় উপহার হিসাবে প্রচুর ইলিশ পাঠিয়েছিল বাংলাদেশ। ব্যস, ওই শেষ। তার পর আর ইলিশের ঝাঁক সীমান্ত পেরোয়নি। এবারও পদ্মার ইলিশ চেখে দেখার কোনও আশা নেই। তবে ভরা বর্ষায় বাংলাদেশের মত্সজীবীদের জালে পড়ছে রুপোলি ইলিশের ঝাঁক। টানা ৬৫ দিন সমুদ্রে জাল পড়েনি। একে তো বাংলাদেশ সরকার নিয়ম করে বছরের একটা সময় সমুদ্রে ইলিশ ধরার উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে। তার উপর এবার করোনার প্রকোপ কমাতে অনেকদিন লকডাউন ছিল। সেই সময় মত্সজীবীরা মাছ ধরতে যেতে পারেননি। ফলে এবার বড় সাইজ-এর ইলিশ বেশি পাওয়ার আশা করেছিলেন মত্সজীবীরা। 

আরও পড়ুন-  মিষ্টিমুখ! রামমন্দির ভূমিপুজোয় বিতরণ করা হবে ১.২৫ লক্ষ লাড্ডু

বাংলাদেশে সামুদ্রিক মাছের পাইকারি বাজার পটুয়াখালী মহিপুরে মত্সজীবীরা টন টন ইলিশ মজুত করছেন। ১ কেজি ওজনের ইলিশের মণ ৩০ থেকে ৩৬ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে বলে জানি গিয়েছে। শুধু ইলিশ নয়, এবার আরও অনেক সামু্দ্রিক মাছের সংখ্যাও বেশি বলে জানিয়েছেন মত্সজীবীরা। দীর্ঘদিন লকডাউন থাকার ফলে মত্সজীবীরা তীব্র আর্থিক সঙ্কটে পড়েছিলেন। সংসার চলেছে কোনওরকমে। তবে এত বেশি পরিমাণ মাছ ধরা পড়ায় এবার তাঁদের সুদিন ফিরবে বলে আশা করা যায়।