ধুন্ধুমার হরিহরপাড়ার হুমাইপুর গ্রাম পঞ্চায়েত

বোর্ড গঠন ভেস্তে দিতে পুলিসের সামনেই লাঠি বন্দুক হাতে তাণ্ডব চালাল তৃণমূল কর্মীরা। মুর্শিদাবাদের হরিহরপাড়ার হুমাইপুর পঞ্চায়েতে আজ বোর্ড গঠনকে কেন্দ্র করে তৃণমূল-সিপিএম সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হন দুই সিপিএম কর্মী। আহত হয়েছেন কয়েকজন তৃণমূল কর্মীও।

Updated By: Feb 10, 2016, 07:16 PM IST
ধুন্ধুমার হরিহরপাড়ার হুমাইপুর গ্রাম পঞ্চায়েত

ওয়েব ডেস্ক: বোর্ড গঠন ভেস্তে দিতে পুলিসের সামনেই লাঠি বন্দুক হাতে তাণ্ডব চালাল তৃণমূল কর্মীরা। মুর্শিদাবাদের হরিহরপাড়ার হুমাইপুর পঞ্চায়েতে আজ বোর্ড গঠনকে কেন্দ্র করে তৃণমূল-সিপিএম সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হন দুই সিপিএম কর্মী। আহত হয়েছেন কয়েকজন তৃণমূল কর্মীও।

 

ধুন্ধুমার হরিহরপাড়ার হুমাইপুর গ্রাম পঞ্চায়েত। ১৭টি আসন। ৯টি আসন সিপিএমের দখলে। ৬টি কংগ্রেসের। আর তৃণমূলের ২টি আসন।  দুর্নীতির অভিযোগ ওঠায় এক বছর আগে পদত্যাগ করেন পঞ্চায়েতের সিপিএম প্রধান আবদুল কাদির। ফের বোর্ড গঠন করতে চায় সিপিএম। কিন্তু আদালতের দ্বারস্থ হয় তৃণমূল। এই অবস্থায় বোর্ড গঠনের দিন ঠিক হয়। ১০ই ফেব্রুয়ারি সেই বোর্ড গঠনের দিন। তৃণমূলের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়, আদালতে মামলা চলাকালীন বোর্ড গঠন করা যাবে না। প্রতিবাদ জানাতে পঞ্চায়েতে অফিসের সামনে জমায়েত হন তৃণমূল কর্মীরা। ঝামেলার আঁচ করে মোতায়েন ছিল পুলিস বাহিনীও।

বোর্ড গঠনে অনড় সিপিএম কর্মীরাও পঞ্চায়েত অফিসের দিকে এগোতে থাকেন। সিপিএম কর্মীদের বাধা দেয় তৃণমূল। চলে দুপক্ষের মধ্যে ধস্তাধস্তি। শুরু হয় ইটবৃষ্টি।  গুলি ও বোমাও ছোঁড়া হয়। ঘটনায় গুলিবিদ্ধ হন ২জন সিপিএম কর্মী।

অবস্থা আয়ত্তে আনতে লাঠিচার্জ করে পুলিস। পুলিসের বিরুদ্ধে গুলি চালানোরও অভিযোগ ওঠে। জারি হয় ১৪৪ধারা । হুমাইপুরে যখন চলছে ধুন্ধুমার, হাইকোর্টে তখন চলছে মামলার শুনানি। হাইকোর্ট বোর্ড গঠনে আপাতত স্থগিতাদেশ দিয়েছে।

ওয়েব ডেস্ক: বোর্ড গঠন ভেস্তে দিতে পুলিসের সামনেই লাঠি বন্দুক হাতে তাণ্ডব চালাল তৃণমূল কর্মীরা। মুর্শিদাবাদের হরিহরপাড়ার হুমাইপুর পঞ্চায়েতে আজ বোর্ড গঠনকে কেন্দ্র করে তৃণমূল-সিপিএম সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হন দুই সিপিএম কর্মী। আহত হয়েছেন কয়েকজন তৃণমূল কর্মীও।

 

ধুন্ধুমার হরিহরপাড়ার হুমাইপুর গ্রাম পঞ্চায়েত। ১৭টি আসন। ৯টি আসন সিপিএমের দখলে। ৬টি কংগ্রেসের। আর তৃণমূলের ২টি আসন।  দুর্নীতির অভিযোগ ওঠায় এক বছর আগে পদত্যাগ করেন পঞ্চায়েতের সিপিএম প্রধান আবদুল কাদির। ফের বোর্ড গঠন করতে চায় সিপিএম। কিন্তু আদালতের দ্বারস্থ হয় তৃণমূল। এই অবস্থায় বোর্ড গঠনের দিন ঠিক হয়। ১০ই ফেব্রুয়ারি সেই বোর্ড গঠনের দিন। তৃণমূলের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়, আদালতে মামলা চলাকালীন বোর্ড গঠন করা যাবে না। প্রতিবাদ জানাতে পঞ্চায়েতে অফিসের সামনে জমায়েত হন তৃণমূল কর্মীরা। ঝামেলার আঁচ করে মোতায়েন ছিল পুলিস বাহিনীও।

বোর্ড গঠনে অনড় সিপিএম কর্মীরাও পঞ্চায়েত অফিসের দিকে এগোতে থাকেন। সিপিএম কর্মীদের বাধা দেয় তৃণমূল। চলে দুপক্ষের মধ্যে ধস্তাধস্তি। শুরু হয় ইটবৃষ্টি।  গুলি ও বোমাও ছোঁড়া হয়। ঘটনায় গুলিবিদ্ধ হন ২জন সিপিএম কর্মী।

অবস্থা আয়ত্তে আনতে লাঠিচার্জ করে পুলিস। পুলিসের বিরুদ্ধে গুলি চালানোরও অভিযোগ ওঠে। জারি হয় ১৪৪ধারা । হুমাইপুরে যখন চলছে ধুন্ধুমার, হাইকোর্টে তখন চলছে মামলার শুনানি। হাইকোর্ট বোর্ড গঠনে আপাতত স্থগিতাদেশ দিয়েছে।