কনভেন্টের আবাসিকদের কাছে অচেনা রানাঘাটকাণ্ডে ধৃত সালিম শেখ

কনভেন্টের আবাসিকদের কাছে অচেনা রানাঘাটকাণ্ডে ধৃত সালিম শেখ

রানাঘাটকাণ্ডে ধৃত সালিম শেখকে গভীর রাতে নিয়ে যাওয়া হয় কনভেন্টে। আবাসিকদের সামনে নিয়ে যাওয়া হয় ধৃতকে। যদিও সালিমকে চিনতে  পারেননি কনভেন্টের আবাসিকরা। আজও গোপাল সরকার এবং সালিম শেখকে মুখোমুখি বসিয়ে জেরা করেছে সিআইডি। সকাল থেকেই ভবানী ভবনে চলে জেরা। সব দুষ্কৃতী বাংলাদেশে গা ঢাকা দেয়নি। কয়েকজন রয়ে গেছে এদেশে। দুষ্কৃতী দলটি ভিনরাজ্যেও অপারেশন চালায় বলে জেরায় জানিয়েছে সেলিম। এদিকে, খড়গপুরে গ্রেফতার হয়েছে শেখ সালিমের এক আত্মীয়। একটি ডাকাতির ঘটনায় জালালউদ্দিন নামে ওই ব্যক্তি গ্রেফতার হয়েছে। রানাঘাটকাণ্ডের সঙ্গে জালাউদ্দিনের কোনও যোগ আছে কিনা, তা খতিয়ে দেখছে পুলিস।

 রানাঘাটকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে গ্রেফতার এক রানাঘাটকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে গ্রেফতার এক

রানাঘাটকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে তরুণজিত্‍ ঘোষ নামে একজনকে গ্রেফতার করল বর্ধমানের পূর্বস্থলী থানার পুলিস। ধৃত ব্যক্তি নদিয়ার নবদ্বীপের বাবলারীর বাসিন্দা। রানাঘাটকাণ্ডের তার কোনও যোগ নেই বলেই মনে করছে পুলিস। তবে ধৃতের বিরুদ্ধে  সদ্য বিবাহিতা স্ত্রীকে মানসিক নির্যাতন ও আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে নবদ্বীপ থানায়। কিছুদিন আগে পেশায় রাজমিস্ত্রি তরুণজিতের সঙ্গে বিয়ে হয় নবদ্বীপেরই বাসিন্দা তণুশ্রীর। বৃহস্পতিবার তরুণীর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয় বাড়ি থেকে। তারপর থেকেই তরুণজিতের কোনও খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। মেয়ের মৃত্যুর জন্য জামাইকেই দায়ী করে থানায় অভিযোগ জানান তণুশ্রীর বাবা। গতকাল তরুণজিত ধরা পড়লেও, সেটা যে রানাঘাটের ঘটনার প্রেক্ষিতে, তা জানতেন না তণুশ্রীর পরিবার। আজ ধৃতকে আদালতে তোলা হবে।

সোনারপুরে নাবালিকাকে ধর্ষণ, বেধড়ক গণপিটুনির পর পুলিসের কাছে অভিযুক্ত     সোনারপুরে নাবালিকাকে ধর্ষণ, বেধড়ক গণপিটুনির পর পুলিসের কাছে অভিযুক্ত

ধর্ষককে হাতেনাতে ধরে ফেলল গ্রামবাসী। বেধড়ক মারধর করে তুলে দেওয়া হল পুলিসের হাতে। ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে সোনারপুরে। দক্ষিণ ২৪ পরগনার সোনারপুরের বিদ্যাধরপুরে ভাড়া থাকে বিবাহিত সমীর প্রধান। পেশায় রাজমিস্ত্রী সমীর গোসাবার বাসিন্দা। সমীরের পাশের দুটি বাড়িতে ভাড়া থাকে আরও দুটি পরিবার। মঙ্গলবার বিকেলে বাড়িতে কেউ ছিলেন না। এই সুযোগে ওই বাড়ির নাবালিকাকে নিজের ঘরে ডেকে ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ। পাশের বাড়ির অন্য এক নাবালিকাকেও সেই সময় ডেকে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ। মেয়েটির মা খুঁজতে খুঁজতে হাতেনাতে ধরে ফেলেন সমীরকে। পালাতে যায় সমীর। ধরে ফেলেন গ্রামবাসীরা। মারধর করে তাকে পুলিসের হাতে তুলে দেওয়া হয়। দুই নিগৃহীতাকে সুভাষগ্রাম ব্লক হাসপাতালে মেডিক্যাল পরীক্ষা করায় পুলিস। আজ অভিযুক্তকে আলিপুর সেকেন্ড এডিজে আদালতে তোলা হবে।