সর্বজিতের বায়োপিকে রণদীপ হুডা, দলবীর ঐশ্বর্য্য

সর্বজিতের বায়োপিকে রণদীপ হুডা, দলবীর ঐশ্বর্য্য

মেরি কমের পর এবার সর্বজিত্ সিংয়ের বায়োপিকে হাত দিলেন উমঙ্গ কুমার। ছবিতে সর্বজিতের ভূমিকায় অভিনয় করছেন রণদীপ হুডা।

সঙ্কটজনক সানাউল্লাহ

আক্রান্ত জম্মু সেন্ট্রাল জেলে আক্রান্ত বন্দি পাক নাগরিক সানাউল্লাহ রাঞ্জের অবস্থা ফের আশঙ্কাজনক। কাল রাতে সানাউল্লাহের শারীরিক অবস্থা কিছুটা স্থিতিশীল হলেও মধ্যরাত থেও আবার তার ক্রমাবনতি শুরু হয়। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে সানাউল্লাকে ভেন্টিলেশনে রাখা হয়েছে। তাঁর রক্তচাপ নিয়েও উদ্বিগ্ন চিকিত্‍সকরা। ওষুধ দিয়ে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে।

জম্মু জেলে আক্রান্ত পাক বন্দির অবস্থা স্থিতিশীল

জম্মু সেন্ট্রাল জেলে আক্রান্ত পাক বন্দি সানাউল্লাহ রাঞ্জের শারীরিক অবস্থা বর্তমানে স্থিতিশীল বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে। যদিও পাকিস্তানের তরফ থেকে এখনও পর্যন্ত সানাউল্লাহার চিকিৎসায় সাড়া দেওয়াকে নিরাশাজনক বলে দাবি করা হয়েছে। চন্ডিগড়ের হাসপাতালে আজ সানাউল্লাকে দেখে আসেন পাক প্রতিনিধি দল। পাক প্রতিনিধিদের দৈনন্দিন সানাউল্লাহের সঙ্গে সাক্ষাতের অনুমতি দেওয়া হয়েছে ভারতের পক্ষ থেকে।

জম্মুতে আক্রান্ত বন্দিকে ফেরত চাইল পাকিস্তান

জম্মুতে জেলে আক্রান্ত বন্দিকে দেশে ফেরানোর আর্জি জানাল পাক সরকার। পাকিস্তান হাইকমিশনের তরফে পেশ করা একটি বিবৃতিতে 'মানবিকতার খাতিরে' ওই বন্দিকে ফিরিয়ে দেওয়ার আবেদন জানানো হয়েছে। ভারতের কাছে বিশেষ এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের সাহায্যও চাওয়া হয়েছে পাকিস্তানের তরফে।

পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সরবজিতের শেষকৃত্য সম্পন্ন

পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সম্পন্ন হল সরবজিৎ সিংয়ের শেষকৃত্য। নিজের গ্রামে তাঁর অন্ত্যেষ্টিতে সামিল হয়েছিলেন রাহুল গান্ধী, পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী প্রকাশ সিং বাদল। তাঁর শেষ যাত্রায় সরবজিতকে গার্ড অফ অনার দেওয়া হয়।

সব লড়াই সেরে, মুক্তি পেয়ে, গ্রামে ফিরল সরবজিতের দেহ

সরবজিতের দেহ নিয়ে বিশেষ বিমান পৌঁছল অমৃতসরে। রাত ৯টা নাগাদ সরবজিতের দেহ নিয়ে আসা হয় অমৃতসরে ভিখিউইন্ড গ্রামে। কাল অমৃতসরেই মৃতদেহের আরও একবার ময়নাতদন্ত হবে। ময়নাতদন্তের পর দেহ নিয়ে যাওয়া হবে পৈতৃক বাড়ি পাঞ্জাবের তরণ তারণের ভিখিউইন্ড গ্রামে। লাহোরের জিন্না হাসপাতালে দুই ভারতীয় কূটনীতিকের হাতে আজ  তুলে দেওয়া হয় সরবজিত সিংয়ের মরদেহ।

জীবনযুদ্ধে হেরে দেশে ফিরল সরবজিতের নিথর দেহ

ছদিনের লড়াই শেষ। নৃশংসতার কাছে শেষ পর্যন্ত হার মানলেন সরবজিত্ সিং। ভারতীয় সময় রাত দেড়টা নাগাদ লাহোরের জিন্না হাসপাতালে মৃত্যু হয় সরবজিত্ সিংয়ের। তাঁর দেহ জিন্না হাসপাতালের মর্গে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য তৈরি হয়েছে বিশেষ মেডিক্যাল টিম। সরবজিত সিংয়ের দেহ তাঁদের হাতে তুলে দেওয়ার দাবি জানিয়েছে তাঁর পরিবার। সরবজিতকে শহীদের স্বীকৃতি দেওয়ারও দাবি জানিয়েছে তাঁরা। একইসঙ্গে তাঁদের দাবি, পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সরবজিত সিংয়ের শেষকৃত্য হোক। 

সরবজিতের মৃত্যুতে দুঃখপ্রকাশ প্রধানমন্ত্রীর, ক্ষোভে ফুটছে দেশ

পাকিস্তানে সরবজিত সিংয়ের মৃত্যুর ঘটনায় দুঃখপ্রকাশ করলেন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং। একইসঙ্গে এই ঘটনায় পাকিস্তানের ভূমিকার কড়া সমালোচনা করেছেন তিনি। অন্যদিকে, লাহোরের হাসপাতালে সরবজিতের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে ক্ষোভে ফুঁসছে সারা দেশ। সাধারণ মানুষের বিক্ষোভের নিশানায় পাকিস্তানের সঙ্গে সঙ্গেই ভারত সরকারও।

সরবজিতের`ব্রেন ডেথ` নিয়ে বাড়ছে ধোঁয়াশা

পাকিস্তানের জেলে প্রহৃত ভারতীয় বন্দি সরবজিৎ সিংয়ের শারীরিক অবস্থা নিয়ে ধোঁয়াশার সৃষ্টি হল। আজ প্রাথমিকভাবে লাহোরের হাসপাতাল সূত্রে জানা যায় সম্ভবত সরবজিতের মস্তিষ্কের মৃত্যু (`ব্রেন ডেথ`) হয়েছে এবং জীবনদায়ী ব্যবস্থার মাধ্যমে তাঁকে বাঁচিয়ে রাখা হয়েছে। এই খবর সামনে আসার সঙ্গে সঙ্গে তড়িঘড়ি করে সরবজিতের চিকিৎসার দায়িত্বাধীন মেডিক্যাল বোর্ডের প্রধান ঘোষণা করলেন সরবজিতের শারীরিক অবস্থা অত্যন্ত সঙ্কটজনক হলেও এখনও তাঁর মস্তিষ্কের মৃত্যু হয়নি।

সারবজিতের দেশে ফেরাতে চাইল ভারত

পাকিস্তানের জেলে আক্রান্ত বন্দি সরবজিত সিংকে চিকিত্সার জন্য বিদেশে নিয়ে যাওয়া হবে না। জিন্না হাসপাতালে ভর্তি সরবজিতের সিংয়ের অবস্থা অত্যন্ত সঙ্কটজনক হওয়ায়, তাঁর পরিবারের তরফে চিকিত্সার জন্য তাঁকে ভারতে নিয়ে আসার আবেদন জানানো হয়। পরিবারের আবেদন খতিয়ে দেখতে এরপরই চার সদস্যের বিশেষজ্ঞ চিকিত্সককে নিয়ে প্যানেল গড়ে পাক সরকার। চিকিত্সাকর জন্য পাকিস্তানের বাইরে সরবজিত সিংকে নিয়ে যাওয়ার কোনও প্রয়োজন নেই বলেই সিদ্ধান্ত নিয়েছে ওই প্যানেল।

কোমাচ্ছন্ন সরবজিতের সঙ্গে দেখা করলেন পরিবারের সদস্যরা

এখনও সঙ্কট কাটেনি সরবজিত সিংয়ের। গভীর কোমায় আচ্ছন্ন রয়েছেন তিনি। লাহোরের জিন্না হাসপাতালে ভর্তি সরবজিতকে দেখতে আজ রওনা দিচ্ছে তাঁর পরিবার।

সরবজিতের পরিবারের চার সদস্যের ভিসা মঞ্জুর

কোমাচ্ছন্ন সরবজিৎ সিংকে দেখতে তাঁর পরিবারের চার সদস্যের পাকিস্তানে যাওয়ার ভিসা মঞ্জুর করাল পাক হাইকমিশনার। সরবজিতের স্ত্রী, বোন ও বোনের মেয়ে পাকিস্তানে যাচ্ছেন তাঁকে দেখতে। তবে ঠিক কবে তাঁরা পাকিস্তানের উদ্দেশ্যে রওনা দিচ্ছেন তা এখনও সঠিক জানা যায়নি।

সরবজিত প্রসঙ্গে আশ্বাস মালিকের

সরবজিতের মুক্তি নিয়ে আইনি প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। ন্যায়বিচার পাওয়া যাবে বলে সরবজিতের পরিবারের সদস্যদের

আশ্বাস দিলেন পাক অভ্যন্তরীণ মন্ত্রী রেহমান মালিক। শুক্রবার রাতে দিল্লির একটি হোটেলে রেহমান মালিকের সঙ্গে

দেখা করেন পাক জেলে বন্দি সরবজিত সিংয়ের পরিবারের সদস্যরা।

মুক্তির দাবিতে ধরনায় বসলেন সরবজিতের পরিবার

সরবজিতের মুক্তি নিয়ে বিভ্রান্তির পর দিল্লির রাজপথে ধর্নায় বসলেন তাঁর পরিবার। বৃহস্পতিবার সারাদিন দিল্লির যন্তরমন্তরে ধরনা দিলেন সরবজিতের আত্মীয় পরিজনেরা। এরই মাঝে সরবজিতের মুক্তি নিয়ে বিদেশমন্ত্রী এবং পাক হাইকমিশনে দরবার করেছেন তাঁরা।

মুক্তি পেলেন সুরজিত্‍ সিং

প্রায় ৩১ বছর বন্দি থাকার পর আজ মুক্তি পেলেন পাকিস্তানের জেলে বন্দি সুরজিত সিং। বৃহস্পতিবার সকালেই লাহোরের কোট লাখপত জেল থেকে মুক্তি পান তিনি। এরপর ৬৯ বছর বয়সী সুরজিত্‍ সিংকে ওয়াঘা সীমান্ত নিয়ে গিয়ে ভারতীয় কর্তৃপক্ষের হাতে তুলে দেওয়া হয়।

জারদারির নির্দেশে মুক্তি পাচ্ছেন সরবজিত্‍‌ সিং

ফাঁসির আদেশ মুলতুবি হয়েছিল আগেই। এবার নাশকতার দায়ে লাহোরের কোট লাখপত জেলে বন্দি ভারতীয় নাগরিক সরবজিত্‍ সিংয়ের মৃত্যুদণ্ড মকুব করে তাঁকে মুক্তি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেন পাক প্রেসিডেন্ট আসিফ আলি জারদারি। ১৯৯০ সালে লাহোর ও মুলতানে দু`টি পৃথক বিস্ফোরণে ১৪ জনকে হত্যার দায়ে পঞ্জাবের এই বাসিন্দাকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করেছিল পাক সুপ্রিম কোর্ট।