তৈমুর-ইনায়া নাকি সারা-ইব্রাহিম, কে কাছের? করিনার কঠিন প্রশ্নের জবাব শর্মিলার

এবিষয়েই মুখ খুলেছেন শর্মিলা ঠাকুর।

Updated By: Dec 14, 2019, 06:44 PM IST
তৈমুর-ইনায়া নাকি সারা-ইব্রাহিম, কে কাছের? করিনার কঠিন প্রশ্নের জবাব শর্মিলার

নিজস্ব প্রতিবেদন:  বহুদিন হল সইফ আলি খানের থেকে আলাদা হয়ে গিয়েছেন অমৃতা সিং। তিনি দুই সন্তান সারা ও ইব্রাহিমকে নিয়েই থাকেন অমৃতা। তবে তিনি আলাদা থাকলেও সারা ও ইব্রাহিমের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রয়েছে পতৌদি পরিবারের। সারা ও ইব্রাহিম নিয়মিত তাঁর বাবা, ঠাকুমা ও পিসিদের সঙ্গে দেখাও করেন। যদিও বহুদিন হল সইফের জীবনে এসেছেন করিনা ও তাঁর আরও এক সন্তান তৈমুর। এছাড়া সোহা কন্যা ইনায়াও রয়েছে। তবে ঠাকুমা শর্মিলা ঠাকুরের কাছে কে বেশি কাছের ইনায়া-সারা-ইব্রাহিম নাকি তৈমুর? সম্প্রতি এবিষয়েই মুখ খুলেছেন শর্মিলা ঠাকুর।

সম্প্রতি করিনার শো 'What Women Want 2' তে হাজির হয়েছিলেন শাশুড়ি মা শর্মিলা ঠাকুর। সেখানেই শাশুড়ি মাকে এমন কঠিন প্রশ্ন করে বসেন বউমা করিনা। যার উত্তর দেওয়া খুব স্বাভাবিক ভাবেই শর্মিলা ঠাকুরের পক্ষে অত্যন্ত কঠিন ছিল। তবে করিনা বলেন, যেভাবেই হোক এই প্রশ্নের উত্তরে শর্মিলাকে একটি নামই বেছে নিতে হবে। তবে বউমার এমন কঠিন প্রশ্নের উত্তর বুদ্ধিমত্তার সঙ্গেই দেন শর্মিলা। তিনি বলেন, '' আমি বাঁচতে ভালোবাসি। আমি এধরনের বিষয় ভাবতেও চাই না। ওরা প্রত্যেকেই খুব ভালো, একে অপরের থেকে আলাদা। এই ৪জনের মধ্যে সারা ও ইব্রাহিম এখন অনেকটাই বড়। আর বাকি দুজন (তৈমুর-ইনায়া) এখনও খুব ছোট। তাই আমি পুরোটাই উপভোগ করি।''

আরও পড়ুন-অনুরাগীর দিকে তেড়ে গিয়েছিলেন রানু মণ্ডল! মুখ খুললেন হিমেশ

শর্মিলা আরও বলেন, ''আমি সারার সাক্ষাৎকারগুলো শুনি, ওকে ভালোবাসি, ও যেটা করছে তাতে আমি ওর জন্য গর্বিত। আর ইব্রাহিম, ওই একমাত্র পতৌদিদের মতো দেখতে। ও ভীষই সহৃদয়, ও ক্রিকেট ভালোবাসে।''

আরও পড়ুন-করিনার পছন্দ হয়নি, তাই সেই উপর স্ত্রী টুইঙ্কেলের জন্য নিয়ে গেলেন অক্ষয়! সব জেনে টুইঙ্কেল কী করলেন জানেন?

এদিকে ভালো জীবন সঙ্গী হিসাবে করিনা (সইফ) আর কুণাল (সোহা) দুজনের নাম বেছে নিতে বলেন করিনা। তবে এক্ষেত্রেও শর্মিলা বলেন করিনা ও কুণাল দুজনেই সইফ ও সোহার জন্য এক্কেবারে উপযুক্ত।

আরোও পড়ুন- নিজেকে আমূল বদলে ফেললেন অভিনেতা অনির্বাণ! দেখলে চিনতেই পারবেন না

এদিকে সম্প্রতি পতৌদি পরিবারে ঘটা করে শর্মিলা ঠাকুরের জন্মদিন ৭৫ বছরের জন্মদিন সেলিব্রেট করা হয়। পতৌদিদের প্রাসাদেই হয় সেই সেলিব্রেশন। সেখানে হাজির ছিল প্রায় পতৌদি পরিবারের সমস্ত সদস্যই।