কিউই ফলের জাদুতে কী কী রোগ সারতে পারে দেখে নিন

কিউই ফলে ভিটামিন-সি ও পটাশিয়াম থাকায় স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারি। 

Updated By: Feb 15, 2020, 11:21 AM IST
কিউই ফলের জাদুতে কী কী রোগ সারতে পারে দেখে নিন

নিজস্ব প্রতিবেদন: কিউই, এই ফলটি খুবই জনপ্রিয় একটি ফল। খেতে যেমন সুস্বাদু, তার সঙ্গে এর মধ্য রয়েছে অঢেল গুন। কয়েক দশক ধরে ভারতে এই ফল পাওয়া না গেলেও বর্তমানে কয়েকটি জায়গায় এর চাষ হয়ে। এশিয়া ও অস্ট্রেলিয়াতে সাধারণত এই ফলের চাষ হয়ে। কিন্তু এই ফল মূলত চিন দেশের ফল। এই ফলটি দেখতে একটু অদ্ভুদ রকমের। ফলের বাইরের রঙ গোল্ডেন ব্রাউন এবং ভেতর সবুজ। এই কিউই বর্তমানে নিউজিল্য়ান্ডের জাতীয় ফল। 

প্রতি ১০০ গ্রাম কিউই ফলের রয়েছে ৬১ কিলো ক্য়ালরি শক্তি, ১.৩৫ গ্রাম প্রোটিন, ০.৬৮ গ্রাম ফ্য়াট, ১৪.৮৬ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট, ২.৭  গ্রাম ফাইবার, ৮.৭৮ গ্রাম চিনি, ৪১ মিলিগ্রাম ক্য়ালসিয়াম, ০.২৪ মিলিগ্রাম আয়রন, ৩১১ মিলিগ্রাম পটাশিয়াম, ৯৩.২ মিলিগ্রাম ভিটামিন-সি, ৬৮ আই ইউ ভিটামিন-এ, ৩৭.৮ মাইক্রোগ্রাম ভিটামিন-কে।

আরও পড়ুন:ক্য়ান্সার ও হৃদরোগ থেকে মুক্তি পান সাইক্লিংয়ের মাধ্য়মে

জেনে নেওয়া যাক কি কি উপকারিতা পাওয়া যায় কিউই ফল থেকে.....

কিউই ফলে ভিটামিন-সি ও পটাশিয়াম থাকায় স্বাস্থের জন্য় খুবই উপকারি। প্রতিদিন যদি ২টি করে কিউই ফল খাওয়া যায় তাহলে অক্সিডেটভ স্ট্রেস হ্রাস পায়। হৃদরোগের সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে এই ফল। এছাড়াও কিউইতে ম্য়াগনেশিয়ামের থাকায় হার্ট ভাল রাখতে সাহায্য করে। 

কিউই ফলে  ভিটামিন-সি ও অ্য়ান্টি অক্সিডেন্ট রোগ প্রতিরোধে সহায়তা করে। 

এই ফলে অ্য়াক্টিনিডিন নামক এনজাইম যা, প্রোটিন দ্রবীভূত বৈশিষ্টের জন্য পরিচিত। কিউইতে ফাইবার থাকার কারণে এটি হজমে সাহায্য করে। 

হাপানি রোগের  জন্য  মোক্ষম ওষুধ হল কিউই ফল।

কিউই ফলে অ্য়ান্টি অক্সিডেন্ট থাকে যার ফলে অনিদ্রার মতো ঘুমের ব্য়াধি গুলি দূর হয়ে। 

কিডনিতে পাথর জমা থেকে রক্ষা পেতে খান কিউই ফল। 

কিউই-তে ভিটামিন-সি ও অ্য়ান্টি অক্সিডেন্ট ত্বককে রোদ, দূষণ এবং বার্ধক্য় বিলম্ব করে।

কিউই ফলে ভিটামিন-এ ও ফাইটোক্য়ামিক্য়াল চোখের ছানি ও অন্যান্য চোখের সমস্যা  দূর করতে সাহায্য করে।

কিউইতে ভিটামিন ও খনিজ পদার্থ থাকে যা শরীরে রক্ত সঞ্চালনাকে ঠিক রাখে এবং হাড় ও দাঁতকে মজবুত করে। 

প্রতিদিন ৩টি করে কিউই ফল খেলে, এর মধ্যে থাকা বায়োঅ্যাক্টিভ রক্ত চাপ কমাতে সাহায্য করে। 

ডায়বেটিস রোগীদের জন্য এটি একটি আদর্শ ফল। কারণ, এটি লো গ্লাইসেমিক হওয়ায় সুগার কন্ট্রোল করে।