সিবিআই-রাজীব কুমার দড়ি টানাটানি, কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিরাপত্তায় মুড়ে ফেলা হল নিজাম প্যালেস

মেদিনীপুরের গোয়ালতোড় থেকে আনা হয়েছে ১ কোম্পানি সিআরপিএফ

Ayan Ghoshal | Updated: Sep 17, 2019, 12:18 PM IST
সিবিআই-রাজীব কুমার দড়ি টানাটানি, কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিরাপত্তায় মুড়ে ফেলা হল নিজাম প্যালেস

নিজস্ব প্রতিবেদন: ফেব্রুয়ারি মাসের ঘটনার পুনরাবৃত্তি আর চায় না সিবিআই। রাজীব কুমারের গ্রেফতারির কথা মাথায় রেখে নিজাম প্যালেস ও সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে সিআরপিএফ মোতায়েন করল কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা।

আরও পড়ুন-সৌদি তেল উত্পাদন সংস্থায় হামলার জের, পেট্রোল-ডিজেলের দাম লিটারপিছু বাড়তে পারে ৫-৬ টাকা!

রবিবার বিকেলে পশ্চিম মেদিনীপুরের গোয়ালতোড় থেকে আনা হয়েছে ১ কোম্পানি সিআরপিএফ। রাজীব কুমার যদি গ্রেফতার হন এবং তার ফলে কোনও অবাঞ্ছিত পরিস্থিতি সৃষ্টি হল কেন্দ্রীয় বাহিনীকে কাজে লাগাবে কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা। এক কোম্পানির ৬৫ শতাংশ রাখা হয়েছে নিজাম প্যালেসে এবং বাকী অংশকে রাখা হয়েছে সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে। মঙ্গলবার সকালে নিরাপত্তার একপ্রস্থ ড্রিলও হয়ে গিয়েছে। কড়া নিরাপত্তায় মুড়ে রাখা হয়েছে নিজাম প্যালেস ও সিজিও কমপ্লেক্সে।

উল্লেখ্য, গত ৩ ফেব্রুয়ারি কলকাতার প্রাক্তন নগরপাল রাজীব কুমারের লাউডন স্ট্রিটের বাড়িতে ‘হানা’ দেয় সিবিআইয়ের একটি টিম। আর তা নিয়েই ধুন্ধুমার শুরু হয়ে যায় কলকাতা পুলিস ও সিবিআইয়ের মধ্যে। সিবিআই আধিকারিকদের বাধা দেয় কলকাতা পুলিস। তাঁদের থানায় যেতে বলেন নিরাপত্তা দায়িত্বে থাকা পুলিস কর্মীরা। তাঁদের বলা হয় থানায় গিয়ে নথিপত্র দেখানোর পর এখানে আসুন।

দু’পক্ষের বাদানুবাদ শেষপর্যন্ত ধস্তাধস্তিতে পর্যবসিত হয়। নো এন্ট্রি করে দেওয়া হয় লাউডন স্ট্রিট। সিবিআই কর্তাদের টেনেহিঁচড়ে তোলা হয় গাড়িতে। গাড়ির ড্রাইভারকেও ঘাড় ধাক্কা দিয়ে বের করে দেওয়া হয়। তারপরই সিবিআই কর্তাদের আটক করে তুলে নিয়ে যাওয়া হয় শেক্সপিয়র সরণি থানায়। গাড়ি চালিয়ে নিয়ে যান কলকাতা পুলিসের কর্মী-ই। এরকম এক পরিস্থিতি ফের হোক এমনটা চাইছে না কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা।

আরও পড়ুন-জন্মদিনে দেশজুড়ে শুভেচ্ছার বন্যা, নর্মদায় ‘নমামি দেবী নর্মদে’ অনুষ্ঠানে মোদী

এদিকে, গতকালই দুপুর দুটোর মধ্যে রাজীব কুমার কোথায় রয়েছেন তা জানাতে ডিজিকে চিঠি দিয়েছিল সিবিআই। সেই চিঠির জবাবে বলা হয় রাজীব কুমার ছুটিতে রয়েছেন। এরপর আজ মঙ্গলবার আগাম জামিনের আবেদন করে বারাসতের বিশেষ আদালতে আবেদন করেন রাজীব কুমার। সেই আবেদন বিবেচনা করার এক্তিয়ার নেই বলে জানিয়ে দিয়েছে বিশেষ আদালত। এবার জেলা আদালতে যাচ্ছেন রাজীব কুমার। সবেমিলিয়ে শেষপর্যন্ত বিষয়টি যদি গ্রেফতার পর্যন্ত গড়ায় তার আগাম প্রস্তুতি নিয়ে রাখল কেন্দ্রীয় তদন্তসংস্থা।