প্রাথমিকে নিয়োগে ওএমআর শিটে 'কারচুরি'। কীভাবে? সিবিআইয়ের কাছে রিপোর্ট তলব করেছিল হাইকোর্ট। এদিন সেই রিপোট জমা পড়ে আদালতে। । রিপোর্ট দেখে রীতিমতো ক্ষুব্ধ বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। শুনানিতে তিনি বলেন, 'সময় এসেছে। অনেকবার বলা হয়েছে। যদি সিবিআই কাজ না করে তাহলে প্রধানমন্ত্রী দফতরের বিষয়টি জানানো হবে। আপনার নিয়ন্ত্রণে থাকা সংস্থা কি করছে দেখুন। সিবিআই অফিসার বাচ্চা নয়, কি করছে সেটা দেখুন'।
বিচারপতির গঙ্গোপাধ্যায়ের আরও বক্তব্য, 'সিবিআইতে এক গুচ্ছ বোকা লোক কাজ করে এটা আমি বিশ্বাস করতে রাজি নই। এটা ইচ্ছাকৃত। জিজ্ঞাসাবাদে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন করা হয়নি'। সঙ্গে প্রশ্ন, 'সিবিআইয়ের আইটি আধিকারিক নিজে বলছে যে, এটা ডিজিটাল ডেটা নয়। তাহলে কেন এস বসু রায় কোম্পানির আধিকারিকদের এই প্রশ্ন কেন করা হল না'? কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার তরফে বলা হয়,'একটু সুযোগ দেওয়া হোক। এমন অর্ডার দেওয়ার আগে একবার সিটের প্রধানকে সুযোগ দেওয়া হোক এই ত্রুটি বিষয়ে কৈফিয়ত দেওয়ার জন্য'।
মামলাকারীর আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যের সওয়াল, 'প্রধানমন্ত্রীর কাছে বিষয়টি গেলে রাজনীতি জড়িয়ে যাবে। আদালত সিবিআইয়ের তদন্তে যে ত্রুটি খুঁজে পেয়েছেন, সেটা সিবিআই ডিরেক্টর এসে বা রিপোর্ট দিয়ে কৈফিয়ত দিক। তা না হলে তৃতীয় ব্যক্তি ঢুকে সুপ্রিম কোর্টে চলে যাবে'।
By accepting cookies, you agree to the storing of cookies on your device to enhance site navigation, analyze site usage, and assist in our marketing efforts.