আজই মিলবে পোস্টমর্টেম রিপোর্ট। তাতেই বিষয়টি স্পষ্ট হবে।

নিজস্ব প্রতিবেদন: আত্মহত্যা নাকি খুন! আজই মিলবে পোস্টমর্টেম রিপোর্ট, আর তাতেই বিষয়টি স্পষ্ট হবে বলে মনে করছেন বিভিন্ন মহল। প্রাথমিক তদন্তে পুলিস ও ফরেন্সিক বিভাগ মনে করছে, হতাশা এবং অন্যান্য একাধিক চাপে আত্মহত্যা করেছেন দশম শ্রেণির ছাত্রী কৃত্তিকা পাল। এদিকে শুক্রবার জি ডি বিড়লায় ছাত্রীর মৃত্যু ঘিরে তোলপাড় শহর। মৃত্যু ঘিরে দানা বেঁধেছে জল্পনা। জট খুলতে তৎপর ফরেন্সিক দফতরও। পুলিস তদন্ত করছে। পাশাপাশি খতিয়ে দেখা হচ্ছে হাতের লেখা। অন্যদিকে স্কুলের সমস্ত শিক্ষিকাদের সঙ্গে কথা বলবে গোয়েন্দা বিভাগ।
স্কুলের কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়েছে, শুক্রবার ক্লাস চলাকালীন ১:৪৫ নাগাদ শৌচাগারে গিয়েছিল ওই ছাত্রী। প্রায় আধঘণ্টা ছাত্রীকে দেখতে না পাওয়ায় সন্দেহ হয় শিক্ষিকাদে। এরপর স্কুলের শৌচাগার থেকে উদ্ধার হয় তাঁর মৃত দেহ। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিসের পদস্থ কর্তা এবং ফরেন্সিক আধিকারিকরা। পাশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়েছিল ব্লেড, রক্তে মাখা পেন, তিন পাতার সুইসাইড নোট। রক্তে ভেসে যাচ্ছে শৌচাগারের মেঝে। মুখে প্লাস্টিক গোঁজা।
এরপর তাঁর দেহ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে কৃত্তিকাকে মৃত বলে ঘোষণা করে চিকিৎসকরা।