close

News WrapGet Handpicked Stories from our editors directly to your mailbox

বিনিয়োগ-কর্মসংস্থানে জোর দিতে নতুন দুই ক্যাবিনেট কমিটি গড়ল মোদী সরকার

বুধবার নিরাপত্তা বিষয়ক ক্যাবিনেট কমিটিও গঠন করা হয়েছে।

Updated: Jun 5, 2019, 08:35 PM IST
বিনিয়োগ-কর্মসংস্থানে জোর দিতে নতুন দুই ক্যাবিনেট কমিটি গড়ল মোদী সরকার

নিজস্ব প্রতিবেদন: আগামী পাঁচ বছরে বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানের উপরই সবচেয়ে বেশি জোর দিতে চাইছে মোদী সরকার। বুধবার দু’টি নতুন ক্যাবিনেট কমিটি গড়ে সেকথাই কার্যত বুঝিয়ে দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

এদিন বিনিয়োগ ও বৃদ্ধি এবং কর্মসংস্থান ও স্কিল ডেভলপমেন্ট নিয়ে দু’টি ক্যাবিনেট কমিটি গঠন করা হয়েছে। ওই কমিটির চেয়ারম্যান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ঠিক যেভাবে নিরাপত্তা বিষয়ক ক্যাবিনেট কমিটির চেয়ারম্যান হন প্রধানমন্ত্রী।

আরও পড়ুন: মোদী সরকারের মেগা আর্থিক সমীক্ষা, তথ্য নেওয়া হবে ফুটপাথের দোকানেরও

বুধবার নিরাপত্তা বিষয়ক ক্যাবিনেট কমিটিও গঠন করা হয়েছে। ওই কমিটিতে রয়েছেন, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং, অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন ও বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর।

বিনিয়োগ ও বৃদ্ধি বিষয়ক ক্যাবিনেট কমিটিতে প্রধানমন্ত্রী ছাড়াও থাকবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন, সড়ক পরিবহণ ও যোগাযোগ মন্ত্রী নিতিন গড়কড়ি ও রেলমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল।

আরও পড়ুন: It’s finished! স্বেচ্ছামৃত্যুর আগে ইনস্টাগ্রামে লিখলেন ধর্ষিতা তরুণী

কর্মসংস্থান ও স্কিল ডেভলপমেন্টের ক্যাবিনেট কমিটিতে রাখা হয়েছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন, রেলমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল, কৃষিমন্ত্রী নরেন্দ্র সিং তোমর, মানব সম্পদ উন্নয়নমন্ত্রী রমেশ পোখরিয়াল, পেট্রলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান, স্কিল ও এন্টারপ্রেনারশিপ মন্ত্রী মহেন্দ্রনাথ পাণ্ডে, শ্রম প্রতিমন্ত্রী সন্তোষকুমার গঙ্গোয়ার এবং আবাসন ও নগরোন্নয়ন প্রতিমন্ত্রী হরদীপ সিং পুরী।

এই দুই ক্যাবিনেট কমিটি গঠন থেকে কার্যত স্পষ্ট যে দেশের অর্থনীতি এখন কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয়। ন্যাশনাল স্যাম্পেল সার্ভে অফিসের হিসেব অনুযায়ী ২০১৮-১৯ অর্থবর্ষের শেষ চারমাসে ভারতের অর্থনৈতিক বৃদ্ধি ছিল মাত্র ৫.৮ শতাংশ। তাছাড়া বেকারত্ব যে গত ৪৫ বছরে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে, সেই রিপোর্টও প্রকাশ্যে এনেছে কেন্দ্রীয় সরকার।