উত্কণ্ঠার অবসান, বালুরঘাটের সাংসদের চেষ্টায় মালয়েশিয়ার জেল থেকে ঘরে ফিরলেন কুশমুন্ডির যুবক

ছেলে জেলে থাকার খবর পেয়েই বিভিন্ন জায়গায় দৌড়াদৌড়ি শুরু করে নুরের পরিবার। শেষপর্যন্ত বালুরঘাটের সাংসদ সুকান্ত মজুমদারের দ্বারস্থ হন নুরের মা। 

Updated By: Oct 10, 2019, 12:09 PM IST
উত্কণ্ঠার অবসান, বালুরঘাটের সাংসদের চেষ্টায় মালয়েশিয়ার জেল থেকে ঘরে ফিরলেন কুশমুন্ডির যুবক

নিজস্ব প্রতিবেদন: টানা তিন মাস গোটা পরিবারের দিন কেটেছে চরম উত্কণ্ঠায়। অবশেষে বিদেশের জেল হেফাজত থেকে মুক্তি পেয়ে ঘরে ফিরলেন দক্ষিণ দিনাজপুরের কুশমুন্ডির যুবক নুর আলম। মঙ্গলবার রাতে কুয়ালালামপুর থেকে কলকাতা বিমানবন্দরে নামেন নুর। ঘরে ফিরতে পারার জন্য সব কৃতিত্বই বালুরঘাটের সাংসদ সুকান্ত মজুমাদারকে দিতে চায় নুরের পরিবার।

আরও পড়ুন-ফের পঞ্জাবের ফিরোজপুরের আকাশে পাক ড্রোনের উপস্থিতি! সীমান্তে আরও বাড়ল নজরদারি

কুশমুন্ডির মালিগাঁও গ্রাম পঞ্চায়েতের দুর্গাপুরের যুবক নূর আলম গত তিন ধরে কাজ করতেন মালয়েশিয়ায়। আড়াই মাস আগে তাঁর পাসপোর্ট ল্যাপস হয়ে যায়। কোনও ভাবেই আর তা তৈরি করা যায়নি। এরপরই তাকে গ্রেফতার করে মালয়েশিয়ার পুলিস। নুরের বাড়িতে খবর দেন তাঁর বন্ধুরা। এর পরই শুরু হয়ে উত্কণ্ঠা।

ছেলে জেলে থাকার খবর পেয়েই বিভিন্ন জায়গায় দৌড়াদৌড়ি শুরু করে নুরের পরিবার। শেষপর্যন্ত বালুরঘাটের সাংসদ সুকান্ত মজুমদারের দ্বারস্থ হন নুরের মা। সুকান্ত মজুমদার যোগাযোগ করেন বিদেশ মন্ত্রকের সঙ্গে। শুরু হয় নথি চালাচালি। এক মাসের চেষ্টায় শেষপ্রর্যন্ত মুক্তি পান নুর।

আরও পড়ুন-সাতকালেই ভয়ঙ্কর দুর্ঘটনা; রেলিং ভেঙে নদীতে পড়ল লরি; হত ১, আহত বহু

ছাড়া পেয়ে সাংসদ সুকান্ত মজুমদারকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন নুর। সংবাদমাধ্যমে তিনি বলেন, ওখানে আমার ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে যায়। এক দালালকে ধরে ভিসা বাড়ানোর চেষ্টা করি। কিন্তু মেয়াদ বাড়াতে পারেনি ওই দালাল। তারপরেই আমাকে গ্রেফতার করে মালয়েশিয়ার পুলিস। এতদিন পরে ঘরে ফিরতে পেরে ভালো লাগছে।

এনিয়ে সুকান্ত মজুমদার বলেন, পাসপোর্ট ল্যাপস হওয়ার জন্য পালয়েশিয়ার পুলিস নূর আলমকে গ্রেফতার করে। এক মাস আগে ওঁর মা আমার সঙ্গে যোগাযোগ করেন। আমি বিদেশমন্ত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ করি। তাঁর দফতরের তত্পরতার জন্য খুব তাড়াতাড়ি মায়য়েশিয়ার সঙ্গে যোগাযোগ করা গিয়েছে। ওখানে যিনি হাইকমিশনার রয়েছেন তিনি আমার সঙ্গে যোগাযাগ করে বলেন নুর আলমকে খুঁজে পাওয়া গিয়েছে। তাঁর খুব তাড়াতাড়ি ফেরানো হচ্ছে।