বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়াদের জন্য সরকারি প্রকল্পে ২ বছরের ইন্টার্নশিপ! বিজেপি বলল, 'ভাঁওতাবাজি'

সরকারের বিভিন্ন দফতরের উন্নয়নমূলক প্রকল্পে ২ বছর ইন্টার্ন হিসেবে কাজ করবেন বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়ারা। "মেধাকে অপমান করছেন মুখ্যমন্ত্রী।" তোপ বিজেপির।

Reported By: কমলিকা সেনগুপ্ত | Updated By: Oct 22, 2019, 08:55 PM IST
বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়াদের জন্য সরকারি প্রকল্পে ২ বছরের ইন্টার্নশিপ! বিজেপি বলল, 'ভাঁওতাবাজি'

কমলিকা সেনগুপ্ত : এবার থেকে সরকারের অধীনে ইন্টার্নশিপের সুযোগ পাবেন বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়ারা। সরকারের বিভিন্ন দফতরের উন্নয়নমূলক প্রকল্পে ২ বছর ইন্টার্ন হিসেবে কাজ করবেন তাঁরা। চালু হচ্ছে রাজ্যের বিশেষ ফ্ল্যাগশিপ প্রকল্প। শিলিগুড়িতে প্রশাসনিক বৈঠকে ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। আর এরপরই সমালোচনায় সরব হয়েছে বিরোধী শিবির।

বিভিন্ন সরকারি দফতরের বহু পদ খালি। পরীক্ষার মাধ্যমে তা পূরণ করা সময়সাপেক্ষ। ফলে বহু উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ থমকে যাচ্ছে। আবার অন্যদিকে, বিশ্ববিদ্যালয়ের ফাইনাল ইয়ারের পড়ুয়ারা চান হাতে-কলমে প্রশিক্ষণের সুযোগ। এই দুই চাহিদার জায়গাকে মেলাতে চান মুখ্যমন্ত্রী। আর তাই রাজ্য সরকার চালু করতে চলেছে বিশেষ ফ্ল্যাগশিপ প্রকল্প। এবার বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়াদের সরকারি বিভিন্ন দফতরে ইন্টার্ন হিসাবে ব্যবহার করতে চায় রাজ্য। শিলিগুড়ির প্রশাসনিক বৈঠকে আজ ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী।

প্রকল্প নিয়ে ইতিমধ্যেই মুখ্যসচিবকে খোঁজ খবর নিতে বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তবে, সরকারের এই পদক্ষেপ নিয়ে সমালোচনার সুর বিরোধীদের গলায়। বিজেপি রাজ্য সম্পাদক রাহুল সিনহা তোপ দাগেন, "সবই ভাঁওতাবাজি মমতার। শিল্প নেই, চাকরি নেই রাজ্যে। ২ বছরের জন্য মেধাকে কিনতে চাইছেন। এভাবে মেধাকে অপমান করছেন মুখ্যমন্ত্রী।" যদিও বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়ারা অবশ্য মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণায় উচ্ছ্বসিত। পড়তে পড়তে সরকারি কাজের এমন সুযোগে বেজায় খুশি তাঁরা।

আরও পড়ুন, 'পশ্চিমবঙ্গে কোনও ডিটেনশন ক্যাম্প হবে না', শিলিগুড়িতে আশ্বাস মুখ্যমন্ত্রীর  

প্রসঙ্গত, এদিন মুখ্যমন্ত্রীর প্রশাসনিক বৈঠকে ছিলেন উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়ারা। সেখানেই পড়ুয়াদের উদ্দেশে ইন্টার্নশিপের ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী। পাশাপাশি বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন উপাচার্যও। বৈঠকের মধ্যেই তাঁর ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ উগরে দেন মুখ্যমন্ত্রী। বলেন, "এখানের উপাচার্য সব কথা আচার্যকে বললে কী করে হবে? টাকাটা রাজ্য সরকার দেয়। শিক্ষা দফতরকে জানিয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন না?"