close

News WrapGet Handpicked Stories from our editors directly to your mailbox

'শুভেন্দু অধিকারীর মাথা চাই', রাস্তায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে মাওবাদী পোস্টার

জঙ্গলমহলে হারানো জমি ফেরানোর মরিয়া চেষ্টা শুরু হয়েছে। বেশ কিছুদিন ধরেই সতর্ক করছিলেন গোয়েন্দারা।

Updated: Nov 15, 2018, 10:49 AM IST
'শুভেন্দু অধিকারীর মাথা চাই', রাস্তায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে মাওবাদী পোস্টার

নিজস্ব প্রতিবেদন : পশ্চিম মেদিনীপুরের গুড়গুড়িপাল থানার মুড়াকাটায় এবার মিলল মাওবাদী পোস্টার। মাওবাদী পোস্টার উদ্ধার হওয়ার ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে স্থানীয়দের মধ্যে।

এদিন সকালে মুড়াকাটায় রাস্তার ধারে পড়ে থাকতে দেখা যায় লাল কালিতে লেখা পোস্টারগুলি। পোস্টারে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারের বিরুদ্ধে জোরদার আন্দোলন সঙ্ঘবদ্ধ করার ডাক দেওয়া হয়েছে। রয়েছে পরিবহন মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর 'মাথা' চেয়ে পোস্টার। শালবনির বিধায়ক শ্রীকান্ত মাহাতোর 'মাথা' চেয়েও পোস্টার পড়েছে। প্রসঙ্গত, বুধবার-ই মাওবাদী সন্দেহে চারজনকে গ্রেফতার করা হয়।

আরও পড়ুন, বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সহবাস, বোনের গর্ভে এল মামাতো দাদার সন্তান, পরের ঘটনা আরও ভয়াবহ

ফের মাথাচাড়া দিচ্ছে মাওবাদীরা। জঙ্গলমহলে হারানো জমি ফেরানোর মরিয়া চেষ্টা শুরু হয়েছে। বেশ কিছুদিন ধরেই সতর্ক করছিলেন গোয়েন্দারা। সেই আশঙ্কা-ই যেন সত্যি হচ্ছে। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে বুধবার গোয়ালতোড়ের মাকলি থেকে দুই ছাত্র সহ মোট চারজনকে গ্রেফতার করে পুলিস। পুলিসের দাবি, ধৃতদের কাছ থেকে মাও নেতা আকাশের নামের লিফলেট ও পুস্তিকা উদ্ধার হয়েছে।

আরও পড়ুন, দেওরের সঙ্গে পরকীয়া বৌদির! শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হতে দেখে ফেলে স্ত্রী, তারপর...

গোয়ালোড়ের কাঞ্জিমাকলি মাঠের কাছে জড়ো হয়েছিল সব্যসাচী গোস্বামী, সঞ্জীব মজুদার,অর্কদেব গোস্বামী ও টিপু সুলতান ওরফে স্বপন নামে চার সন্দেহভাজন মাওবাদী। গোপনসূত্র খবর পায় পুলিস। নিঃশব্দে ঘিরে ফেলা হয় জঙ্গল। ধরা পড়ে চারজনই। পুলিস জানিয়েছে, সব্যসাচী ও সঞ্জীবের বাড়ি উত্তর ২৪ পরগনায়। অর্কদেবের বাড়ি বেহালা পর্ণশ্রীতে। টিপু সুলতান ওরফে স্বপন বীরভূমের বাসিন্দা।

আরও পড়ুন, ‘দিদির দিল্লি যাওয়ার রাস্তা পরিষ্কার করুন’, কর্মী সম্মেলনে বার্তা সাংসদ শুভাশিসের

ধৃতদের বিরুদ্ধে বেশ কিছুদিন ধরেই মাওবাদী কার্যলাপের অভিযোগ উঠছে বলে দাবি করেছে পুলিস। পুলিস সুপার দাবি করেছেন, স্থানীয় বাসিন্দাদের নিয়ে রাতে গোপনে বৈঠক করার সময়ই তাদের গ্রেফতার করা হয়। যদিও সেই দাবি মানতে নারাজ ধৃতরা। চারজনের বিরুদ্ধেই রাষ্ট্রদ্রোহিতার মামলা রুজু করা হয়েছে। গড়বেতা আদালত ধৃতদের ৯ দিনের পুলিস হেফজাতের নির্দেশ দিয়েছে।