‘চোর পুলিসের খেলা’! রক্ষীদের চোখে ধুলো দিয়েই হাসপাতাল থেকে পালাল প্রাক্তন উপপ্রধান

জব কার্ডে কয়েক কোটি টাকার দুর্নীতি রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। রয়েছে আরও বেশ কিছু আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ। পুলিসের খাতায় দাগী আসামী তিনি।  তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক জামিন অযোগ্য ধারা রয়েছে।   কিন্তু দীর্ঘদিনের খোঁজার পরও নাকি পুলিস খোঁজ পায়নি তাঁর।  

Updated By: Nov 20, 2018, 01:03 PM IST
 ‘চোর পুলিসের খেলা’! রক্ষীদের চোখে ধুলো দিয়েই হাসপাতাল থেকে পালাল প্রাক্তন উপপ্রধান
অভিযুক্ত আবদুল মান্নান

 নিজস্ব প্রতিবেদন: জব কার্ডে কয়েক কোটি টাকার দুর্নীতি রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। রয়েছে আরও বেশ কিছু আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ। পুলিসের খাতায় দাগী আসামী তিনি।  তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক জামিন অযোগ্য ধারা রয়েছে।   কিন্তু দীর্ঘদিনের খোঁজার পরও নাকি পুলিস খোঁজ পায়নি তাঁর।  অর্থাত্ পুলিসের চোখে  তিনি ফেরার! সেই ‘ফেরার’  প্রাক্তন উপপ্রধান  ভর্তি হন হাসপাতালে। জি ২৪ ঘণ্টার  সাংবাদিকের নজরে পড়ে যান তিনি।  আর সেই খবর সম্প্রচারিত হয়  জি ২৪ ঘণ্টার পর্দায়। তত্ক্ষণাত্ নড়েচড়ে বসে পুলিস প্রশাসন। খোদ পুলিস সুপার ফোন করে দিনহাটা হাসপাতালের সিসিইউ-এর বাইরে মোতায়েন করান ফোর্স। কিন্তু সেই 'লোক দেখানো' পুলিসি প্রহরার ফাঁকেই হাসপাতাল থেকে পালালেন আসামী!

আরও পড়ুন: পঞ্চায়েত উপপ্রধানের বাবাকে লক্ষ্য করে গুলি, বোমা

দিনহাটার আটিয়াবাড়ি  ১ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের ১০০ দিনের কাজের  জব কার্ডের কয়েক কোটি টাকা দুর্নীতিতে  অভিযুক্ত প্রাক্তন উপপ্রধান আব্দুল মান্নান ওরফে মান্যে পুলিশের চোখে বেশ কয়েক মাস ধরেই ফেরার। সম্প্রতি ডান হাতে ছুরির আঘাতে ক্ষত  নিয়ে দিনহাটা হাসপাতালে সিসিইউ-তে ভর্তি হন তিনি। পরিচয় গোপন করে তিনি হাসপাতালে ভর্তি হন। কিন্তু খবর  পৌঁছে যায় জি ২৪ ঘণ্টার সাংবাদিকের কাছে। দিনহাটা হাসপাতালের  সিসিইউ-তে পৌঁছে যান তিনি।

সাংবাদিককে দেখেই বেদম চটে যান  তিনি। তাঁকে নানাভাবে হুমকি দিতে থাকেন। জি ২৪ ঘণ্টার পর্দায় সেই খবর সম্প্রচারিত হয়। এরপরই পুলিস সুপার ফোন করে দিনহাটা হাসপাতালের বাইরে পুলিস ফোর্স মোতায়েন করেন। কিন্তু তা সত্ত্বেও পুলিস প্রহরার ফাঁক দিয়ে পালিয়ে যান দাগী আসামী।

আরও পড়ুন: সুখী নতুন বউয়ের  ব্যবহারে মুগ্ধ আত্মীয় থেকে প্রতিবেশীরা, কিন্তু আসলে এই মেয়ের জীবনে যা চলছিল...

এখানেই পুলিসের ভূমিকা নিয়ে একাধিক প্রশ্ন উঠছে। এর আগেও মান্নানকে গ্রামবাসীরা হাতেনাতে ধরে পুলিসের হাতে তুলে দিয়েছিলেন। কিন্তু তাতেও লাভ হয়নি কিছুই। এই ঘটনায় হাসপাতালের ভূমিকাও খতিয়ে দেখার মতো। ছুরির মতো সামান্য আঘাতে কীভাবে একজন রোগীকে সিসিইউ-তে ভর্তি করা হয়? তবে কি মান্নানকে লুকিয়ে রাখতেই এই পদক্ষেপ? নাম ভাঙিয়ে অন্য নামে কীভাবে হাসপাতালে ভর্তি হলেন মান্নান? ধোঁয়াশা রয়েছে সবেতেই।